পল্লীকবি জসীম উদ্দীনের মৃত্যুবার্ষিকী আজ

আপডেটঃ ১:১৮ অপরাহ্ণ | মার্চ ১৩, ২০২১

স্টাফ রিপোর্টার: ‘তুমি যাবে ভাই যাবে মোর সাথে আমাদের ছোট গায়’- এমন শত কবিতা, গল্প, নাটক আর গানের মাঝে গ্রামীণ মানুষের সুখ-দুঃখের কথা শব্দের গাথুনিতে যে কবি আমাদের উপহার দিয়ে গেছেন সেই পল্লীকবি জসীম উদ্দীনের মৃত্যুবার্ষিকী আজ। ১৯৭৬ সালের আজকের দিনে কবি পৃথিবীর মায়া ত্যাগ করে চলে যান।
১৯০৩ সালের পহেলা জানুয়ারি ফরিদপুর শহরতলীর কৈজুরী ইউনিয়নের তাম্বুলখানা গ্রামে নানা বাড়িতে জন্মগ্রহণ করেন কবি জসীম উদ্দীন। কবির বাবার নাম আনছারউদ্দীন, মায়ের নাম আমেনা খাতুন।
কবির শিক্ষা শুরু হয় ফরিদপুর শহরের হিতৈষী স্কুলে। সেখানে প্রাথমিক শেষ করে তিনি ফরিদপুর জিলা স্কুল থেকে ১৯২১ সালে ম্যাট্রিক, ১৯২৪ সালে ফরিদপুর রাজেন্দ্র কলেজ থেকে এইচএসসি এবং একই কলেজ থেকে বিএ পাস করেন। তিনি ১৯৩১ সালে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এমএ পাশ করেন। পরবর্তীতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকতার চাকরিতে যোগদান করেন তিনি। ১৯৬১ সালে চাকরি থেকে অবসর গ্রহণ করেন।
তিনি ১৯৩৯ সালে মমতাজ বেগমকে বিয়ে করেন। কবির চার ছেলে ও দুই মেয়ে রয়েছে।
পল্লীকবি জসীম উদ্দীন ছোট বেলা থেকেই কাব্য চর্চা শুরু করেন। কবির ১৪ বছর বয়সে কল্লোল পত্রিকায় তার কবিতা প্রকাশিত হয়। কবির প্রথম কাব্যগ্রন্থ রাখালী। এরপর তার ৪৫টি বিভিন্ন ধরনের গ্রন্থ প্রকাশিত হয়। এছাড়া পল্লী কবির অমর সৃষ্টির মধ্যে রয়েছে- নকশী কাঁথার মাঠ, সোজন বাদিয়ার ঘাট, এক পয়সার বাঁশি, রাখালী, বালুচর প্রভৃতি।
পল্লীকবি জসীমউদ্দিন ১৯৭৬ সালে ইউনেসকো পুরস্কার, ১৯৬৮ সালে বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ের ডি.লিট উপাধি, ১৯৭৬ সালে ২১ শে পদকে ভূষিত হন।