গুচ্ছ পরীক্ষাঃ নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে উপস্থিতি ৯৮ শতাংশ

আপডেটঃ ৬:২৮ অপরাহ্ণ | জুলাই ৩০, ২০২২

বিশ্ববিদ্যালয় সংবাদদাতা: গুচ্ছপদ্ধতিতে ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষের স্নাতক এ-ইউনিটের (বিজ্ঞান) ভর্তি পরীক্ষা জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়  কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত হয়েছে।এই কেন্দ্রে  পরীক্ষার্থী উপস্থিতির হার ছিল প্রায় ৯৮ শতাংশ।
শনিবার (৩০ জুলাই) দুপুর ১২-থেকে ১ টা পর্যন্ত এই পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। এইদিন একই সময়ে গুচ্ছ পদ্ধতিতে ২২ টি বিশ্ববিদ্যালয়ের  ১৯ কেন্দ্রে  স্নাতক ১ম বর্ষের ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের চার অনুষদ ভবনের মোট ১৩৭ টি কক্ষে এ-ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়।
পরীক্ষা চলাকালীন সময়ে  বিশ্ববিদ্যালয়টির উপাচার্য অধ্যাপক ড. সৌমিত্র শেখর কেন্দ্রের বিভিন্ন কক্ষ পরিদর্শন করেন। এ সময় ভিজিল্যান্স উপ কমিটির সদস্য সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. মোঃ নজরুল ইসলাম, কলা অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. আহমেদুল বারী, রেজিস্ট্রার কৃষিবিদ ড. হুমায়ুন কবীর, শিক্ষক সমিতির সভাপতি ড. শেখ মো: সুজন আলী, পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক (ভারপ্রাপ্ত) মোঃ আব্দুল হালিম, কর্মকর্তা পরিষদের সভাপতি মোঃ জোবায়ের হোসেনসহ অন্যরা উপস্থিত ছিলেন।
ভর্তি পরীক্ষার কেন্দ্র পরিদর্শন করে উপাচার্য অধ্যাপক ড. সৌমিত্র শেখর বলেন, নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রে গুচ্ছভর্তি পরীক্ষা অত্যন্ত উৎসবমুখর পরিবেশে গ্রহণ করা হয়েছে। আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-কর্মকর্তা-কর্মচারী, ছাত্র ছাত্রী, ছাত্রদের বিভিন্ন সংগঠন,স্থানীয় প্রশাসন, জনগণ, সাংবাদিকবৃন্দ সবাই আমাদের সঙ্গে অংশগ্রহণ করে আমাদের সহযোগিতা করছেন। তাদের সহযোগিতা পাওয়ার মধ্যদিয়েই আমাদের এই ভর্তি পরীক্ষা অত্যন্ত আনন্দমুখর ভাবে অনুষ্ঠিত হয়েছে। এ জন্য আমি সবার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি।
তিনি আরো বলেন, বিশেষ করে ৯৮ শতাংশ পরীক্ষার্থীই পরীক্ষা দিতে উপস্থিত হয়েছে। যেটি বিভিন্ন কক্ষ ঘুরে দেখে আমি জানতে পেরেছি। তাদের এই উপস্থিতিই প্রমাণ করে যে লেখা পড়ার প্রতি ছাত্রসমাজের অনেক আগ্রহ। লেখাপড়া করে তারা তাদের ভবিষ্যৎকে গড়তে অত্যন্ত দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। নতুন শিক্ষার্থীদের শিক্ষা, গবেষণা ও উন্নয়নের শিক্ষা অভিযাত্রায় স্বাগত জানিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য বলেন, নতুন শিক্ষার্থীদের যেদিন থেকে ক্লাস শুরু হবে সে দিনটির অপেক্ষায় আমরা আছি। আমাদের কাজ হবে শিক্ষার্থীদের জন্য একটি আনন্দমুখর পরিবেশ তৈরি করে দেওয়া, যাতে অর্থনৈতিকভাবে তারা প্রতিষ্ঠিত হবে, দেশ গঠনে আত্ননিয়োগ করবে, উচ্চ আদর্শের চরিত্র গঠন করবে।