নিকলীতে বোরো বীজতলার শেষ সময়ে কৃষিপুনর্বাসন শুরু কাজে লাগছেনা বীজ,ব্যাবসায়ীরা প্রকাশ্যে কিনে নিচ্ছে সস্তা দামে সার ও বীজ !

আপডেটঃ ৮:২৪ পূর্বাহ্ণ | নভেম্বর ২৫, ২০১৭

 নিকলী(কিশোরগঞ্জ) প্রতিনিধিঃনিকলীতে বোর ধান বীজতলায় বীজ বপনের শেষ সময়ে কৃষিপুনর্বাসন কার্যক্রম শুরু হওয়াই সরকারী ধানবীজ স্থানীয়কৃষকের কোন কাজে লাগছেনা ,জমিতে সার দেওয়ার সময় না হওয়াই কৃষকরা সার বিক্রি করছে পানির দামে।এ বছর অকাল বন্যায় উপজেলার ১৫১২৫ হেক্টর জমির বোরো ধান ও বাদাম তলিয়ে যায় এতে ৩৪০০০ কৃষক ক্ষতিগ্রস্থ হয়,এদের মধ্যে কৃষি কার্ডধারী ১৬৫৫০ জন কৃষককে কৃষি পুনর্বাসনের আওতায় আনা হয়, বাংলাদেশ কৃষি সম্প্রসারন অধিদপ্তর কর্তৃক বিয়াল্লিশ লক্ষ বিশ হাজার দুইশত পঞ্চশ টাকা সমমূল্যের ৮২,৭৫ কেজি বোরো ২৮ জাতের ধানবীজ,ছিয়াত্তর লক্ষ তের হাজার টাকার ৩,৩১,০০০কেজি ডি এ পি সার,একুশ লক্ষ একান্ন হাজার পাঁচশত টাকার ১,৬৫,৫০০কেজি এমপিও সার ও নগদ সহায়তা বাবৎ এক কোটি পঁয়ষট্টি লক্ষ পঞ্চাশ হাজার টাকা বরাদ্দ হয়।এ থেকে প্রতিজন কৃষককে ৫ কেজি ধানবীজ,২০কেজি ডিএপি সার ১০কেজি এমওপি সার ও ১০০০ টাকা গত ২২ শে নভেম্বর থেকে ক্রমান্ময়েদেওয়া হচ্ছে।কৃষকরা জনপ্রতি পাওয়া,বীজ,সার ৪০০ থেকে ৫০০টাকায় বিক্রি করছে স্থানীয় ক্রেতা, ব্যাবসায়ীদের কাছে,যার বাজার মূল্য প্রায় দ্বিগুণএতে ব্যাঘাত ঘটছে কৃষি পুনর্বাসন কার্যক্রম।
উপজেলা চত্তরে বিতরন কার্যক্রম ঘুরে দেখ যায়, বিতরন কার্যক্রম সুবিধার্থে স্থানীয় কৃষি অফিস পাঁচজন কৃষককে গ্রুফ করে তিন বস্তা ডিএপি এক বস্তা এমওপি সার পঁচিশ কেজি বীজ ধান একত্রে দিচ্ছে।এ সব কৃষিপণ্য কর্তৃপক্ষের সামনেই প্রকাশ্যে কিনছে ক্রেতা ব্যাবসায়ীরা।ক্রেতারা স্থানীয় কিছু সার ডিলারদের দালাল বলে জানা যায়, এছাড়া পার্শবর্তী উপজেলা কটিয়দীতেও নিয়ে যাচ্ছে দালালরা এসব সার,বীজ ।সুবিধাভোগী কৃষকরা জানায়,কৃষি পুনর্বাসন কার্যক্রম শুরু হওয়ার আগেই বাজারজাত বীজধান দিয়ে উপজেলার ৯০ভাগ বীজতলায় বীজ বপন হয়ে গেছে ।এই বীজ এখন কোন কাজে লাগছেনা তাছাড়া জমিতে সার দেওয়ার অনেক সময় বাকী রয়েছে এবং উপজেলা সদর থেকে কৃষকের বাড়ীতে এসব পণ্য নিয়ে পৈছাতে মাথা পিচু এক থেকে তিনশত টাকা খরছ হয়।কৃষি কার্ডধারীদের অনেকেই শুধু মাত্র বাদাম,ভূট্টা, মিষ্টি আলু চাষী ও প্রকৃত কৃষকের সংখ্যা কম থাকায় ,বীজ,সার সস্তায় বিক্রির হিড়িক উঠেছে বলে জনায়অনেকেই।পুনর্বাসন কার্যক্রম পরিদর্শনকালে কিশোরগঞ্জ কৃষি সম্প্রসারন অধিদপ্তর এর উপ-পরিচালক মোঃ শফিকুল ইসলাম,বীজতলায় বীজ বপনের শেষের কথা অস্বীকার করে এ প্রতিনিধিকে বলেন এখনই বীজধান বপনের আসল সময়,আমরা এ অভিযোগ মানি না।