বইমেলায় শিক্ষার্থীদের বাড়তি আয়ের সুযোগ

আপডেটঃ ৮:৪৩ অপরাহ্ণ | মার্চ ২৫, ২০২১

ঢাবি রিপোর্টার :  চলছে অমর একুশে বইমেলা ২০২১। মেলায় অংশ নেওয়া প্রকাশনী ও প্রতিষ্ঠানগুলো  খন্ডকালীন কিছু বিক্রয়কর্মী ও জনবল নিয়োগ দিয়ে থাকে। এখানে সাধারণত বিভিন্ন কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরাই সুযোগ পেয়ে থাকেন। আর এতে তৈরি হয় বাড়তি আয়ের সুযোগ।
বাংলা একাডেমি প্রাঙ্গণ ও সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের প্রায় ১৫ লাখ বর্গফুট জায়গা জুড়ে অনুষ্ঠিত হচ্ছে এবারের বইমেলা। বাংলা একাডেমি প্রাঙ্গণে ১০৭টি প্রতিষ্ঠানের ১৫৪টি স্টল বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। অন্যদিকে সোহরাওয়ার্দী উদ্যান অংশে ৫৪০টি প্রতিষ্ঠানকে ৮৩৪টি স্টল বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। রয়েছে ৩৩টি প্যাভিলিয়নও।
কাজের ধরনের উপর ভিত্তি করে দেওয়া হয় সম্মানী। এছাড়াও কিছু ক্ষেত্রে বাড়তি সুযোগ সুবিধাও রয়েছে। তারই ধারাবাহিকতায় এবছরও বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও প্রকাশনীর হয়ে প্রায় কয়েক হাজার তরুণ-তরুণী বইমেলায় খণ্ডকালীন চাকরির সুযোগ পেয়েছে
পাঞ্জেরী পাবলিকেশন্সের প্যাভিলিয়নে খণ্ডকালীন বিক্রয়কর্মী হিসেবে কাজ করছেন মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের স্নাতক শ্রেণীতে অধ্যয়নরত মামুন। জানালেন, চাকরির অভিজ্ঞতা এই প্রথম। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে পার্টটাইম চাকরির বিজ্ঞাপন দেখে সিভি পাঠিয়েছিলেন। পরবর্তীতে ডাক পেয়েছেন সাক্ষাতকারের। সাক্ষাতকারের পর প্রশিক্ষণ গ্রহণ করে মাসব্যাপী এই মেলায় বিক্রয়কর্মী হিসেব কাজ করছেন।
একই পাবলিকেশন্সের প্যাভিলিয়নে কাজ করছেন রাজধানীর ঢাকা কলেজের শিক্ষার্থী তারেক, প্রশান্ত ও আশিকসহ প্রায় ৩০ জন খণ্ডকালীন বিক্রয়কর্মী। যারা সবাই দেশের বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী।
পাঞ্জেরী পাবলিকেশন্সের ম্যানেজার ইফতেখার আহমেদ বলেন, মাসব্যাপী বইমেলায় কাজের জন্য তেমন কোনো অভিজ্ঞতার প্রয়োজন হয় না। তবে আগে কাজ করার অভিজ্ঞতা থাকলে চাকরি পাওয়ার ক্ষেত্রে তা বাড়তি যোগ্যতা হিসেবে বিবেচনা করা হয়। সাধারণত উদ্যমী, পরিশ্রমী, সহজ-সাবলীল উপস্থাপনা, সুন্দর বাচনভঙ্গি, ধৈর্যশীল এবং আত্মবিশ্বাসী তরুণ-তরুণীদের আমরা কাজের সুযোগ দিয়ে থাকি। এতে করে একদিকে তারা যেমন আর্থিকভাবে কিছুটা হলেও লাভবান হয়। অন্যদিকে তাদের অভিজ্ঞতার পাল্লাও ভারি হয়, যা তাদের পরবর্তী জীবনে বিভিন্ন কাজের জন্য সহায়ক ভূমিকা পালন করে।
বইমেলায় মোবাইল ফোনভিত্তিক টাকা স্থানান্তর সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান বিকাশের বুথে খণ্ডকালীন সেবাকর্মী হিসেবে কাজ করছেন প্রায় শতাধিক তরুণ- তরুণী। যাদের অধিকাংশই বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থী। খণ্ডকালীন কর্মী সানজিদা আফরিন বললেন, এর আগেও মেলায় খণ্ডকালীন কর্মী হিসেবে কাজ করেছি। এখানে কাজ করলে যেমন অভিজ্ঞতা বাড়ে তেমনি কিছু আয়ও হয়।
সবমিলিয়ে মেলায় বড়-ছোট প্রায় সব প্রতিষ্ঠানেই খণ্ডকালীন চাকরির সুযোগ দিয়ে থাকে। মাসব্যাপী এই খণ্ডকালীন চাকরির জন্য একেক প্রতিষ্ঠান একেক অঙ্কের সম্মানী দিয়ে থাকে। বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের কর্তাব্যক্তিদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, সাধারণত কাজ এবং সময়ভেদে ১০ থেকে ৩৫ হাজার টাকা পর্যন্ত সম্মানী দেওয়া হয়। এর সঙ্গে অধিকাংশ প্রতিষ্ঠানই বিক্রয় কর্মীদের দুপুর ও রাতের খাবার দিয়ে থাকে। অনেক প্রতিষ্ঠান আবার এক মাসের কাজের জন্য অভিজ্ঞতা সনদও দেয়।
