রৌমারী ফৌজদারী শহর রক্ষা বাঁধটি ব্র্হ্মপুত্র নদের ভাঙ্গন ঝুঁকিতে

আপডেটঃ ৬:১৬ অপরাহ্ণ | জুলাই ০৫, ২০২০

মোস্তাফিজুর রহমান , রৌমারী (কুড়িগ্রাম) সংবাদদাতা: রৌমারী শহর রক্ষা ফৌজদারী রেড়ীবাঁধটি ব্রহ্মপুত্র নদের ভাঙ্গন ঝুকিতে। শহর রক্ষা বাঁধটি ব্রহ্মপুত্র নদের কাছে হওয়ায় উপজেলা বাসী চরম দুশ্চিন্তায় দিনাতিপাত করছে। ঝগড়ারচর, ধনারচর ও ফৌজদারী বেড়ীবাঁধটি বন্যার কবল থেকে রক্ষা করছে উপজেলা বাসীকে। কিন্ত বাঁধ গুলি সরকারী ভাবে সঠিক তদারকির অভাবে খড়া, বৃষ্টি বর্ষায় প্রতি বছরই বাঁধ গুলি কোথাও না কোথাও ছিড়ে ছিন্নভিন্ন হয়ে যায়। একেতো নদ-নদী খালবিল জলাশয়ে পরিপুর্ণ রৌমারী উপজেলা , তার পর ভারতীয় পাহাড়ী ঢলের তান্ডব, এতে যেন নাজেহাল রৌমারী উপজেলার ৩ লাখ মানুষ। রৌমারী গ্রামীণ যোগাযোগ সড়ক শহর রক্ষা বাঁধ সব কিছুই যেন অরক্ষিত। কোন উন্নয়নের ছোওয়াই যেন লাগেনি অ লটিতে। তবে ধনারচর ও ফৌজদারী বেড়ীবাঁধটি রৌমারী উপজেলার ৩ লাখ মানুষের সকল উন্নয়নের রক্ষা কবজ।
কিন্ত রৌমারী আজ মানচিত্র থেকে বিলিনের পথে। আজ থেকে ১০ বছর আগে বেড়িবাঁধ থেকে ব্রহ্মপুত্র নদের দূরুত্ব ছিল ২০ কিলোমিটার দূরে। এক যুগ যেতে নাযেতেই ব্রহ্মপুত্রের দূরুত্ব দ্বাড়িয়েছে শুন্য থেকে ৫শ গজ দূরে । যারফলে কপাল পুড়ছে এঅ লের মানুষের। গত বন্যায় ২০১৮/১৯ অর্থ বছরে বানের পানির তোড়ে ধনারচর বেড়িবাঁধটি কর্তিমারী ঘাটে ৩শ মিটার, চাক্তাবাড়িতে ৪০ মিটার ও ফৌজদারী বেড়িবাঁধটি আলী আকবরের বাড়ির নিকট ৪০ মিটার ভেঙ্গে গভীর খাদের সৃষ্টি হয়। করোনা ও নানা অজুহাতে বাঁধগুলি মেরামত না করায় অরক্ষিত থেকে যায়। ধনারচর ও ফৌজদারী বেড়িবাঁধ ভাঙ্গন অংশে ক্ষুদ্র-পানি সম্পদের অর্থায়নে মেরামত কাজ করার কথা থাকলেও বাজেট না থাকায় মুখ থুবরে পড়ে আছে। কিন্ত ক্ষুদ্র-পানি সম্পদ কোন কাজ না করলেও উপজেলা শহর রক্ষার তাগিদে কাবিখা প্রকল্পের আওতায় ৯ দশমিক ৮২৫ মেট্রিক টন খাদ্যে শস্যের বিনিময়ে ৪০ মিটার বাঁধটি মেরামত করা হয়। বাঁধটি মেরামতের বিষয়ে নজরুল ইসলাম জানান, গণ-শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী মোঃ জাকির হোসেন বাঁধটির ভাঙ্গা স্থান মেরামতের জন্য বলেন। কাবিখা প্রকল্পের অর্থায়নে তা নির্মাণ করা হয়।
বাঁধটি উপজেলা শহর রক্ষায় গুরুত্বপুর্ণ বাঁধ। তবে বাঁধটি এখনো সুরক্ষিত নয়। ফৌজদারী বাধটি এখনো বন্দবেড় জলিলের কুড়া ও মহিলা কলেজের দক্ষিনাংশে ঝুকিপুর্ণ রয়েছে। উক্ত স্থান দুটি জিও ব্যাগ দ্বাড়া মোড়িয়ে দিলে উপজেলা শহরটি বানের পানি থেকে রাক্ষা পাবে। এব্যাপারে উপজেলা নির্বাহি অফিসার আল ইমরান বলেন, বন্যার পানি যাতে বাধ ভেঙ্গে শহরে প্রবেশ করতে না পারে সে বিষয়ে বাঁধের প্রতি নজর রাখা হচ্ছে।