তানিয়া আহমেদের অন্যরকম জন্মদিন

আপডেটঃ ১১:৩১ অপরাহ্ণ | জুন ০৫, ২০২২

বিনোদন ডেস্ক : তানিয়া আহমেদ, একাধারে একজন মডেল, অভিনেত্রী, নাটক ও চলচ্চিত্র পরিচালক। তবে তাকে বাংলাদেশের মডেলিং জগতের একজন পথিকৃৎও বলা যেতে পারে। আজ থেকে ঠিক তিন দশক অর্থাৎ ত্রিশ বছর আগে চিরসবুজ অভিনেতা-নির্মাতা আফজাল হোসেনের পরিচালনায় ‘ডায়মন্ড ব্যান্ড’ নারিকেল তেলের বিজ্ঞাপনে মডেল হিসেবে কাজ করে মিডিয়াতে তার যাত্রা শুরু হয়। পরবর্তীতে আফজাল হোসেনের নির্দেশনায় নোবেলের সঙ্গে আইয়য়ুব বাচ্চু’র কন্ঠের জিঙ্গেলে ‘আজাদ বলপেন’র বিজ্ঞাপনে মডেল হিসেবে কাজ করে ব্যাপক সাড়া ফেলেন। এরপর একের পর এক বিজ্ঞাপনে মডেলিং করতে থাকেন তানিয়া।
১৯৯৫ সালে তাকে প্রথম টিভি নাটকে দেখা যায় ‘সম্পর্ক’ নামের একটি নাটকে। এটি রচনা করেছিলেন অরুণ চৌধুরী এবং নির্মাণ করেছিলেন ফারিয়া হোসেন। নাটকটি প্রযোজনা করেছিলেন সামসুর রেজা বাদল। নাটকে তানিয়ার কেশ সজ্জা করেছিলেন নাহিন, যা সে সময় একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় ছিলো। এ নাটকেই তপন চৌধুরী ও মিতালী মুখার্জির ‘তুমি আমার প্রথম সকাল’ গানটি ব্যবহৃত হয়। গানটি লিখেছিলেন লতিফুল ইসলাম, সুর করেছিলেন আশিকুজ্জামান টুলু। এরপর তানিয়া বহু নাটকে অভিনয় করেছেন।
তানিয়া প্রথম এস আই টুটুল, নিলয়, রেশাদ ও জুয়েলে’র চারটি গানের মিউজিক ভিডিও নির্দেশনা দেন। ‘আমার জোছনা দিনে’ নামের নাটকটি প্রথম নির্দেশনায় দেন তিনি। এতে অভিনয় করেছিলেন সুবর্ণা মুস্তাফা, জিতু আহসান ও শ্রাবস্তী দত্ত তিন্নী। তার নির্মিত সিনেমা ‘ভালোবাসা এমনই হয়’।
তানিয়া আহমেদ সর্বশেষ প্রয়াত সাইদুল আনাম টুটুলের পরিচালনায় হেনোলাক্স’র বিজ্ঞাপনে মডেল হিসেবে কাজ করেন।
তানিয়া জানান, শিগগিরই নতুন আরেকটি বিজ্ঞাপনে তার কাজ করার কথা রয়েছে। তবে এখনও তা চুড়ান্ত হয়নি। আবার তানিয়া বর্তমানে নারীদের নিয়ে জিটিভিতে প্রচার চলতি বিশেষ ম্যাগাজিন অনুষ্ঠান ‘আজকের অনন্যা’র উপস্থাপনা করছেন নিয়মিত। আগামী ১৯ জুন পর্যন্ত তিনি ব্যস্ত থাকবেন এর শুটিং-এ। এরপর আগামী ২০ জুন থেকে তিনি সালাহ উদ্দিন লাভলুর পরিচালনায় একটি ঈদ নাটকের শুটিং করবেন। আগামী ঈদের পর আরো একটি বড় প্রজেেক্টর কাজ শুরু করবেন তিনি, এমনটাই জানালেন তানিয়া।
এদিকে আজ তানিয়া আহমেদ’র জন্মদিন। নেই কোন বিশেষ পরিকল্পনা তবে তানিয়া জানান, আজকের জন্মদিনটি একটু অন্যরকমভাবে উদযাপন করা হবে। তানিয়া আহমেদ বলেন,‘দীর্ঘ তিন দশকের পথচলায় আমি আমার জীবনে কিছু খাঁটি মানুষ পেয়েছি। পেয়েছি অসংখ্য মানুষের ভালোবাসা। এখনো যখন অনেক ভক্ত দর্শকের সঙ্গে দেখা হয়, তখন তারা যে সম্মান করেন তা আসলে কোন কিছুর বিনিময়ে পাওয়া সম্ভব না। অনেকের হয়তো অনেক টাকা থাকে, কিন্তু তিনি কী সবার ভালোবাসা নিয়ে-সম্মান নিয়ে মরতে পারেন? কিন্তু আমি মানুষের ভালোবাসা, সম্মান নিয়ে বেঁচে আছি। আর এই সম্মান-ভালোবাসা নিয়েই চলে যেতে চাই।’