বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের ৭ শিক্ষার্থীর সহকারী জজ ও দুদকে চাকরি

আপডেটঃ ৯:৩২ অপরাহ্ণ | এপ্রিল ২২, ২০২২

ববি সংবাদদাতা : বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এবার বাংলাদেশ জুডিসিয়াল সার্ভিস অর্থাৎ সহকারী জজ হিসেবে চারজন শিক্ষার্থী সুপারিশপ্রাপ্ত হয়েছেন। সাথে বাংলাদেশ দূর্নীতি দমন কমিশন ( দুদক ) উপ-সহকারী পরিচালক পদে চাকরি পেয়েছেন তিনজন শিক্ষার্থী।তাঁরা সবাই বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী।
গতকাল ( ২১ এপ্রিল)  বিজেএস পরীক্ষার নিয়ন্ত্রক থেকে শরীফ এ এম রেজা জাকের স্বাক্ষরিত ফলাফলে সুপারিশপ্রাপ্তদের খবর জানা যায়। অন্য এক বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করলে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বিসিএস (নন-ক্যাডার) প্রাপ্তদের দুদকের উপ-সহকারী পরিচালক হিসেবে সুপারিশ করা হয়েছে।
১৪ তম জুডিসিয়াল সার্ভিস পরীক্ষায় বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের চারজন শিক্ষার্থী সহকারী জজ-এ যাঁরা সুপারিশপ্রাপ্ত হয়েছেন, সাদিয়া আফরিন, সৌরভ রায় মিঠু,আয়েশা আক্তার ও রাব্বি ইসলাম রনি।তাঁরা সবাই আইন বিভাগের শিক্ষার্থী। দুদকের উপ-সহকারী পরিচালক পদে লোকপ্রশাসন বিভাগের শিক্ষার্থী মোয়াজ্জম হোসেন সম্রাট,অর্থনীতি বিভাগের সোমা সরকার ও ম্যানেজমেন্ট বিভাগের শেখর রয় সুপারিশপ্রাপ্ত হয়েছেন।
বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মো. ছাদেকুল আরেফিন তাদেরকে প্রাণঢালা অভিনন্দন জানিয়ে বলেন, ‘ নবীন বিশ্ববিদ্যালয় হলেও সাম্প্রতি সময়ে শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন সরকারি , বেসরকারি ও স্কলারশিপ নিয়ে উচ্চশিক্ষা গ্রহণে বা অন্যান্য কর্মক্ষেত্রে বেশ অবদান রাখছে।আমি মনে করি শিক্ষার্থীরা জাতীয়ভাবে অনেক বেশি অবদান রাখবে। শিক্ষার্থীদের তাদের কর্মক্ষেত্রে সৎ ও দেশপ্রেম হয়ে কাজ করারও আহ্বান জানান তিনি।
বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের চেয়ারম্যান ও সহকারী অধ্যাপক সাদেকুর রহমান অভিনন্দন জানিয়ে বলেন, বিজেএস অনেক বেশি প্রতিযোগিতামূলক একটি পরীক্ষা। সেখান থেকে আমাদের নবীন বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের এমন সফলতা আসলে একটি গর্বের বিষয়। এই সফলতা অন্যান্য শিক্ষার্থীদের অনুপ্রাণিত করবে।
বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের এক শিক্ষার্থী জানান, বড় ভাইদের এ সফলতা আমাদের অনুপ্রেরণা জোগায়।কয়েকদিন আগে ভাইয়া-আপুরা গুগলে চাকরি, বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক,জাতীয় গোয়েন্দা সংস্থায় চাকরিতে অবদান রেখেছেন।এছাড়া বিসিএস প্রশাসন ক্যাডারসহ অন্যান্য ক্যাডারে এবং স্কলারশিপ নিয়ে উচ্চশিক্ষা গ্রহণে বাইরে পাড়ি জমাচ্ছেন।এটি আসলে আমাদের গর্বের বিষয় ও আমাদের অনুপ্রাণিত করে।