ব্রেকিং নিউজঃ

উচ্ছাসমুখর পরিবেশে ডিআরইউ শিশু-কিশোর সাংস্কৃতিক উৎসব অনুষ্ঠিত

আপডেটঃ ২:২৬ অপরাহ্ণ | অক্টোবর ২৬, ২০১৫

নিজস্ব প্রতিবেদক:

ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি’র (ডিআরইউ) সদস্যদের সন্তানদের নিয়ে শিশু-কিশোর সাংস্কৃতিক উৎসব উচ্ছাসমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়েছে। সকাল ১০টায় ডিআরইউ প্রাঙ্গণে শিশুদের সঙ্গে নিয়ে বর্ণিল বেলুন উড়িয়ে উৎসব উদ্বোধন করেন নন্দিত শিল্পী হাশেম খান।

এ সময় বক্তব্য রাখেন ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের মহাসচিব আবদুল জলিল ভূইয়া, ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি আলতাফ মাহমুদ, ডিআরইউ’র সভাপতি সাখাওয়াত হোসেন বাদশা, সাধারণ সম্পাদক ইলিয়াস হোসেন ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক আজিজুল পারভেজ।

বিকেলে সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি বেসমারিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী রাশেদ খান মেনন বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন।

ডিআরইউ’র সভাপতি সাখাওয়াত হোসেন বাদশার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন স্বাধীনবাংলা বেতার কেন্দ্রের শিল্পী তিমির নন্দী ও ডিআরইউ’র সাধারণ সম্পাদক ইলিয়াস হোসেন। স্বাগত বক্তব্য রাখেন সাংস্কৃতিক সম্পাদক আজিজুল পারভেজ। উপস্থাপনায় ছিলেন কল্যাণ সম্পাদক শাহনাজ শারমীন।

অনুষ্ঠানে রাশেদ খান মেনন বলেন, সুন্দর দেশ গঠন করতে হলে শিশুদের সুপ্ত প্রতিভার বিকাশ ঘটাতে হবে। সংস্কৃতি চর্চার মাধ্যমেই শিশুদের প্রকৃত বিকাশ সম্ভব। সংস্কৃতি চর্চার মাধ্যমেই শিশুদের মধ্যে মানবিক বোধ তৈরি হবে। রাশেদ খান মেনন শিশুদের নিয়ে একটি বর্ণাঢ্য উৎসব আয়োজনের জন্য ডিআরইউ-কে ধন্যবাদ জানান। এই উৎসবের জন্য মন্ত্রী তার মন্ত্রণালয় থেকে প্রতি বছর ১ লাখ টাকা বরাদ্দের প্রতিশ্রুতি ঘোষণা করেন।

সঙ্গীত, আবৃত্তি ও চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা দিয়ে সাজানো ছিল দিনব্যাপী এ উৎসব। প্রতিটি বিষয়ে বয়সভিত্তিক তিনটি গ্রুপে মোট ২৭টি পুরস্কার প্রদান করা হয়। পুরস্কার হিসেবে দেওয়া হয়, বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের আবক্ষ ভাস্কর্য, জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের ভাস্কর্য ও লালন সাইজির ভাস্কর্য। সান্তনা পুরস্কার হিসেবে দেওয়া হয় ভাস্কর্য ‘দূরন্ত’।

বিচারক হিসেবে ছিলেন চিত্রাঙ্কনে চিত্রশিল্পী মনিরুজ্জামান, আবৃত্তিতে রফিকুল ইসলাম, তামান্না তিথি ও ফয়জুল আলম পাপ্পু, এবং সঙ্গীতে স্বাধীনবাংলা বেতার কেন্দ্রের শিল্পী তিমির নন্দী, কণ্ঠশিল্পী ডা. মাহজাবিন রহমান শাওলি ও অলক দাশগুপ্ত।