কুড়িগ্রামের রৌমারী হাসপাতালে ঔষুধ পোড়ানো ঘটনায় তদন্ত শুরু

আপডেটঃ ১০:৪৪ অপরাহ্ণ | এপ্রিল ২৬, ২০২১

রৌমারী (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধিঃকুড়িগ্রামের রৌমারীতে ঔষুধ পোড়ানোর ঘটনায় তদন্ত শুরু হয়েছে। এ বিষয়ে সোমবার (২৬ এপ্রিল) সকালের দিকে এক জরুরী সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। উক্ত সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী জাকির হোসেন এমপি। বিশেষ অতিথি ছিলেন উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান শেখ আব্দুল্লাহ, উপজেলা নির্বাহী অফিসার আল ইমরান, রৌমারী থানার অফিসার ইনচার্জ মোন্তাছের বিল্লাহ, উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক রেজাউল ইসলাম মিনু, উপজেলা আ“লীগের যুগ্ম-সাধারন সম্পাদক নজরুল ইসলাম ও উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে কর্মকর্তা আসাদুজ্জামান প্রমূখ। আলোচনা সভায় তিন সদস্য বিশিষ্ট একটি তদন্ত টিম গঠন করা হয়েছে।
উল্লেখ্য গত রোববার (২৪ এপ্রিল) দুপুরে দিকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স চত্বরে মসজিদের পাশের পরিত্যক্ত জায়গায় পোড়ানো অবস্থায় ঔষুধগুলো দেখতে পায় মসজিদে নামাজ পড়তে আসা কয়েকজন মুসল্লি। বিষয়টি জানাজানি হলে মুহূর্তেই হাসপাতাল চত্বরে উৎসুক জনতার ভিড় জমে। নিজ চত্বরে এমন ঘটনা ঘটলেও এ ব্যাপারে কিছুই জানে না কর্তৃপক্ষ। এ নিয়ে এলাকার মানুষের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।
উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের প্রশাসনিক ভবনের ৩০ গজ দূরেই হাসপাতালের মসজিদ। এ মসজিদের নিকটে পরিত্যক্ত একটি জায়গায় বিভিন্ন ধরনের নামীদামি সরকারি ঔষুধ পোড়ানো অবস্থায় স্তুূপ আকারে পড়ে আছে।
ওই মসজিদে নিয়মিত নামাজ আদায় করা শাকিল আহমেদ বলেন জোহরের নামাজের সময় অজু করতে গিয়ে হঠাৎ সামনে কালো একটি স্তুুপ চোখে পড়ে। কাছে গিয়ে দেখি এতে নানা ধরনের ঔষুধ পোড়ানো হয়েছে।
হাসপাতালে সেবা নিতে আসা আবদুস সালাম বলেন, হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে এলে সব ঔষুধ বাইরে থেকে কিনতে হয়। অথচ সরকারের লাখ লাখ টাকার ঔষুধ পুড়িয়ে ফেলা হচ্ছে। এ ঘটনায় জড়িত ব্যক্তিদের চিহ্নিত করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানাই।
রৌমারী উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা মো. আসাদুজ্জামান বলেন, পোড়ানো ওষুধগুলো সরকারি, এ ব্যাপারে নিশ্চিত। কিন্তু কে বা কারা ওষুধগুলো পুড়িয়েছেন, তা আমার জানা নেই।
এ ঘটনায় আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা সেলিম মিয়াকে প্রধান করে তিন সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। প্রতিবেদন হাতে পেলে পরবর্তী পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।

 

 

সিএনএ নিউজ/জামান