ব্রেকিং নিউজঃ

রৌমারীর চরা লে গোলআলুর বাম্পার ফলন

আপডেটঃ ১:১৭ অপরাহ্ণ | মার্চ ০৮, ২০২১

সাইফুল ইসলাম,রৌমারী কুড়িগ্রাম: কুড়িগ্রামের রৌমারীতে গোল আলু চাষে আগ্রহ বাড়ছে কৃষকের। নতুন আলু চাষ করে দাম বেশি পাওয়ায় কৃষকের মুখে হাসি ফুটেছে। কয়েকজন বেকার যুবক যৌথভাবে আলু চাষ করে স্বাবলম্বী হয়েছে। এবারে আবহাওয়া ভালো, দীর্ঘমেয়াদি শৈত্যপ্রবাহ না থাকায় এবং রোগ-বালাই কম হওয়ায় আলুর বাম্পার ফলন পেয়েছে তারা। বাম্পার ফলন হওয়ায় কৃষকের চোখেমুখে হাসি ফুটছে। তবে ন্যায্য দাম পাওয়া নিয়ে আশঙ্কায় রয়েছেন তারা। তবে বিদেশে আলুর রপ্তানি বাড়ানোর পাশাপাশি আলুর বহুমুখী ব্যবহার বাড়াতে নানামুখী খাবার তৈরিতে উৎসাহ সৃষ্টি করার জন্য সরকার নানা উদ্যোগ গ্রহণ করলে কৃষক লাভবান হবেন।
উপজেলা কৃষি স¤প্রসারণ অধিদপ্তর সুত্রে জানা গেছে, এ উপজেলায় গোল আলু চাষ খবুই কম হতো। এবার রৌমারীতে কয়েকজন বেকার যুবক যৌথভাবে ৬৫ হেক্টর জমিতে আলু চাষ করেছে। বর্তমানে প্রতি হেক্টর জমিতে ২০ থেকে ২৫ টন পর্যন্ত আলু উৎপাদন করেছে আলু চাষিরা। উচ্চ ফলনশীল আলুর মধ্যে কারেজ, কার্ডিয়াল, স্টারিক্স, ডায়মন্ড, রুমানা, গ্রানুলা, কাবেরি আর স্থানীয় আলুর মধ্যে সাদা পাটনাই, চলিশা, শিল বিলাতি, লালপাকড়িসহ বিভিন্ন জাতের আলুর চাষ হয়েছে। ৬০ শতকের বিঘাপ্রতি কৃষকের খরচ হয়েছে ৩০ থেকে ৩৫ হাজার টাকা। উৎপাদনের পর এক বিঘা জমিতে আলু উৎপাদন হয়েছে ১৯০ থেকে ২০০ মন পর্যন্ত। ৫০০ থেকে ৫৭০ টাকা মন দরে বিক্রি করেও ভাগ্যের চাক্কা ঘুরেছে কয়েকজন কৃষকের।
উপজেলার লাঠিয়াল ডাঙ্গা গ্রামের আলু চাষি আঃ করিম জানান, জীবনের প্রথম ৪ বিঘা জমিতে আলু চাষ করেছি। আলুর বাম্পার ফলন হয়েছে। ৪ বিঘা জমিতে ৩২ টন আলু পেয়েছি। খরচা উঠেও অর্ধেকের বেশি লাভ হয়েছে। বালিয়ামারী বাজার পাড়া বাদুল মিয়া ও মুকুল হোসেন একই কথা জানান।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা শাহরিয়ার হোসেন জানান, এই এলাকায় আলুর চাষ খবুই কম হয়। এ অ লটি নিচু এলাকা হওয়ায় তারা সরিষা আর বোরো ধান চাষে বেশি ভ‚মিকা রাখে। এ জন্যই এলাকায় আলু চাষ কম হতো। এবার ৬০ শতকের বিঘা প্রতি জমিতে আলু ২০০ মন উৎপাদনে সক্ষম হয়েছে এই এলাকার কৃষকরা। আগামীতে ব্যাপক হারে আলু চাষ হওয়ার সম্ভবনা রয়েছে।

 

সিএনএ নিউজ/জামান