লাটিয়াল ডাঙ্গা নতুন হাট -বাজারে ক্রেতা বিক্রেতার ঢল

আপডেটঃ ৮:৫৮ অপরাহ্ণ | নভেম্বর ১৯, ২০২০

সাইফুল ইসলাম, রৌমারী (কুড়িগ্রাম) সংবাদদাতা:  রৌমারী’র লাঠিয়াল ডাঙ্গায় নতুন হাট বসায় এলাকার মানুষের উপছে পড়া ভীর। সরেজমিনে ওই হাটে ঘুরতে গিয়ে দেখা যায়। হাটটি রৌমারী উপজেলা শহর হতে প্রায় ২৫ কিলো দূরে জিঞ্জিরাম নদ দ্বাড়া বিচ্ছিন্ন চরা লীয় যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন এলাকা। ডোবা, নালা, খাল, ঝিলে বিলে মিলে যেন তাদের বাস। উত্তর আলগারচর, দক্ষিণ আলগারচর, লাঠিয়াল ডাঙ্গা,চর লাঠিয়ার ডাঙ্গা,বাগান বাড়িসহ ১০টি গ্রামের প্রায় ৫০ হাজার মানুষ হাট-বাজার সংকটে চরম ভোগান্তি ভোগ করে আসছে। দেশ স্বাধীনের ৫০ বছরের এঅ লে উন্নয়নের ছোয়া লাগেনি। এখানে মানুষের কৃষিপর্ণ , গরু, ছাগল , হাস-মুরগীসহ নানা পণ্য ক্রয়বিক্রয় করার কোন হাট- বাজার না থাকায় গ্রামীণ যাযাবর জীবন যাপন করত ্এখানকার মানুষ। যে অ লটিতে প্রতি শস্য উৎপাদন মৌসুমে হাজার হাজার টন কৃষি ফসল উৎপাদন হয়ে থাকে, সেখানে দীর্ঘ ৫০ বছর ছিলনা হাট-বাজার।
এলাকার উন্নয়ন ও কৃষি পর্ণের ন্যার্য মূল্য পাওয়ার সুবাদে ১০ গ্রামের মানুষের সমন্বয়ে লাঠিয়ার ডাঙ্গা গ্রামের দানবীর াাব্দুস ছালাম লাঠিয়াল ডাঙ্গা হাটের নামে ৪৩ শতক জমি কুড়িগ্রাম জেলা প্রশাসক বরাবর রেজিষ্টারী করে দেন। এমনকি হাট-বাজারে মানুষের যাতয়াতের জন্য হাফ কিলোমিটার রাস্তা নিজস্ব সম্পত্তির উপর দিয়ে তৈয়ারী করে দেন। নিজস্ব অর্থায়নে জিঞ্জিরাম নদীর উপর ২০০ হাত বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করে দেন। নতুন হাটে অর্ধশত দোকানপাট নির্মাণ করে পুরোদমে হাট-বাজার পরিচালিত হচ্ছে। হাটে আসা আকতার হোসেন, সামছুল আলম, নজরুল, মোকছেদ আলী বলেন, দীর্ঘ ৫০ বছর আমদের চরে কোন হাট-বাজার না থাকায় কৃষিপণ্য ক্রয়বিক্রয়ে চরম ভোগান্তি পোহাতে হয়েছে। নতুন হাট পেয়ে আমরা চরের মানুষ খুব খুশী।
এব্যাপারে লাঠিয়াল ডাঙ্গা হাটের প্রতিষ্ঠাতা আব্দুস ছালাম বলেন, লাঠিয়াল ডাঙ্গাসহ ১০ টি গ্রামের মানুষ প্রায় ৫০ বছর ধরে হাট-বাজারের অভাবে সাংসারিক নিত্যপণ্য, কৃষি ফসল ক্রয় বিক্রয় করতে এলাকার মানুষ ভোগান্তি ভোগ করে।তাই চরের মানুষের দুঃখ দূর্দশা ভেবে নিজস্ব অর্থায়নে চরের মানুষের সার্বিক উন্নয়নের স্বার্থে সহায়তা প্রদান করেন।

 

সি এন এ নিউজ/জামান