নেত্রকোণায় ভুমি অফিসের ভুলবশত অন্যের নামে জমি বন্দোবস্ত দেওয়ায় প্রকৃত মালিক হয়রানির শিকার

আপডেটঃ ৮:৪৪ অপরাহ্ণ | মে ৩১, ২০২২

স্টাফ রিপোর্টারঃনেত্রকোণার কেন্দুয়া উপজেলার গড়াডোবা ইউনিয়নের বান্দনালগ্রামে স্বত্ব দখলীয় আবাদী ফসলি জমি ভুমি অফিসের ভুলবশত অথবা কোনরুপ প্রভাব খাটিয়ে  একই গ্রামের জহিরুল পিতা আলতু মিয়া ও তার স্ত্রী সালমা আক্তারের  নামে বন্দোবস্ত দেওয়ায় হয়রানির শিকার হচ্ছেন জমির দখলদার ও স্বত্ব দখলীয় ভুমির মালিক ১) মোছাঃ জাহেরা খাতুন স্বামীমৃত- নূর মিয়া ও ২) মোছাঃ রাহেলা খাতুন স্বামী মোহ ইনছান  মিয়া।
সরেজমিনে গিয়ে জানা যায়, উল্লেখিত ব্যক্তিদ্বয় নিম্মে  তপছিল বর্নিত ভুমি – সাবেক ময়মনসিংহ বর্তমানে নেত্রকোণা  উপজেলা  কেন্দুয়ার অন্তর্গত মৌজা বান্দনাল আফিয়ারকোণা মধ্যস্থিত খতিয়ান নং (সেঃমেঃ ৩৭০, এস.এ.-ছুট বি. আর. এস. – ৩১) দাগ নং-( এস.এ. -১৫৬ বি.আর.এস- ৯৬২) শ্রেণী নামা ২১ শতাংশ ভূমি প্রায় ৫০ বছরের অধিককাল থেকে ভোগদখল করে শস্যাদি চাষাবাদ উৎপাদন ও ভোগ তছরুপ করে আসছে।  অভিযোগ কারীর প্রবীণ বেশ কয়েকজন স্থানীয় ব্যক্তির সাক্ষাৎ কালে উল্লিখিত জমির মালিকানার সত্যতা জানতে চাইলে তাঁরা বলেন এই জমিটি আমরা ছোটবেলা দেখে আসছি এবং জানি জাহেরা খাতুন ও রাহেলা খাতুন  উত্তরাধিকার সূত্রে এই জমি ভোগদখল করে আসছে। কিন্তু হঠাৎ স্থানীয় ভূমি অফিস থেকে উক্ত জমিটি  ১নং খতিয়ানে জহিরুল ও তার স্ত্রীর নামে  কিভাবে বন্দোবস্ত দিয়েছে তা আমাদের বোধগম্য নয়। এহেন কর্মকান্ডে যে কোন সময় দাঙ্গা -হাঙ্গামা ও খুন জখমের সম্ভাবনা বিদ্যমান।
ভুমির প্রকৃত মালিকের সাথে কথা বললে তিনি জানান, ভূমি অফিসের ভুল অথবা  কোনরুপ প্রভাব বা কারচুপি করে আমাদের উক্ত জমি ১নং খতিয়ানে  জহিরুল ও তার স্ত্রীর নামে বন্দোবস্ত করে দেওয়ায় আমরা হয়রানির শিকার হচ্ছি এবং  আমাদের পরিবার নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি। আমরা নিরীহ ও শান্তি প্রিয় মানুষ  বিধায় কোন উপায়ান্তর না দেখে আইনের আশ্রয় নিয়েছি। আমরা আইন ও প্রশাসনের কাছে সুবিচারের মাধ্যমে আমাদের স্বত্ত্ব দখলীয় ভুমি ফেরত চাই।
এ ব্যাপারে নেত্রকোণা জেলার কেন্দুয়া থানার বিজ্ঞ সহকারী জজ আদালতে জোতস্বত্ব ঘোষণা  বাবদ নালিশ তৎ পরিমাণ- ২০০০০০ টাকা দাবী করে মামলা হয়েছে ( যার মোকদ্দমা নং – ১৬৩/২০১৮ অন্য প্রকার)।
এ ব্যাপারে ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তাকে সরেজমিনে না পাওয়ায় মুঠোফোনে যোগাযোগ করতে চাইলে তার ফোন বন্ধ পাওয়া যায়।