ঈদে এক কোটি পরিবারকে খাদ্য সহায়তা দেওয়া হবে: কাদের

আপডেটঃ ৯:৫৮ অপরাহ্ণ | জুলাই ০৬, ২০২১

স্টাফ রিপোর্টার: করোনায় অসহায় ও খেটে খাওয়া মানুষের জন্য সরকার বিভিন্ন উদ্যোগ নিয়েছে বলে জানিয়েছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। আসন্ন ঈদে প্রায় এক কোটি পরিবারকে খাদ্য সহায়তা দেওয়া হবে বলেও তিনি জানান।
মঙ্গলবার (৬ জুলাই) সকালে তিনি তার সরকারি বাসভবনে নিয়মিত ব্রিফিংকালে এ কথা জানান।
ওবায়দুল কাদের বলেন, প্রতিদিনই করোনার সংক্রমণ ও মৃত্যুর হার বৃদ্ধি পাচ্ছে। সারাদেশেই ছড়িয়ে পড়েছে সংক্রমণ। হাসপাতালগুলোতে বাড়ছে রোগীর চাপ। জনস্বাস্থ্য সুরক্ষা ও ঝুঁকি মোকাবিলায় শেখ হাসিনা সরকার চলমান কঠোর বিধি-নিষেধ আরও এক সপ্তাহ বাড়িয়েছেন। এ অবস্থায় অসহায় ও খেটে খাওয়া মানুষের আর্থিক এবং খাদ্য নিরাপত্তায় সরকার নিয়েছে নানামুখী উদ্যোগ। আসন্ন ঈদে প্রায় এক কোটি পরিবারকে দেওয়া হচ্ছে খাদ্য সহায়তা।
দুর্যোগে পরস্পরের পাশে দাঁড়ানোর মধ্য দিয়েই মানুষের মানবিকতা ফুটে ওঠে। তাই সরকারের পাশাপাশি দলীয় নেতাকর্মী, জনপ্রতিনিধি ও সামর্থ্যবানদের অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান জানিয়েছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের।
ওবায়দুল কাদের বলেন, করোনা মহামারি থেকে সুরক্ষা পেতে সবার সর্বোচ্চ মাত্রার সচেতনতার মধ্য দিয়ে প্রতিরোধ ব্যবস্থা জোরদার করতে হবে। সামান্য অবহেলা বা উদাসীনতা শুধু নিজে নয়, পুরো পরিবারকে চিরচেনা জগত থেকে ছিটকে দিতে পারে।
দেশের বিভিন্ন স্থানে (উত্তরাঞ্চলে) কয়েকটি নদীর পানি প্রবাহ বেড়ে বন্যার আশঙ্কা তৈরি হচ্ছে উল্লেখ করে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, যে সব এলাকায় পানি প্রবাহ বেড়েছে সেসব এলাকায় বন্যার সম্ভাব্য ক্ষয়ক্ষতি এবং জনগণের ভোগান্তি কমাতে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা অনুযায়ী প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। সরকারের পাশাপাশি বন্যা কবলিত এলাকায় আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীদেরও জনমানুষের পাশে থাকার আহ্বান জানাচ্ছি।
বিএনপি নেতাদের মেগাপ্রকল্পের বরাদ্দ কমিয়ে করোনার জন্য অর্থসংস্থানের দাবি প্রসঙ্গে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, করোনার জন্য সরকার পর্যাপ্ত বরাদ্দ রেখেছে, এক্ষেত্রে অর্থসংস্থানের কোনো ঘাটতি নেই এবং হবেও না। করোনার টিকা সংগ্রহসহ সব সম্ভাব্য ব্যয় মেটাতে প্রধানমন্ত্রী বিধি-বিধান প্রতিপালন সাপেক্ষে অত্যন্ত উদার। বিএনপি মেগা প্রকল্প বাস্তবায়নের সক্ষমতা দেখাতে পারেনি বলে এখন মেগা প্রকল্পের বিরোধিতায় নেমেছে। তারা দেশের উন্নয়ন চায় না। তারা তাদের সময়ে উন্নয়নের নামে করেছে লুটপাট। মেগা প্রকল্পের বরাদ্দ কাট-ছাটের উদ্ভট প্রস্তাব উদ্দেশ্যমূলক।