ঢাবি রিপোর্টার: চলছে অমর একুশে বইমেলা ২০২১। মেলায় অংশ নেওয়া প্রকাশনী ও প্রতিষ্ঠানগুলো  খন্ডকালীন কিছু বিক্রয়কর্মী ও জনবল নিয়োগ দিয়ে থাকে। এখানে সাধারণত বিভিন্ন কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরাই সুযোগ পেয়ে থাকেন। আর এতে তৈরি হয় বাড়তি আয়ের সুযোগ।
বাংলা একাডেমি প্রাঙ্গণ ও সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের প্রায় ১৫ লাখ বর্গফুট জায়গা জুড়ে অনুষ্ঠিত হচ্ছে এবারের বইমেলা। বাংলা একাডেমি প্রাঙ্গণে ১০৭টি প্রতিষ্ঠানের ১৫৪টি স্টল বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। অন্যদিকে সোহরাওয়ার্দী উদ্যান অংশে ৫৪০টি প্রতিষ্ঠানকে ৮৩৪টি স্টল বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। রয়েছে ৩৩টি প্যাভিলিয়নও।
কাজের ধরনের উপর ভিত্তি করে দেওয়া হয় সম্মানী। এছাড়াও কিছু ক্ষেত্রে বাড়তি সুযোগ সুবিধাও রয়েছে। তারই ধারাবাহিকতায় এবছরও বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও প্রকাশনীর হয়ে প্রায় কয়েক হাজার তরুণ-তরুণী বইমেলায় খণ্ডকালীন চাকরির সুযোগ পেয়েছে
পাঞ্জেরী পাবলিকেশন্সের প্যাভিলিয়নে খণ্ডকালীন বিক্রয়কর্মী হিসেবে কাজ করছেন মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের স্নাতক শ্রেণীতে অধ্যয়নরত মামুন। জানালেন, চাকরির অভিজ্ঞতা এই প্রথম। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে পার্টটাইম চাকরির বিজ্ঞাপন দেখে সিভি পাঠিয়েছিলেন। পরবর্তীতে ডাক পেয়েছেন সাক্ষাতকারের। সাক্ষাতকারের পর প্রশিক্ষণ গ্রহণ করে মাসব্যাপী এই মেলায় বিক্রয়কর্মী হিসেব কাজ করছেন।
একই পাবলিকেশন্সের প্যাভিলিয়নে কাজ করছেন রাজধানীর ঢাকা কলেজের শিক্ষার্থী তারেক, প্রশান্ত ও আশিকসহ প্রায় ৩০ জন খণ্ডকালীন বিক্রয়কর্মী। যারা সবাই দেশের বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী।
পাঞ্জেরী পাবলিকেশন্সের ম্যানেজার ইফতেখার আহমেদ বলেন, মাসব্যাপী বইমেলায় কাজের জন্য তেমন কোনো অভিজ্ঞতার প্রয়োজন হয় না। তবে আগে কাজ করার অভিজ্ঞতা থাকলে চাকরি পাওয়ার ক্ষেত্রে তা বাড়তি যোগ্যতা হিসেবে বিবেচনা করা হয়। সাধারণত উদ্যমী, পরিশ্রমী, সহজ-সাবলীল উপস্থাপনা, সুন্দর বাচনভঙ্গি, ধৈর্যশীল এবং আত্মবিশ্বাসী তরুণ-তরুণীদের আমরা কাজের সুযোগ দিয়ে থাকি। এতে করে একদিকে তারা যেমন আর্থিকভাবে কিছুটা হলেও লাভবান হয়। অন্যদিকে তাদের অভিজ্ঞতার পাল্লাও ভারি হয়, যা তাদের পরবর্তী জীবনে বিভিন্ন কাজের জন্য সহায়ক ভূমিকা পালন করে।
বইমেলায় মোবাইল ফোনভিত্তিক টাকা স্থানান্তর সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান বিকাশের বুথে খণ্ডকালীন সেবাকর্মী হিসেবে কাজ করছেন প্রায় শতাধিক তরুণ- তরুণী। যাদের অধিকাংশই বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থী। খণ্ডকালীন কর্মী সানজিদা আফরিন বললেন, এর আগেও মেলায় খণ্ডকালীন কর্মী হিসেবে কাজ করেছি। এখানে কাজ করলে যেমন অভিজ্ঞতা বাড়ে তেমনি কিছু আয়ও হয়।
সবমিলিয়ে মেলায় বড়-ছোট প্রায় সব প্রতিষ্ঠানেই খণ্ডকালীন চাকরির সুযোগ দিয়ে থাকে। মাসব্যাপী এই খণ্ডকালীন চাকরির জন্য একেক প্রতিষ্ঠান একেক অঙ্কের সম্মানী দিয়ে থাকে। বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের কর্তাব্যক্তিদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, সাধারণত কাজ এবং সময়ভেদে ১০ থেকে ৩৫ হাজার টাকা পর্যন্ত সম্মানী দেওয়া হয়। এর সঙ্গে অধিকাংশ প্রতিষ্ঠানই বিক্রয় কর্মীদের দুপুর ও রাতের খাবার দিয়ে থাকে। অনেক প্রতিষ্ঠান আবার এক মাসের কাজের জন্য অভিজ্ঞতা সনদও দেয়।