ব্রেকিং নিউজঃ

মদনে সাড়ে তিন বছরের শিশুকে ধর্ষণ, কিশোর গ্রেপ্তার

আপডেটঃ ৫:৪৭ অপরাহ্ণ | সেপ্টেম্বর ০৮, ২০২১

মদন (নেত্রকোনা) সংবাদদাতা: নেত্রকোণার মদনে খেলার ছলে প্রলোভন দেখিয়ে সাড়ে তিন বছরের এক শিশু মঙ্গলবার দুপুরে ধর্ষণের স্বীকার হয়েছে। এ ব্যাপারে ধর্ষক কিশোর আসাদুলসহ (১৩) চার জনের বিরুদ্ধে শিশুটির মা মঙ্গলবার সন্ধ্যায় একটি ধর্ষণ মামলা দায়ের করেন। এ মামলা কিশোর আসাদুলকে গ্রেফতার করে মদন থানা পুলিশ। মঙ্গলবার রাতেই তাকে নেত্রকোনা কোর্ট হাজতে প্রেরণ করেন।
পৌরসভার জাহাঙ্গীরপুর ৭নং ওয়ার্ডে আদর্শ কারিগরি ও বাণিজ্য কলেজের পেছনে এ ঘটনা ঘটে। শিশুটিকে ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য নেত্রকোনা আধুনিক সদর হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে।
ভিকটিমের বাবা অভিযুক্ত পরিবারের কাছে বিচার প্রার্থী হলে তাকেও তারা মারপিট করে এমন অভিযোগও রয়েছে।

অভিযুক্ত কিশোর আসাদুল জাহাঙ্গীরপুর ইসলামিয়া আলিম মাদ্রাসার ৭ম শ্রেণির ছাত্র ও একই ওয়ার্ডের দিনমজুর রফিকুল ইসলামের ছেলে। তবে অভিযুক্ত কিশোর এ অভিযোগ অস্বীকার করেছে।

ভিকটিমের বাবা জানান, আমার শিশু মেয়েটিকে রফিকুলের ছেলে কলেজেরে পেছনে খেলার কথা বলে প্রলোভন দেখিয়ে জোড়পূর্বক ধর্ষণ করেছে। পরে শিশুটি অচেতন অবস্থায় পড়ে থাকলে অন্য শিশুদের ডাকচিৎকারে তাকে উদ্ধার করে মদন হাসপাতালে নিয়ে আসি। শিশুটিকে নেত্রকোনায় ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য বলেছেন। আমি এ কথা রফিকুলকে জানাতে গেলে সে ও তার ছেলে আমাকে মারপিট করেছে। এ ব্যাপারে থানায় আমার স্ত্রী চারজনকে আসামী করে এশটি ধর্ষণ মামলা দায়ের করেছে। আমি আমার মেয়ের সুষ্টু বিচার চাই।

তবে গ্রেফতারের আগে অভিযুক্ত কিশোর আসাদুল বলে, আমি এ বিষয়ে কিছুই জানি না। আমাকে তারা ফাঁসাচ্ছে।

কর্তব্যরত চিকিৎসক ডাক্তার সুর্বনা ইয়াসমিন বলেন, শিশুটির মায়ের নিকট থেকে হিস্টরি শোনেছি। আলামত যেন নষ্ট না হয় তাই শিশুটিকে নেত্রকোনা আধুনিক সদর হাসপাতালে রেফার্ড করেছি।

মদন থানার ওসি ফেরদৌস আলম জানান, এ ব্যাপারে শিশুটির মা কিশোর আসাদুলসহ চারজন কে আসামি করে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে একটি মামলা দায়ের করেন। মামলায় কিশোরকে গ্রেফতার দেখানো হয়েছে। তা কে রাতেই নেত্রকোনার কোর্ট হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে। শিশুটিকে ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য নেত্রকোনার আধুনিক সদর হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে। মামলাটি তদান্তাধীন রয়েছে।