ব্রেকিং নিউজঃ

যেভাবে পিকে হালদারের বান্ধবী নাহিদা রুনাই

আপডেটঃ ১০:২৬ অপরাহ্ণ | সেপ্টেম্বর ১০, ২০২১

স্টাফ রিপোর্টার: নাহিদা রুনাই ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬১ ধারায় দেওয়া স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতে জানান, তিনি ২০০৮ সালের ৮ আগস্ট ইন্ডাস্ট্রিয়াল অ্যান্ড ইনফ্রাস্ট্রাকচার ডেভেলপমেন্ট ফাইন্যান্স কোম্পানিতে (আইআইডিএফসি) অফিসার হিসেবে চট্রগ্রাম শাখায় যোগ দেন।
তখন আইআইএফডিসির এমডি ছিলেন আসাদুজ্জামান খান এবং ডিএমডি ছিলেন পি কে হালদার। সেখানে ২০১০ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত তিনি চাকরি করেন। ২০১০ সালের ডিসেম্বরে রিলায়েন্স ফাইন্যান্সে অ্যাসিটেন্ট ম্যানেজার হিসেবে যোগ দেন তিনি। তখন তার সরাসরি রিপোর্টিং বস ছিলেন পি কে হালদার। তিনি তখন লোন ডিভিশনে ছিলেন। এরপরই তারা একে অপরের ঘনিষ্ঠ হন।
বৃহস্পতিবার (৯ সেপ্টেম্বর) তদন্ত কর্মকর্তা দুদকের উপপরিচালক গুলশান আনোয়ার প্রধানের কাছে দেওয়া জবানবন্দি সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।
জবানবন্দিতে তিনি আরও উল্লেখ করেন, ২০১১ সালে রিলায়েন্স ফাইন্যান্সের এসভিপি ছিলেন মো. রাশেদুল হক। ২০১৫ সালের জুন মাসে তিনি ইন্টারন্যাশনাল লিজিংয়ে ব্যবস্থাপনা পরিচালক হিসেবে যোগ দেন। ওই বছরের জুলাই মাসে এফএএস ফাইন্যান্স অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেডের এমডি মো. রাসেল শাহরিয়ার রিলায়েন্স ফাইন্যান্সের এমডি পি কে হালদারের রুমে আসেন। তখন পি কে হালদার নাহিদা রুনাইকে এফএএস ফাইন্যান্স লিমিটেডে যোগ দিতে বলেন। তার যোগ দেওয়ার ইচ্ছাও ছিল। কিন্তু কিছুদিন পর পি কে হালদার ইন্টারন্যাশনাল লিজিং-এ রাশেদুল হকের অধীনে চাকরি করতে বলেন।
নাহিদা রুনাই শেষ পর্যন্ত ২০১৫ সালের জুলাইয়ে ভাইস প্রেসিডেন্ট (ভিপি) হিসেবে ইন্টারন্যাশনাল লিজিংয়ের বিজনেস হেড হিসেবে যোগদান করেন। ২০১৬ সালের ফ্রেবুয়ারি পর্যন্ত বিজনেস হেড হিসেবে চাকরি করে অফিসিয়াল ঋণ ডকুমেন্টে স্বাক্ষর করেন। এইচআর বিভাগের প্রধান হিসেবে যোগদান করেন ২০১৬ সালের ফেব্রুয়ারির পর। সে সময় তিনি শেয়ার ডিভিশনও দেখভাল করতেন।
পি কে হালদারের ঘনিষ্ঠ বান্ধবী হওয়ার কারণে ইন্টারন্যাশনাল লিজিংয়ের ঋণ গ্রহীতা স্বপন কুমার মিস্ত্রির কাছ থেকে ১৫ কোটি টাকা হাতিয়ে নেন নাহিদা। স্বপণ কুমার মিস্ত্রির আরেক পরিচয় হলো, তিনি পিকে হালদারের ইনকাম ট্যাক্স আইনজীবী সুকুমার মৃধার ভাগিনা।