ঢাকায় প্রাথমিকের শিক্ষকদের মহাসমাবেশ ২৪ ডিসেম্বর

আপডেটঃ ৫:০৩ অপরাহ্ণ | ডিসেম্বর ২১, ২০১৫

নিজস্ব প্রতিবেদক : ছয় দফা দাবি আদায়ে আগামী ২৪ ডিসেম্বর ঢাকায় মহাসমাবেশ করবে প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক ফেডারেশন। কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে এ মহাসমাবেশ হবে।

 

সোমবার সকালে রাজধানীর পুরানা পল্টনের দারুস সালাম মার্কেটে বাংলাদেশ প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক সমাজের কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত প্রস্তুতি সভায় ফেডারেশনের নেতৃবৃন্দ এ ঘোষণা দেন। সমাবেশ সফল করতে প্রাথমিক শিক্ষকদের প্রতি আহ্বান জানান তারা।

 

বাংলাদেশ প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক সমাজের সভাপতি শাহিনুর আল আমীনের সভাপতিত্বে প্রস্তুতি সভায় বক্তব্য রাখেন মো. জাহিদুর রহমান বিশ্বাস, মো. আব্দুল হক, মো. জসীমউদ্দিন প্রমুখ।

 

সভায় শিক্ষক নেতারা বলেন, ‘আমরা ইতিপূর্বে আন্দোলন কর্মসূচি ঘোষণা করেছিলাম। কিন্তু প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রীর অনুরোধে এবং ছাত্রছাত্রীদের লেখাপড়ার বিষয় মাথায় রেখে আমরা এ কর্মসূচি স্থগিত করি। তখন মন্ত্রী আশ্বাস দেন, আমাদের দাবি-দাওয়াগুলো বেতন-বৈষম্য নিরসন কমিটিতে উত্থাপন করবেন। এর পরিপ্রেক্ষিতে আমরা ক্লাসবর্জন কর্মসূচি স্থগিত করে ক্লাসে ফিরে যাই।’

 

নেতৃবৃন্দ আরো বলেন, ‘বর্তমান মহাজোট সরকার শিক্ষক ও শিক্ষাবান্ধব সরকার। আমাদের যা কিছু প্রাপ্তি, তা এ সরকারের আমলেই। তাই আমরা সহকারী শিক্ষকরা আশাবাদী, প্রধানমন্ত্রী প্রাথমিক সহকারী শিক্ষকদের দাবিগুলো বিবেচনা করবেন।’

 

ফেডারেশনের ধারাবাহিক আন্দোলন কর্মসূচির অংশ হিসেবে ২৪ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিতব্য মহাসমাবেশ সফল করার লক্ষ্যে বিভাগীয় সমাবেশ, জেলা সমাবেশ করা হয়েছে। সমাবেশ সফল করার লক্ষ্যে সারা দেশের সহকারী শিক্ষকদের থানা ও জেলা ইউনিটগুলোর প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে।

 

সহকারী শিক্ষকদের ছয়টি দাবি হলো- প্রাথমিক সহকারী শিক্ষকদের বেতন ১১তম গ্রেডে (১২,৫০০) পুনঃনির্ধারণ করা, সরাসরি প্রধান শিক্ষক পদে নিয়োগ বন্ধ করে সহকারী শিক্ষক পদে নিয়োগ দিয়ে যোগ্যতা ও দক্ষতার ভিত্তিতে বিভাগীয় পরীক্ষার মাধ্যমে মহাপরিচালক পদ পর্যন্ত শতভাগ বিভাগীয় পদোন্নতির সুযোগ দেওয়া, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগ বিধিমালা পরিবর্তন করে নারী-পুরুষ নির্বিশেষে সবার জন্য শিক্ষাগত যোগ্যতা ন্যূনতম স্নাতক ডিগ্রি নির্ধারণ করা, জাতীয় শিক্ষানীতি ২০১০ অনুযায়ী, শিক্ষকদের জন্য স্বতন্ত্র বেতন স্কেল ঘোষণা ও সব প্রাথমিক বিদ্যালয়ে অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত চালু করা, টাইমস্কেল ও সিলেকশন গ্রেড পূনঃবহাল করে দ্রুত পদোন্নতির ব্যবস্থা করা এবং নন-ভ্যাকেশনাল ডিপার্টমেন্ট হিসেবে ঘোষণা করে প্রাথমিক শিক্ষকদের জন্য অর্জিত ছুটির বিধান করা।