আটপাড়ায় লকডাউনেও জমজমাট জুয়ার আসর

আপডেটঃ ১:৩২ অপরাহ্ণ | মে ০৬, ২০২১

বিশেষ প্রতিনিধি: করোনাকালিন এ লকডাউনে সামাজিক দূরত্বকে উপেক্ষা করে জমজমাট জুয়ার আসর চালানোর অভিযোগ উঠেছে মোস্তাকিম খোকনের বিরুদ্ধে। সে নেত্রকোনা জেলার আটপাড়া থানার ইকোআটি গ্রামের আব্দুর রাজ্জাকের ছেলে।

জানা যায়,আটপাড়া থানাধিন গঞ্জের বাজার(কালিবাড়ি সংলগ্ন) একটি কক্ষে জুয়ার আসর বসছে। প্রতিদিন দুপুর ১২টা থেকে সন্ধা ৬টা পর্যন্ত চলে এ আসর। করোনাকালিন এ লকডাউনে দেদাড়ছে চলছে এ জুয়ার আসর। প্রতিদিন নিস্ব: হচ্ছে শতশত মানুষ। সকাল থেকেই পার্শবর্তি জেলার নানা শ্রেণী পেশার মানুষ এ জুয়ার আসরে যোগ দিতে ট্রলার ও নৌকা দিয়ে আসতে থাকে। বেলা বাড়তে থাকলেই জমে উঠে এ আসর। প্রায় চার মাস পেরিয়ে গেলেও কোন আইনগত ব্যবস্থা নেয় নি স্থানীয় প্রশাসন। জুয়ায় টাকা হেরে নেত্রকোনা জেলার মোহনগঞ্জ থানার এক ব্যক্তি আত্নহত্যা করেছে বলে জানা যায়।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক আ.লীগ নেতা বলেন, জুয়া চালানোর জন্য থানার পুলিশকে দৈনিক মোটা অংকের টাকা দিতে হয়।
স্থানীয়রা জানান, জুয়া খেলা বন্ধ করতে বললে উল্টো পুলিশ নিরাপত্তার দায়িত্ব পালনের ব্যস্ততা দেখাচ্ছে। আসলে ব্যস্ততার নেপথ্যে তাঁরা জুয়ার বাণিজ্য করছেন। ফলে অভিযোগ করেও কোনো প্রতিকার মিলছে না।
ভুক্তভুগি আজিজ উদ্দিন বলেন,আমার বাড়ি সুনামগঞ্জ জেলায়। আমি এখানে জুয়ার আসরে যোগ দিয়ে আমি তিরিশ লক্ষ টাকা হেরে যায়। আমি এখন নিস্ব: হয়ে গেছি।পরিবার থেকে বিচ্ছিন্ন।

অভিযুক্ত মোস্তাকিম খোকন(মুঠোফোনে) যোগাযোগের চেষ্টা করলে তিনি ফোন রিসিভ করেন নি।
আটপাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা(ওসি) মো.জাফর ইকবাল বলেন,এদের সম্পর্কে আমি অবগত আছি।জেলা পুলিশ সুপার স্যার আমাকে তাদের গ্রেপ্তারে জন্য নির্দেশ দিয়েছেন। তাদের গ্রেফতারে পুলিশি অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
আটপাড়ায় লকডাউনেও জমজমাট জুয়ার আসর

বিশেষ প্রতিনিধি: করোনাকালিন এ লকডাউনে সামাজিক দূরত্বকে উপেক্ষা করে জমজমাট জুয়ার আসর চালানোর অভিযোগ উঠেছে মোস্তাকিম খোকনের বিরুদ্ধে। সে নেত্রকোনা জেলার আটপাড়া থানার ইকোআটি গ্রামের আব্দুর রাজ্জাকের ছেলে।
জানা যায়,আটপাড়া থানাধিন গঞ্জের বাজার(কালিবাড়ি সংলগ্ন) একটি কক্ষে জুয়ার আসর বসছে। প্রতিদিন দুপুর ১২টা থেকে সন্ধা ৬টা পর্যন্ত চলে এ আসর। করোনাকালিন এ লকডাউনে দেদাড়ছে চলছে এ জুয়ার আসর। প্রতিদিন নিস্ব: হচ্ছে শতশত মানুষ। সকাল থেকেই পার্শবর্তি জেলার নানা শ্রেণী পেশার মানুষ এ জুয়ার আসরে যোগ দিতে ট্রলার ও নৌকা দিয়ে আসতে থাকে। বেলা বাড়তে থাকলেই জমে উঠে এ আসর। প্রায় চার মাস পেরিয়ে গেলেও কোন আইনগত ব্যবস্থা নেয় নি স্থানীয় প্রশাসন। জুয়ায় টাকা হেরে নেত্রকোনা জেলার মোহনগঞ্জ থানার এক ব্যক্তি আত্নহত্যা করেছে বলে জানা যায়।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক আ.লীগ নেতা বলেন, জুয়া চালানোর জন্য থানার পুলিশকে দৈনিক মোটা অংকের টাকা দিতে হয়।
স্থানীয়রা জানান, জুয়া খেলা বন্ধ করতে বললে উল্টো পুলিশ নিরাপত্তার দায়িত্ব পালনের ব্যস্ততা দেখাচ্ছে। আসলে ব্যস্ততার নেপথ্যে তাঁরা জুয়ার বাণিজ্য করছেন। ফলে অভিযোগ করেও কোনো প্রতিকার মিলছে না।
ভুক্তভুগি আজিজ উদ্দিন বলেন,আমার বাড়ি সুনামগঞ্জ জেলায়। আমি এখানে জুয়ার আসরে যোগ দিয়ে আমি তিরিশ লক্ষ টাকা হেরে যায়। আমি এখন নিস্ব: হয়ে গেছি।পরিবার থেকে বিচ্ছিন্ন।

অভিযুক্ত মোস্তাকিম খোকন(মুঠোফোনে) যোগাযোগের চেষ্টা করলে তিনি ফোন রিসিভ করেন নি।
আটপাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা(ওসি) মো.জাফর ইকবাল বলেন,এদের সম্পর্কে আমি অবগত আছি।জেলা পুলিশ সুপার স্যার আমাকে তাদের গ্রেপ্তারে জন্য নির্দেশ দিয়েছেন। তাদের গ্রেফতারে পুলিশি অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

 

 

সি এন এন নিউজ/জামান