ঈদগাহ থাকবে ফাঁকা, বায়তুল মোকাররমে পাঁচ জামাত

আপডেটঃ ৬:০০ অপরাহ্ণ | মে ২৪, ২০২০

সি এন এ প্রতিবেদক: করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ ঠেকাতে এবার পবিত্র ঈদুল ফিতরের জামাতেও আরোপ হয়েছে বিধি নিষেধ। প্রতিবারের মতো এবার আর হাইকোর্ট লাগোয়া জাতীয় ঈদগাহে ঈদের জামাত হবে না। বিকল্প হিসেবে জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমে পাঁচটি জামাত অনুষ্ঠিত হবে। তবে এসব জামাতেও স্বাস্থ্যবিধি মেনে উপস্থিত হতে হবে। কোনো ধরনের কোলাকুলি বা হাত মেলানো চলবে না। রবিবার ইসলামিক ফাউন্ডেশন সূত্র এ তথ্য মিলেছে।

শনিবার দেশের আকাশে পবিত্র শাওয়াল মাসের চাঁদ দেখা যায়নি। তাই সোমবার বাংলাদেশে ঈদ উদযাপিত হবে।

এবার নির্দিষ্ট স্বাস্থ্যবিধি ও নিয়মকানুন মানার শর্তে মসজিদে ঈদের জামাত আদায়ের অনুমতি দিয়েছে সরকার। তবে কোনো ধরনের মাঠে বা ঈদগাহে ঈদের জামাত করা যাবে না।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন থেকে জানানো হয়েছে, ঈদের দিন বায়তুল মোকাররমে পাঁচটি জামাত অনুষ্ঠিত হবে। এগুলো হচ্ছে যথাক্রমে সকাল ৭টা, ৮টা, ৯টা, ১০টা ও ১০টা ৪৫ মিনিট।
প্রথম জামাত হবে সকাল ৭টায়। এতে ইমামতি করবেন বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের সিনিয়র পেশ ইমাম হাফেজ মুফতি মাওলানা মিজানুর রহমান। মুকাব্বির থাকবেন মুয়াজ্জিন হাফেজ কারী কাজী মাসুদুর রহমান।

দ্বিতীয় জামাত সকাল ৮টায় অনুষ্ঠিত হবে। ইমাম থাকবেন বায়তুল মোকাররমের পেশ ইমাম হাফেজ মুফতি মুহিবুল্লাহিল বাকী নদভী। মুকাব্বির থাকবেন মুয়াজ্জিন হাফেজ কারী হাবিবুর রহমান মেশকাত।

৯টার তৃতীয় জামাতের ইমাম বায়তুল মোকাররমের পেশ ইমাম হাফেজ মাওলানা এহসানুল হক। মুকাব্বির মুয়াজ্জিন মাওলানা ইসহাক।

চতুর্থ জামাত হবে সকাল ১০টায়। এতে ইমাম থাকবেন বায়তুল মোকাররমের পেশ ইমাম মাওলানা মহিউদ্দিন কাসেম। মুকাব্বির থাকবেন বায়তুল মোকাররমের প্রধান খাদেম মো. শহীদুল্লাহ।

পঞ্চম ও সর্বশেষ জামাত হবে সকাল ১০টা ৪৫ মিনিটে। এতে ইমাম থাকবেন ইসলামিক ফাউন্ডেশনের মুহাদ্দিস হাফেজ মাওলানা ওয়ালিয়ুর রহমান খান। মুকাব্বির হবেন বায়তুল মোকাররমের খাদেম হাফেজ মো. আমির হোসেন।

পাঁচটি জামাতে কোনো ইমাম অনুপস্থিত থাকলে বিকল্প ইমাম হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন ইসলামিক ফাউন্ডেশনের মুফতি মাওলানা মুহাম্মদ আব্দুল্লাহ।

মানতে হবে যেসব বিধি: যারা মসজিদে নামাজ পড়তে যাবেন তাদের অবশ্যই নির্দিষ্ট স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে সরকারের তরফে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে মাস্ক ব্যবহার, সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে দাঁড়ানো, জায়নামাজ বাসা থেকে নিয়ে আসা, নামাজ শেষে কোলাকুলি না করা ও হাত না মেলানো।