দুই ধরণের পেঁয়াজ রফতানিতে ভারতের অনুমতি

আপডেটঃ ১০:২১ অপরাহ্ণ | অক্টোবর ১১, ২০২০

সি এন এ নিউজ,ডেস্ক: ভারত থেকে দুই ধরণের পেঁয়াজ রফতানির আনুমতি দিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার। শুক্রবার কেন্দ্রীয় বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের বৈদেশিক বাণিজ্য দপ্তর (ডিজিএফটি) কর্তৃক জারী করা নোটিফিকেশনে পেয়াঁজ রফতানির ব্যাপারে এই নতুন সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়েছে।

সিদ্ধান্ত অনুযায়ি রফতানিকারকরা ভারত থেকে এখন দুই ধরণের পেঁয়াজ রফতানি করতে পারবেন। এই দুই ধরণের পেয়াজের মধ্যে বেঙ্গালুরুরে উৎপাদিত রোজ লাইন পেঁয়াজ ও অন্দ্রপ্রদেশের কৃষ্ণপূরম জাতের পেঁয়াজ, যা একটি নির্দিষ্ট পরিমানে রফতানি করা যাবে। তবে এর জন্য আগে কর্ণাটেক সরকারের উদ্যান উন্নয়ন কমিশনারের কাছ থেকে সার্টিফিকেট নিতে হবে রফতানিকারকদের। একই ভাবে কৃষ্ণপূরম জাতের পেযাজ রফতানির জন্যও অন্ধ্রপ্রদেশ সরকারের কাদাপার সহকারি পরিচালক উদ্যান উন্নয়নের কাছ থেকে পরিমাণগত সনদ নেয়ার ভিত্তিতে রফতানি করতে হবে।

নোটিফিকেশ অনুযায়ি সবোর্চ্চ সরকারি কোটা ১০ হাজার মেট্রিক টন পর্যন্ত পেঁয়াজ রফতানি করার আনুমতি দেবে সরকার এবং যার মেয়াদ থাকবে ৩১ মার্চ ২০২১ পর্যন্ত। তবে তার আগে রফতানিকারকদের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে নিবন্ধন তথা চাহিদা জানিয়ে আবেদন করতে হবে। এ ছাড়া এখন থেকে এক মাত্র চেন্নাই পোটর্ থেকেই এই পেঁয়াজ রফতানি করতে হবে বলে সরকারি ওই বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে। অপর দিকে অন্ধ্রপ্রদেশের কৃষ্ণপূরম পেয়াঁজ রফতানির ক্ষেত্রেও ঠিক একই পদ্ধতি বলবদ থাকবে বলে নোটিফিকেশনে জানানো হয়েছে।

পেঁয়াজের এই নয়া নোটিফিকেশনের ব্যাপারে পেট্রাপোল আমদানি রফতানি সমিতির সাধারণ স¤পাদক কার্তিক চক্রবর্তী বাসসকে জানান, সরকারি এই সিদ্ধান্তের ব্যাপারে রফতানি এজেন্ট কতটা আগ্রহ দেখাবে সেটাই দেখার বিষয়, কেননা এর আগে ভারতের অনেকগুলো বন্দর থেকে পেঁয়াজের রফতানি করা হতো, এতে বেশীর ভাগ রফতানিকারকদের মাঝে স্বাচ্ছন্দতা ছিল। এখন শুধুমাত্র একটি বন্দর তথা চেন্নাই বন্দর থেকে রফতানি করার কারণে কিছুটা অসুবিধা হতে পারে, জানিয়েছেন কার্তিক চক্রবর্তী।

এ ব্যাপারে কেদ্রীয় বাণিজ্যমন্ত্রী পিযূষ গোয়েল এক টুইট বার্তায় বলেছেন , ‘কৃষকদের ক্ষমতায়ন এবং তাদের ফসলের সঠিক মূল্য প্রাপ্তির জন্যই সরকার বেঙ্গালুরুর রোজ লাইন পেঁয়াজ ও অন্ধ্রপ্রদেশের কৃষ্ণপূরম জাতীয় পেঁয়াজ সবোর্চ্চ ১০ হাজার মেট্রিক টন রফতানির অনুমতি দিয়েছে।’