নওগাঁয় ২১ সাংবাদিক পেলেন প্রধানমন্ত্রীর আর্থিক সহায়তার চেক

আপডেটঃ ৯:২৯ অপরাহ্ণ | মার্চ ১৩, ২০২২

নিউজ ডেস্ক : খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদার বলেছেন, করোনা মোকাবেলা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বড় সফলতা। বঙ্গবন্ধু কন্যার যোগ্য নেতৃত্ব আর সঠিক দিক নির্দেশনার কারনে বাংলাদেশে করোনা পরিস্থিতি বিশ্বের যে কোন দেশের চেয়ে দ্রুততম সময়ে নিয়ন্ত্রণে এসেছে।
আজ রোববার (১৩ মার্চ) বিকালে নওগাঁ জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকে সাংবাদিকদের জন্য কল্যাণ অনুদান ও করোনাকালীন আর্থিক সহায়তার চেক বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।
খাদ্যমন্ত্রী বলেন, পৃথিবীর অনেক ধনী রাষ্ট্রে সাধারণ মানুষদের টাকার বিনিময়ে করোনা প্রতিষেধক ভ্যাকসিন গ্রহণ করতে হয়েছে। কিন্তু এ দেশের প্রধানমন্ত্রীর মানবিকতার কারনে আপমর জনগণ বিনা মূল্যে করোনার ভ্যাকসিন পেয়েছেন। এক কথায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে এ সরকার করোনা মোকাবেলায় অত্যন্ত সফলতা অর্জন করেছে। বর্তমানে দেশে করোনা নেই বললেই চলে। এ ক্ষেত্রে সাংবাদিক, প্রশাসন, রাজনীতিবিদ, ব্যবসায়ীসহ সর্বস্তরের জনগণের সহযোগিতায় তা সম্ভব হয়েছে।
মন্ত্রী বলেন, করোনাকালীন সময়ে বাংলাদেশের এমন কোন সেক্টর নেই যেখানে সরকারের সহযোগিতা পৌঁছে নাই। তারই ধারাবাহিকতায় সাংবাদিক বান্ধব প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশের সকল সাংবাদিকদের আর্থিক সহায়তা প্রদান অব্যাহত রেখেছেন। কেবল করোনাকালীন নয় সাংবাদিকদের অসুস্থ্যতাজনিত আর্থিক সহযোগিতাও অব্যাহত রেখেছেন। সাংবাদিকদের প্রতি বর্তমান সরকারের মত আর কোন সরকারের সুনজর ছিলনা।
খাদ্যমন্ত্রী সাধান চন্দ্র মজুমদার আরো বলেন, করোনা সংক্রমনের শুরুর প্রাক্কালে একটি মহল উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেছিল এই পরিস্থিতিতে কমপক্ষে ২ লাখ মানুষ অনাহারে মারা যাবে। কিন্তু প্রধানমন্ত্রীর সুদুরপ্রসারী পরিকল্পনা আর মানবিকতার কারনে দেশে একটি মানুষও অনাহারে মারা যায় নি। যে সময় ঐ মহল এমন আশংকা করেছিল তখন দেশে ১৮ লাখ মেট্রিকটন খাদ্য মজুদ ছিল। অনুষ্ঠানে খাদ্যমন্ত্রী সাংবাদিকতার আদর্শ মেনে দায়িত্বশীলতার সাথে পেশাগত দায়িত্ব পালনের জন্য সাংবাদিকদের প্রতি আহবান জানান।
জেলা প্রশাসক খালিদ মেহেদী হাসান এর সভাপতিত্বে আয়োজিত অনুষ্ঠানে নওগাঁ জেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি ও বাসস জেলা প্রতিনিধি কায়েস উদ্দিন এবং চেকপ্রাপ্ত ২ জন সাংবাদিক মীর মোশারফ হোসেন জুয়েল ও ওবায়দুল হক বক্তব্য রাখেন। পরে অনুষ্ঠানে জেলার ১৯ জন সাংবাদিককে ১০ হাজার টাকা করে এবং একজন সাংবাদিককে ১ লাখ টাকার মোট ২ লাখ ৯০ হাজার টাকার চেক বিতরণ করা হয়।