রৌমারীতে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার বাজার মনিটরিং

আপডেটঃ ৪:০৪ অপরাহ্ণ | মার্চ ২৩, ২০২০

মোস্তাফিুররহমান তারা রৌমারী (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধি:কুড়িগ্রামের রৌমারীতে ব্যাবসায়ী কতৃক মনগড়া দ্রব্য মুল্য বৃদ্ধি করাকে কেন্দ্র করে উপজেলা নির্বাহী অফিসার আল-ইমরান রৌমারী হাট-বাজারের বিভিন্ন গলিতে ঘুরে ঘুরে পরিদর্শন করেন। গতকাল রবিবার বিকাল ৫টার দিকে জনসচেতনতা মূলক বাজার মনিটরিং টিম বেড় হয়। এসময় উপস্থিত ছিলেন রৌমারী থানার অফিসার ইনচার্জ আবু মোহাম্মদ দিলওয়ার হাসান ইনাম, বণিক সমিতির সভাপতি প্রদীপ কুমার সাহা, সাধারন সম্পাদক ফজলুল হক ফুলু, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ ও সাংবাদিকগন।
উল্লেখ্য করোনা ভাইরাসের অজুহাত দেখিয়ে উপজেলার প্রায় ৩৫ টি হাট-বাজারে নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্য মূল্য লাগামহীনভাবে বৃদ্ধি পাচ্ছে। একটি সুযোগ সন্ধানী অসাধু ব্যবসায়ী চক্র বাজারে কৃত্রিম সংকট তৈরী করে চাল, ডাল, আটা, চিনি, আলু, আদা, রশুন, পেয়াজ, টিস্যু ও ভোজ্যতৈলসহ বিভিন্ন নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্য মূল্য প্রতিদিন মনগড়াভাবে বৃদ্ধি করছে। করোনার আতঙ্কে সাধারণ মানুষ নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্য সামগ্রী মজুতের পায়তারার লক্ষেএমন কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি হচ্ছে।
২১ মার্চ শনিবার সরেজমিনে বাজার ঘুরে দেখা গেছে, চালের বাজারে গত ২-৩ দিনের ব্যবধানে প্রতি বস্তায় (৫০ কেজি) ৪’শ থেকে ৫শ’ টাকায় বৃদ্ধি হয়েছে। এছাড়াও পেয়াজ প্রতি কেজি ২০, রশুন ৩০, আদা ২০, আলু ৫, চিনি ৫, আটা ৭ টাকা ও ভোজ্য তৈলসহ প্রায় সব কিছুর মূল্য বৃদ্ধি হয়েছে।
বাজারে খাদ্যদ্রব্য ক্রয় করতে আসা ওলি মিয়া বলেন, আমি আজ তিন দিন পর বাজারে এসে প্রতিদিনের প্রয়োজনীয় দ্রব্যের মূল্য বৃদ্ধি দেখে অবাক হয়ে গেলাম। তিনি আরও বলেন, আমরা গরিব মানুষরা দিনে আনি দিন খাই, যদি এভাবে জিনিস পত্রাধীর মূল্য বৃদ্ধি হয় তাহলে আমরা স্ত্রী বাচ্চাসহ কি খেয়ে বাঁচবো বুঝতেছিনা।
এব্যাপারে রৌমারী উপজেলা নির্বাহী অফিসার আল ইমরান বলেন, বাজারে কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করে দ্রব্য মুল্য বৃদ্ধির চেষ্টা করা হচ্ছে। তাই বাজারে দ্রব্য মুল্য যাতে বৃদ্ধি করতে না পারে সেজন্য আগাম সতর্ক বার্তা দেওয়া হয়েছে।