নরসিংদীতে গৃহহীন পরিবারের মাঝে হস্তাতরের অপেক্ষায় ২২১ টি ঘর

আপডেটঃ ১১:৫২ পূর্বাহ্ণ | জানুয়ারি ২২, ২০২১

এম.এ.সালাম রানা, নরসিংদী :প্রধানমন্ত্রীর উপহার হিসেবে নরসিংদীতে ২২১ টি গৃহহীন পরিবার পাচেছন জমিসহ টিনসেট পাকা ঘর। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নিজস্ব তত্ববধানে পরিচালিত ভূমিহীন ও গৃহহীন মানুষের পুনর্বাসন এর প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের লক্ষ্যে আশ্রয়ন-২ প্রকল্পের আওতায় ঘরগুলো হস্তাতরের অপেক্ষায়।
জেলার ভূমিহীন ও গৃহহীন মানুষের বাসস্থান নিশ্চিকল্পে নরসিংদী জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট সৈয়দা ফারহানা কাউনাইন এর দিক নির্দেশনায় এই জেলায় গৃহ নির্মাণের কাজ দ্রুততার সাথে শুরু হয়। নরসিংদী জেলায় প্রথম পর্যায়ে বরাদ্দপ্রাপ্ত ২২১ টি গৃহ নির্মানের কাজ ইতোমধ্যে সমাপ্ত হয়েছে। তন্মধ্যে নরসিংদী সদর উপজেলায় ০৪ টি, পলাশ উপজেলায় ২৫ টি, শিবপুর উপজেলায় ৪২ টি, মনোহরদী উপজেলায় ৪৫ টি, বেলাব উপজেলায় ৭০ টি এবং রায়পুরা উপজেলায় ৩৫ টি গৃহহীন পরিবারের জন্য গৃহ নির্মানে কাজ সম্পন্ন হয়েছে। উক্ত ২২১ টি গৃহহীন পরিবারকে গৃহপ্রধানের পাশাপাশি প্রত্যককে ০২ শতাংশ করে খাসজমি বন্দোবস্ত দিয়েছেন জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট সৈয়দা ফারহানা কাউনাইন।
এ উদ্দেশ্যে প্রতি পরিবারের স্বামী এবং স্ত্রী এর নামে কবুলিয়ত সম্পন্নপূর্বক নামজারীর কার্যক্রমও সমাপ্ত হয়েছে। জেলা প্রশাসক প্রকল্পের কাজ যথাযথ ভাবে সম্পন্ন হওয়ার লক্ষ্যে গৃহ নির্মান কাজ পরিদর্শন করে কাজের মান নিশ্চিত করেন। আগামী ২৩ জানুয়ারী ২০২১ তারিখে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ভিডিও কনফারেন্সিং এর মাধ্যমে সমগ্র বাংলাদেশের ন্যায় নরসিংদী জেলায়ও ২২১ টি ভূমিহীন ও গৃহহীন পরিবারের মধ্যে গৃহ প্রদানের সনদপত্র, কবুলিয়ত এবং নামজারী খতিয়ান হস্তান্তর করবেন।
নরসিংদী জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট সৈয়দা ফারহানা কাউনাইন বলেন, ভূমিহীন, গৃহহীন, ছিন্নমূল মানুষের সার্বিক উন্নয়নের লক্ষ্যে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী কর্তৃক গৃহ প্রদানের পাশাপাশি নরসিংদী জেলা প্রশাসনের নিজস্ব উদ্যোগে নির্মিত গৃহে বিদ্যুৎ সংযোগ দেয়া হয়েছে, সুপেয় পানির জন্য নলকূপ স্থাপন করা হয়েছে। এছাড়াও এসকল গৃহহীন পরিবারের জীবনমান সমৃদ্ধি করার জন্যে আশ্রয়ণ প্রকল্পের নিকটতম দূরত্বে শিশুপার্ক, বিদ্যালয় ও মসজিদ স্থাপনের পরিকল্পনা রয়েছে। ছিন্নমূল এসব পরিবারের অর্থনৈতিক উন্নয়ন বেগবান করতে এসকল পরিবারের মাঝে সহজ স্বর্তে ঋণ বিতরণের কার্যক্রম হাতে নিয়েছে জেলা প্রশাসন।