টঙ্গীতে গনপরিবহনে করোনার প্রভাব

আপডেটঃ ৬:৩২ অপরাহ্ণ | মার্চ ২৫, ২০২০

টঙ্গী (গাজীপুর) প্রতিনিধিঃ বিশ্ব জুড়ে করোনা ভাইরাস আতঙ্কে মানুষ যখন আতঙ্কিত ঠিক সেই সময় সরকারের দেওয়া সকল আদেশ অমান্য করে গনপরিবহন গুলোতে চলছে লাগামহীন বাণিজ্য। ভাইরাসের কারণে বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠান গুলো বন্ধ ঘোষনা করায় বিভিন্ন জেলা থেকে আসা শ্রমজীবী মানুষ গুলো পাড়ি জমাচ্ছেন নিজ গ্রামের বাড়িতে। করোনা ভাইরাসের প্রকোব প্রতিরোধে সকল আদেশ উপেক্ষা করে গণপরিবহন গুলোতে প্রচন্ড ভীড় দেখা গেছে। এসময় তুরাগ, বলাকা, অনাবিল, আজমেরী গ্লোরী, প্রভাতী বনশ্রী, বিআরটিসি ও গাজীপুর পরিবহনের বাস গুলোতে ছিলো প্রচন্ড ভীড় অথচ কোন প্রকার বৈধতা ছাড়াই বাস গুলোতে লিখা ছিলো সিটিং সার্ভিস। বাস গুলোতে ১০ টাকার ভাড়া ২০-৩০ টাকা ৫০টাকার ভাড়া ১০০ টাকা পর্যন্ত আদায় করতে দেখা গেছে। অপরদিকে দূর পাল্লার বাস গুলোতে ১০০ টাকা থেকে ২০০ টাকার ভাড়া ৪০০ থেকে ৫০০ টাকা পর্যন্ত আদায় করতে দেখা গেছে। এছাড়া ছোট বড় পিকাপ ভ্যান ও ট্রাক গুলোতে লোক বোঝাই করে চলাচল করতে দেখা গেছে। বিআরটিসি সহ বিভিন্ন পরিবহণে হ্যান্ড স্যানিটাইজার বা জীবাণুনাশক থাকলেও তা ব্যাবহার করতে দেখা যায়নি। গণপরিবহণের এমন অবস্থা মানুষের জীবন যাত্রাকে হুমকির মুখে ঠেলে দিচ্ছে। এছাড়া মহাসড়কে দেখা যাচ্ছে আসংখ্য ব্যাটারি চালিত অটো রিকশা। এরা মানুষের বিপদকে কাজে লাগিয়ে ৫ টাকার ভাড়া ২০-৩০ টাকা পর্যন্ত নিচ্ছে। যা খুব দ্রুত নজরদাড়িতে না নিলে করোনার প্রকোব অনেকাংশে বৃদ্ধি পেতে পারে।
টঙ্গীর ষ্টেশনরোড এলাকায় ট্রাফিক বিভাগ দক্ষিনের দায়িত্বরত সার্জন্ জাহাঙ্গীর জানান, আইনের সেবক হয়ে আইনের প্রতি শ্রদ্ধা করে নিজ জীবন বাজি রেখে জনগনের সেবায় কাজ করে যাচ্ছি। করোনা ভাইরাসের কারণে ঢাকা ও গাজীপুরের সকল শ্রমজীবী লোকজনই নিজ গ্রামের বাড়িতে ফিরে যাচ্ছে এতে যানজট অনেকটা বৃদ্ধি পাচ্ছে তবে মানুষের ভীড়ে গাড়ী চালকরা অনেকটাই বেপরোয়া হয়ে গেছে। আমরা সরকারী আদেশ পালনে সর্বদা চেষ্টা করে যাচ্ছি। তবে গণপরিবহনের শ্রমিকরা যদি সচেতন না হয় তবে করোনা ভাইরাস খুব দ্রুত ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে। এবিষয়ে পরিবহন মালিকদের আরো বেশী সচেতন হওয়া উচিত।