শরীয়তপুরে আ.লীগের দুপক্ষের সংঘর্ষ, আহত ১০

আপডেটঃ ৫:০৮ অপরাহ্ণ | ডিসেম্বর ২১, ২০১৫

শরীয়তপুর প্রতিনিধি : শরীয়তপুরে আওয়ামী লীগের দুপক্ষের সংঘর্ষ ও ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ায় ১০ জন আহত হয়েছে। সোমবার দুপুরে পালং থানার সামনে এ ঘটনা ঘটে।

প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, শরীয়তপুর পৌরসভা নির্বাচন উপলক্ষে জেলা আওয়ামী লীগের উদ্যোগে সোমবার বেলা ১২টায় দলীয় কার্যালয়ে কর্মিসভা অনুষ্ঠিত হয়। সভা শেষে দুপুর ১টার দিকে সেখান থেকে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নেতা ইকবাল হোসেন অপু ও জেলা ছাত্রলীগ নেতা নুরুল আমিন কোতোয়ালের নেতৃত্বে একটি মিছিল বের হয়। মিছিলটি বিভিন্ন রাস্তা ঘুরে আবার দলীয় কার্যালয়ের সামনে এলে বাচ্চু বেপারীর লোকজন নুরুল আমিন কোতোয়ালের সমর্থকদের ওপর হামলা করে। এ সময় উভয় পক্ষ সংঘর্ষ ও ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ায় জড়িয়ে পড়ে। এ সময় আমিন কোতোয়ালের সমর্থক প্রকাশ বন্দুকসী, দ্বীন ইসলাম পাহাড়, সুজন পাহাড়, সুমন মাঝিসহ উভয় পক্ষের প্রায় ১০ জন আহত হয়। পরে পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। শহরের থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে। দোকানপাট বন্ধ রয়েছে।

আওয়ামী লীগ নেতা নুরুল আমিন কোতোয়াল বলেন, ইকবাল হোসেন অপু এবং  আমি একসঙ্গে মিছিল করে ফেরার পথে বহিরাগতরা পেছন থেকে পরিকল্পিতভাবে হামলা করে।

শরীয়তপুর পৌরসভার সাবেক মেয়র নুর মোহাম্মদ কোতোয়াল বলেন, দলীয় কার্যালয়ে নির্বাচনী প্রস্তুতি সভা ছিল। সভা শেষে আওয়ামী লীগের দুটি গ্রুপ সংঘর্ষে লিপ্ত হয়। এ সময় ইকবাল হোসেন অপুর সমর্থক বাচ্চু বেপারীর লোকজন আমার বাড়িতে হামলা করে ভাঙচুর করেছে। এতে আমার স্ত্রী ও পুত্রবধূ আহত হয়েছে।

আওয়ামী লীগের উপকমিটির সহ-সম্পাদক ইকবাল হোসেন অপু বলেন, মনোনয়নবঞ্চিত নুরুল আমিন কোতোয়ালের লোকজন আমাদের মিছিলে হামলা করে। এতে আমাদের দু-তিনজন আহত হয়।

পালং মডেল থানান ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. খলিলুর রহমান বলেন, আওয়ামী লীগের দুটি গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষ ও ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া হয়েছে। এখন পরিস্থিতি স্বাভাবিক। এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।