প্রত্যাশা অনুযায়ী স্থান না পেয়েও সংগঠনের পরিচয় পেয়ে সন্তুষ্ট পরিশ্রমী ছাত্রনেতা রিশাদ

আপডেটঃ ৯:২৭ অপরাহ্ণ | এপ্রিল ০৩, ২০২২

সৈয়দ ওয়াসি উল্লাহ্ রাসেলঃ– ২০১২ সালের শেষ দিক গথেকে রিশাদের ছাত্রলীগ এর প্রথম মিছিলে যাওয়া এরপর ২০১৩ সালে হেফাজত বিরোধী আন্দোলনে সক্রিয় অবস্থান নিয়েছিল তখনকার জনপ্রিয় ছাত্রনেতা সত্যজিৎ দাস ও সাকিবুল ইসলাম শাওনের নেতৃত্বে।
এরপর আঞ্জুমান স্কুল ছাত্রলীগ কমিটি হলো, সাথে সাথেই দত্ত হাই স্কুলে পড়ুয়া রিশাদের মনে আশা সঞ্চার  হয় দত্ত স্কুল কমিটি হবে কিন্তু হলো না। তখন বঞ্চিত হওয়ার পরও দলীয় কর্মকাণ্ডে সক্রিয় অংশগ্রহন অব্যাহত থাকে । এরপর প্রার্থী হলেন আবু আব্বাস ডিগ্রি কলেজে কিন্তু কমিটি হলোনা। আবারও আশার প্রদীপ নিবে যায়। কিন্তু হাল ছাড়েনি একটিবারের জন্যও। এরপর রিশাদ প্রার্থী হয় নেত্রকোণা সদর উপজেলা ছাত্রলীগের কিন্তু কমিটি দিতে পারে নাই তখনকার অমি জনি কমিটি । যেটাকে তাদের রাজনৈতিক দূরদর্শিতার অভাব মনে করে অনেকেই।
সময়ের পরিক্রমায় নেত্রকোণা জেলা ছাত্রলীগের দায়িত্ব পায় শাওন-সোবায়েল। ফেলে আসা দিনগুলোর মত না, সময়ের সাথে তাল মিলিয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার দূরদর্শিতা দেখাতে শুরু করে এ কমিটি। একপর্যায়ে নেত্রকোণা সদর উপজেলার কমিটি দেয় শাওন-সোবায়েল। এ কমিটিতে সদস্য হিসেবে স্থান পায় রিশাদ।
প্রত্যাশার সাথে প্রাপ্তির খতিয়ানে গড়মিল থাকলেও সদর উপজেলা ছাত্রলীগে স্থান পেয়ে সন্তুষ্ট রিশাদ। সামনের দিনেও জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আদর্শে তার কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে রাজপথের লড়াই-সংগ্রামে সংগঠনের সিনিয়রদের ছায়াতলে রাজনীতি করতে চায় রিশাদ।