জামদানি শাড়ির নির্ভরযোগ্য প্রতিষ্ঠান নাইয়োরী জামদানি

আপডেটঃ ৭:১০ অপরাহ্ণ | ডিসেম্বর ২৪, ২০২০

সি এন এ প্রতিবেদক : বাংলাদেশ অনলাইন সেক্টরে নাইয়োরী জামদানি খুব সহজেই জয় করে নিয়েছে মানুষের আস্থা ও ভালোবাসা তাই আজকের লেখাগুলো ফারহানা আফরোজ জুঁই এর নাইয়োরী জামদানি কে নিয়ে লেখা ।

সারা বাংলাদেশ ক্যাশ অনডেলিভারী করে থাকে তা ছাড়া সমগ্র বাংলাদেশ ব্যাপি ডেলিভারী চার্জ ফ্রি ।

নাইয়োরী জামদানি শাড়ি এখন দিন দিন ক্রেতাদের আস্থা ও নির্ভরযোগ্য বিক্রয় মাধ্যম হিসেবে জায়গা করে নিয়েছে এখন দেশ ও দেশের বাইরে তাদের তৈরি নাইয়োরী জামদানির রয়েছে আকাশছোঁয়া জনপ্রিয়তা।

দেশের বাইরে খুবই  সল্প খরচে নাইয়োরী জামদানি  ডেলিভারি দিয়ে থাকে ।
তাদের ফেসবুক পেজের top fan যারা তারা সবসময় ৫% ডিসকাউন্ট  পেয়ে  থাকে ।

নাইয়োরী জামদানি অর্ডার করতে অথবা যেকোন প্রয়োজনে  হোয়াটস এ্যাপ নম্বর 01711376561 এ  যোগাযোগ  করুন ।

বয়নশিল্পের ঐতিহ্য দক্ষিণ এশিয়ায় চার হাজার বছরের। সমগ্র দক্ষিণ এশিয়ায় বাংলা ব-দ্বীপে তুলার চাষ ও উৎপাদন , বিভিন্ন রকম অসাধারণ মসৃণ কাপড়ের জন্য বিশেষ জায়গা দখল করে আসছে। ব-দ্বীপ অঞ্চলের মধ্যে বৃহত্তর ঢাকা প্রাচীনকাল থেকে মসলিনের উৎপাদন
ও বাণিজ্যের জন্য অন্যতম জায়গা ছিল।

অনুমান করা হয় যে মসলিনের মধ্যে ৩৬টি ভিন্ন ভিন্ন পণ্য রয়েছে।  জামদানি তার মধ্যে শ্রেষ্ঠতম। জামদানি তৈরির কলাকৌশল শুধু ঢাকার নাইয়োরী কারিগরদের আয়ত্তাধীন। মধ্য ঊনবিংশ শতকে ওয়াটসন যে ১ হাজার ৪০০ নমুনা সংগ্রহ করেন। তার ১৫টি নমুনার মধ্যে দুটি জামদানির নমুনা ছিল। দক্ষিণ এশিয়া বা পৃথিবীর অন্য কোথাও জামদানি নামে কোনো পণ্য পরিচিতি পায়নি। ভৌগোলিক ও সাংস্কৃতিক প্রভাবের ওপর ভিত্তি করে দক্ষিণ এশিয়ার বয়নশিল্পের নকশা, কৌশল, গঠনবিন্যাস নির্ভর করে আসছে। ভৌগোলিক নির্দেশনা (Geographical Indication) আইন অনুযায়ী ভৌগোলিক, সাংস্কৃতিক, ঐতিহাসিক দিক দিয়ে জামদানি বিশেষভাবে ঢাকা অঞ্চলেরই। সে বিবেচনায় ঢাকা ভৌগোলিক নির্দেশনা দাবি করে।
মুখ্য শব্দগুচ্ছ: ঢাকাই জামদানি, বয়ন-প্রক্রিয়া, সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য, জামদানি বাণিজ্য, ভৌগোলিক নির্দেশনা।

জামদানির পরিচিতি

জামদানি শব্দটি ফারসি শব্দ জামা(ই) থেকে এসেছে, যার অর্থ কাপড়।১ ফারসিতে জামেদান অর্থ জিনিসপত্র রাখার ছোট ঘর অথবা আলমারি। বয়নশিল্পের ইতিহাসে জামদানিকে শাড়ি হিসেবে দেখা হয়, যা বাংলাদেশি নারীদের মধ্যে জনপ্রিয় পোশাক। এখানে জামদানির তিনটি সংজ্ঞা দেওয়া হলো:

