কর্মজীবী ​নারীদের জীবন সহজ করেছে রাইডশেয়ারিং

আপডেটঃ ২:৫০ অপরাহ্ণ | নভেম্বর ১২, ২০২০

সি এন এ প্রতিবেদক:বাংলাদেশের কর্মজীবী ​​নারীরা সুপারহিরোদের চেয়ে কোনো অংশে কম নন। ভোরবেলা সূর্য ওঠার আগেই জেগে উঠে তারা ঘরের কাজ করেন, পরিবারের জন্য সকালের নাস্তা তৈরি করেন, আবার এতকিছু সেরে নিজেও অফিসের জন্য প্রস্তুত হন। শুধু তাই নয়, অফিসের কাজ সেরে বাড়ি ফিরে রাতের খাবারের প্রস্তুতিও তাদের নিতে হয়। বেশিরভাগ সময় বাজার করা থেকে শুরু করে বাচ্চাদের স্কুলে রেখে আসা, আবার ঘর সামলানোর পাশাপাশি অফিসের মিটিং পর্যন্ত সব কিছুই খেয়াল রাখতে হয় তাদেরকে।

এতসব কাজ অনায়াসে করে ফেলেন নারীরা। তবে ঢাকার মতো ব্যস্ত শহরে একজন কর্মজীবী ​​নারীর জীবন অনেক কঠিন কারণ এই শহরে বেশিরভাগ সময়ই ব্যয় হয় ট্র্যাফিক জ্যামে বসে থেকে। কিন্তু জ্যামে বসে থেকে সময় নষ্ট করার মতো সময়ও তাদের হাতে থাকে না তাই সময় বাঁচাতে রাইডশেয়ারিংয়ের বিকল্প নেই।

অফিস থেকে ফিরতে দেরি হলে জ্যাম এড়িয়ে ঠিক সময়ে বাড়ি পৌঁছাতে উবার মোটোর মতো রাইডশেয়ারিং সেবা হতে পারে নির্ভরযোগ্য যাতায়াত মাধ্যম। যদি একসাথে অনেক কাজ থাকে যেমন বাচ্চাদের স্কুলে পৌঁছে দেয়া, বাজার করা বা কোনো মিটিং তাহলে রেন্টালস ব্যবহার করা যাবে সহজেই। আবার যদি শহরের বাইরে কোনো মিটিংয়ে যেতে হয় তাহলে আছে ইন্টারসিটি সার্ভিস।

রাইডশেয়ারিংয়ে ব্যবহার করা হয় অত্যাধুনিক প্রযুক্তি, যেমন – জিপিএস ট্র্যাকিং, বিশ্বস্ত ব্যক্তিদের সাথে ট্রিপের সর্বশেষ অবস্থান শেয়ার করার সুবিধা, ন্যাশনাল ইমার্জেন্সি বাটন ইত্যাদি। তাই রাইডশেয়ারিং ব্যবহার করা নিরাপদ।

আর এই সেবাগুলো শুধুমাত্র কয়েকটি ক্লিকেই পাওয়া যায়। তাই নারীরা এখন নিশ্চিন্তে ও নিরাপদে চলাচল করতে রাইডশেয়ারিংয়ে আস্থা রাখছেন।