কলমাকান্দায় কালি মন্দিরের প্রতিমা ভাংচুর

আপডেটঃ ৯:১৬ অপরাহ্ণ | নভেম্বর ০৫, ২০১৬

 জাফর উল্লাহ, সি এন এ নিউজ,কলমাকান্দা (নেত্রকোণা) : নেত্রকোণা জেলার কলমাকান্দা উপজেলার কৈলাটি ইউনিয়নের সাকুয়া ইন্দ্রপুর গ্রামের পরিচয়রঞ্জন তালুকদারের বাড়ীর সার্বজনীন কালি মন্দিরে বুধবার রাতে দুর্বত্তরা ঢুকে প্রতিমা ভাংচুর করেছে। উপরে ফেলেছে বাড়ির উঠানের ৩টি তুলসী গাছ, তুলসী বেদী ও বাড়ী সংলগ্ন শ্মশান ঘাটের বেদী। ঘটনার তিনদিন পর গত শুক্রবার রাতে সাখুয়া ইন্দ্রপুর গ্রামের পরিচয় রঞ্জন তালুকদার ঘটনাটি থানা পুলিশকে লিখিত ভাবে অবহিত করে। সাখুয়া ইন্দ্রপুর গ্রামের পরিচয় রঞ্জন তালুকদার জানান, গত বুধবার রাতে আমার বাড়ী সংলগ্ন পুকুরে উত্তর-পূর্ব কোণায় সার্বজনীন কালি মন্দিরে কে বা কাহারা ঢুকে মন্দিরে থাকা প্রতিমা ভাংচুর করেছে। আমরা পরদিন সকালে ঘুম থেকে উঠে মন্দিরে গিয়ে এ ঘটনা দেখি। আমাদের বাড়ীর উঠানে থাকা তিনটি তুলসী গাছ উপরে ফেলে। তুলসী বেদী ভেঙ্গে ফেলে এবং আমাদের বাড়ীর পুকুর সংলগ্ন শ্মশান ঘাটের বেদীও ভাংচুর করে। এ ঘটনায় আমরা উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছি। ঘটনা জানার পর সঙ্গে সঙ্গে নেত্রকোণা সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) মোঃ মামুন খান চিশতি ও থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোঃ আবু বকর সিদ্দিক ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোঃ আবু বকর সিদ্দিক জানান আমরা শুক্রবার রাতে ঘটনাটি জেনে তার সঙ্গে সঙ্গে ঘটনাস্থলে গিয়েছি। আমরা মন্দিরে পাঁচটি প্রতিমা ভাংচুর অবস্থায় পেয়েছি। তুলসী গাছের বেদী ও শ্মশান ঘাটের বেদীও ভাঙ্গা দেখলাম। আমরা ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের সনাক্ত করার চেষ্টা করছি। প্রকৃত দোষীদের সনাক্ত করে তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করবো। এ ব্যাপারে উপজেলা পূজা উদযাপন কমিটির সভাপতি গৌরাঙ্গ চন্দ্র দাস ও সাধারণ সম্পাদক সুজন সাহা জানান, সাকুয়া ইন্দ্রপুরে প্রতিমা ভাংচুরের ঘটনা বুধবার রাতে ঘটলেও আমরা জেনেছি শুক্রবার রাতে। আমরা এ ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে প্রকৃত দোষীদের সনাক্ত করে দ্রুত গ্রেফতার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবী করছি। পাশাপাশি বাংলাদেশ মানবাধিকার কমিশন কলমাকান্দা উপজেলা শাখার সম্পাদক মোঃ ফখরুল আলম খসরু এ ব্যাপারে দোষী ব্যাক্তিদের দ্রুত বিচারের আওতায় আনার দাবী জানিয়েছেন।