৭ নভেম্বর বিএনপি সমাবেশের অনুমতি পাবে প্রত্যাশা ফখরুলের

আপডেটঃ ১০:৩৩ অপরাহ্ণ | নভেম্বর ০২, ২০১৬

সি এন এ  নিউজ,প্রতিবেদক : ৭ নভেম্বর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে বিএনপিকে সমাবেশ করা অনুমতি দেবে সরকার এমনটাই জানিয়েছেন দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সাংবাদিকদের এ কথা জনান। এর আগে দলীয় কার্যালয়ে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের সভাপতিত্বে বৃহত্তর ঢাকা জেলা বিএনপি নেতাদের সঙ্গে যৌথসভা অনুষ্ঠিত হয়।

সভায় গাজীপুর, নারায়ণগঞ্জ, টাঙ্গাইল, নরসিংদী, মন্সিগঞ্জ, মানিকগঞ্জ জেলা বিএনপির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকরা অংশ নেন। এ ছাড়া ২০০৮ সালে যারা বিএনপি পক্ষে সংসদ নির্বাচনে অংশ নিয়েছিলেন তারাও সভায় যোগ দেন।

মির্জা ফখরুল বলেন, ‘৭ নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংগতি দিবস উপলক্ষে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে সমাবেশের প্রস্ততি নেওয়া হচ্ছে। যথাযোগ্য মর্যাদায় দিনটি পালনের এ জন্য ঢাকা মহানগর বিএনপি, অঙ্গ দলগুলো প্রস্ততি সভা করেছে।’

সমাবেশ নিয়ে আওয়ামী লীগের নেতাদের বক্তেব্যে সমালোচনা করে তিনি বলেন, ‘আওয়ামী লীগের নেতাদের বক্তব্য স্বৈরাচারী। তারা এখন একদলীয় দৃষ্টিতেই রাজনীতি করে যাচ্ছেন। আমরা বারবারবলেছি সংঘাতের রাজনীতি চাই না। গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে গণতন্ত্র ফিরিয়ে আনতে চাই। সুষ্ঠু, সুন্দর গণতান্ত্রিক পরিবেশ সৃষ্টি করতে চাই।’

৭ নভেম্বর সমাবেশের অনুমতি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘আশা করি আমরা অবশ্যই সমাবেশ করার অনুমতি পাব। জনগণের আশা আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলণ ঘটাতে পারব।’

তিনি বলেন, ‘সমাবেশের অনুমতির জন্য যাথযথ কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন করা হয়েছে। সরকারের এখন পর্যন্ত নেগেটিভ কিছু বলেনি। আশা করি আমরা অবশ্যই অনুমতি পাব।’

সমাবেশকে কেন্ত্র করে বিএনপির নেতাকর্মীদের বাড়ি বাড়ি তল্লাশি চালানো হচ্ছে বলেও অভিযোগ করেন বিএনপি মহাসচিব।

এ সময় তিনি ৭ নভেম্বরের আগে দলের যুগ্ম মহাসচিব হাবীব উন নবী খান সোহেলসহ কারাগারে আটক নেতাকর্মীদের মুক্তি দাবি করেন।

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও ঢাকা সিটি করপোরেশন দলের কমিটির আহ্বায়ক মির্জা আব্বাস, স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, চেয়ারপারসনের ‍উপদেষ্টা আমান উল্লাহ আমান, ভাইস চেয়ারম্যান আবদুল মান্নান, অ্যাডভোকেট আহমদ আজম খান, সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকট রুহুল কবির রিজভী, বিএনপি নেতা গৌতম চক্রবর্তী, অপর্ণা রায় প্রমুখ।

এ ছাড়া ঢাকা বিভাগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও গাজীপুর জেলা বিএনপির সভাপতি ফজলুল হক মিলন, সহ-সম্পাদক আবদুস সালাম আজাদ, শহিদুল ইসলাম বাবুল, গাজীপুর জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক স্যাইয়েদুল আলম বাবুল, নারায়নগঞ্জ জেলা তৈমূর আলম খন্দকার, টাঙ্গাইলের জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শামসুর আলম তোফা, ঢাকা জেলা বিএনপির সভাপতি ডা. দেওয়ান সালাহ ‍উদ্দিন ও সাধারণ সম্পাদক আবু আশফাক, মুন্সিগঞ্জ জেলা বিএনপির সভাপতি আবদুল হাই প্রমুখ।