ক. একধরনের কাপড়, যেখানে ফুল বোনা হয় (সাধারণত মসলিন) (হান্টার ১৮০৮)।

খ. ফুল এবং অন্যান্য নকশায় বোনা ঢাকার মসলিন (নাইট ১৮৮১)।

গ. নকশা করা ও ফুলেল ঢাকার মসলিন।

জামদানির বিশিষ্টতা বুঝতে হলে ফুলময়তা ছাড়াও অন্যান্য সূক্ষ্ম জিনিসে নজর দিতে হবে। এর গঠন জ্যামিতিক এবং নকশায় ফুল ছাড়াও অন্যান্য জিনিস যেমন—গাছ, মাছ বা লতাপাতা থাকতে পারে। জামদানির বৈচিত্র্য অনেক কিন্তু তিনটি মূল নকশা আছে। ‘জাল’ সবচেয়ে জটিল, যেখানে পুরো জমিনজুড়ে কাজ থাকে; ‘তেরচি’তে জ্যামিতিক নকশা থাকে এবং ‘বুটি’তে ফুল ও ঝরনা পুরোটা জুড়ে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে থাকে (গুজনাভি ২০০৬: ৪৭ ; আরও দেখুন গিলো ও বার্নার্ড ২০০৮: ১৮৬)। এর বয়ন-প্রক্রিয়া এবং বাস্তবায়নের ধরন অনন্য। এককথায়, নকশার ঐশ্বর্য, তাঁতিদের দক্ষতা ও কাঁচামালের সহজলভ্যতার কারণে জামদানি খাঁটি বাংলাদেশি পণ্য হিসেবে বিকশিত হয়েছে। ওয়াটসন দাবি করেন, জামদানি অথবা মসলিনকে ভারতীয় কারিগরদের সেরা শিল্পকর্ম হিসেবে গণ্য করা হয়, যা অত্যন্ত চমত্কার, নিখুঁত, সুকৌশলী। কঠিন নকশার কারণে তারা ঢাকা তাঁতের সবচেয়ে ব্যয়বহুল পণ্য উত্পাদন করে।

উত্পাদনের ভৌগোলিক পরিবেশ

জামদানির ঢাকাভিত্তিক ভৌগোলিক নির্দেশনা আমরা দুটি বিষয়ের মাধ্যমে বিবেচনা করতে পারি। প্রথমত, এই অঞ্চলে তুলা উত্পাদনের জায়গা এবং পরিবেশ। দ্বিতীয়ত, জামদানি উত্পাদনের পরিবেশগত অবস্থা। আমরা এখানে দেখব ঢাকা অঞ্চলে জামদানিশিল্পের প্রসারের ক্ষেত্রে কতটুকু ভৌগোলিক অবস্থার প্রভাব রয়েছে।

নান্দনিক ডিজাইন এবং দামে বেশি হওয়ার কারণে জামদানির সঙ্গে আভিজাত্য এবং রুচিশীলতা – এই দুটি শব্দ জড়িয়ে আছে।

ঐতিহ্যবাহী নকশা ও বুননের কারণে ২০১৬ সালে জামদানিকে বাংলাদেশের ভৌগোলিক নির্দেশক (জিআই) পণ্য হিসেবে স্বীকৃতি দেয় ইউনেস্কো।

কিন্তু অভিযোগ রয়েছে আজকাল বিভিন্ন মার্কেটে জামদানির নামে বিক্রি হচ্ছে নকল শাড়ি, ফলে ঐতিহ্যবাহী জামদানির আবেদন থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন ক্রেতারা।

অনেক বিক্রেতা জামদানি বলে ভারতীয় কটন, টাঙ্গাইলের তাঁত, পাবনা ও রাজশাহীর সিল্ক শাড়ি ক্রেতাদের হাতে তুলে দিচ্ছেন।

প্রশ্ন হল আসল জামদানি শাড়ি চেনার উপায় তাহলে কী?

এক্ষেত্রে শাড়ি কেনার আগে গুরুত্বপূর্ণ কিছু বিষয়ে নজর দেয়ার কথা  ডেইলি 71 নিউজ ডট ব্লক কে  জানিয়েছেন নাইয়োরী  জামদানির  প্রতিষ্ঠাতা  ফারহানা আফরোজ জুঁই এবং নারায়ণগঞ্জের জামদানি বিসিক শিল্প নগরীর তাঁতিরা বলেন ।

জামদানি শাড়ি কেনার আগে তিনটি বিষয়কে গুরুত্ব দিতে হবে – শাড়ির দাম, সূতার মান এবং কাজের সূক্ষ্মতা।

আসল জামদানি শাড়ি তাঁতিরা হাতে বুনন করেন বলে এগুলো তৈরি করা অনেক কষ্টসাধ্য ও সময়সাপেক্ষ। তাই এগুলোর দামও অন্যান্য শাড়ির তুলনায় বেশি হয়ে থাকে।

একটি জামদানি শাড়ি তৈরি করতে দুইজন কারিগর যদি প্রতিদিন ১২ থেকে ১৪ ঘণ্টা শ্রম দেন, তাহলে ডিজাইন ভেদে পুরো শাড়ি তৈরি হতে সাত দিন থেকে ছয় মাস পর্যন্ত সময় লাগতে পারে।

সাধারণত শাড়ি তৈরির সময়, সূতার মান ও কাজের সূক্ষ্মতা বিবেচনায় একটি জামদানির দাম ৩,০০০ টাকা থেকে এক লাখ ২০,০০০ টাকা কিংবা তারচেয়েও বেশি হতে পারে।

কিন্তু মেশিনে বোনা শাড়িতে তেমন সময় বা শ্রম দিতে হয় না। এজন্য দামও তুলনামূলক অনেক কম।

জামদানি শাড়ি হাতে বোনা হওয়ায়, শাড়ির ডিজাইন হয় খুব সূক্ষ্ম এবং নিখুঁত। ডিজাইনগুলো হয় মসৃণ।

কারিগর প্রতিটি সুতো হাত দিয়ে ঘুরিয়ে ঘুরিয়ে বুনন করেন। সূতার কোন অংশ বের হয়ে থাকে না। এ কারণে জামদানি শাড়ির কোনটা সামনের অংশ আর কোনটা ভেতরের অংশ, তা পার্থক্য করা বেশ কঠিন।

নাইয়োরীর ফেসবুক পেজ লিংক

https://www.facebook.com/naiyoree/

জরুরী  কিছু কথাঃ
অর্ডার করতে লিংক এ ক্লিক করুন m.me/naiyoree