মহাসড়ক বন্ধ : রৌমারী-রাজিবপুরবাসীর দূর্ভোগ

আপডেটঃ ১:৪৯ পূর্বাহ্ণ | জুলাই ৩০, ২০২০

মোস্তাফিজুর রহমান তারা,রৌমারী (কুড়িগ্রাম) সংবাদদাতা:উত্তরা লের ভারতীয় সীমানা ঘেঁষা কুড়িগ্রামের নদী বিচ্ছিন্ন দুটি উপজেলা রাজিবপুর ও রৌমারী। ব্যবসা-বাণিজ্যসহ নিত্য প্রয়জনে প্রতিনিয়ত ঢাকা-রৌমারী মহাসড়ক দিয়ে ঢাকাসহ দক্ষিণা লের সাথে যোগাযোগের সংযোগ একমাত্র সড়ক এটি

মহাসড়কের উন্নয়নে জামালপুর জেলার দেওয়ানগঞ্জ উপজেলার ডাংধরা ইউনিয়নে গারোহারি নামক স্থানে একটি ব্রিজ নিমাণের কাজ শুরু হওয়ায় বন্ধ রয়েছে বাস-মিনিবাস, ট্রাক, মালবাহী ভারী যান চলাচল। এতে দুই উপজেলার লক্ষ লক্ষ মানুষ চরম ভোগান্তি ও হতাশায় দিন পার করছে।

রাজিবপুর-রৌমারীর ব্যবসায়ীদের মতে ঠিকাদার ও কদমতলার স্থানীয় গুটি কয়েকজন লোকের স্বার্থ হাসিলের লক্ষ্যে বেইলী ব্রীজের পাটাতন সরিয়ে চাঁদাবাজির অভিযোগ ওঠায় বন্ধ করা হয় ব্রিজটি। এর ফলে উত্তরা লের দুই উপজেলার ব্যবসায়ীসহ সাধারণ মানুষ বিপাকে পরে যায়। ঈদুল আযহা সামনে তবুও বন্ধ মহাসড়ক, কোরবানির পশু খামারীরা ন্যায্যমূল্যে বিক্রি করতে পারছে না তাদের কোরবানির পশু। গরু প্রতি লোকসান গুনতে হচ্ছে ১৫ থেকে ২৫ হাজার টাকা

এ বিষয়ে ব্যবসায়ী আলতাফ হোসেন, আলমগীর, দুলালসহ অনেকেই জানান, “সামনে ঈদ ব্রিজ বন্ধ, প্রত্যেকটি মালামাল ট্রাক থেকে নামিয়ে ভ্যান দিয়ে পার করছি। এতে খরচ বেশি হচ্ছে, সময় বেশি লাগছে। ব্রিজটি খুলে দিলে কষ্ট দূর হইত

ঠিকাদারের লোকজন বলছেন, গাড়োহাড়ি ব্রিজ নির্মাণে বিকল্প সড়কের যে ব্রিজ নির্মাণ করা হয়েছে বন্যার কারণে সেটি দূর্বল হয়ে পড়েছে। বড় বড় ট্রাক ও দুরপাল্লার বাসগুলো সে ব্রিজে অতিক্রম করলে যে কোনো সময় দূর্ঘটনা ঘটতে পারে। ফলে সাময়িকভাবে ব্রিজটি বন্ধ করে দেয়া হয়েছে।

রৌমারী মোটর শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি আব্দুল মতিন বলেন, প্রায় ৮০টি দুরপাল্লার বাস চলাচল করতে দিচ্ছে না ঠিকাদারের লোকজন। এতে চালক ও শ্রমিকরা ব্রিজের সাথে রাস্তায় বাসে রাতযাপন খাওয়া দাওয়া করছে। চালকের অভিযোগ তাদের ঘুম হচ্ছে না। এতে দূর্ঘটনার আশঙ্কা বাড়ছে।

ঠিকাদারের লোকজন বলছেন, গাড়োহাড়ি ব্রিজ নির্মাণে বিকল্প সড়কের যে ব্রিজ নির্মাণ করা হয়েছে বন্যার কারণে সেটি দূর্বল হয়ে পড়েছে। বড় বড় ট্রাক ও দুরপাল্লার বাসগুলো সে ব্রিজে অতিক্রম করলে যে কোনো সময় দূর্ঘটনা ঘটতে পারে। ফলে সাময়িকভাবে ব্রিজটি বন্ধ করে দেয়া হয়েছে।

এ ব্যাপারে জামালপুর সড়ক ও জনপথ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, শুকনো সময়ে বেইলি ব্রিজটি নির্মাণ করা হয়েছে। কিন্তু বন্যার পানি এতো বেশি হয়েছে যে, সেটি এখন নড়বড়ে হয়ে পড়েছে। তবে পানি অনেকটি কমেছে। আগামি দু’একদিনের মধ্যে ব্রিজটি আরেকটু মেরামত করে যানবাহন চলাচলের ব্যবস্থা করে দেয়া হবে।