১২ কোটি টাকা ব্যায়ে নির্মিত রাবার ড্যাম্প যেন মরণ ফাঁদ

আপডেটঃ ১১:৩০ অপরাহ্ণ | ফেব্রুয়ারি ১৫, ২০২০

মোস্তাফিজুর রহমান তারা ,রৌমারী(কুড়িগ্রাম) সংবাদদাতঃ রৌমারীতে ১২ কোটি টাকা ব্যায়ে নির্মিত রাবার ড্যাম্পটি আসছেনা কৃষকের কাজে। কুড়িগ্রামের রৌমারী উপজেলাধীন যাদুরচর ইউনিয়নের খেয়ারচর জিঞ্জিরাম নদীতে কৃষি সেচ প্রকল্পের আওতায় ২০১৫ সালে রাবার ড্যাম্প নির্মণের কাজ শুরু হয়ে ২০১৮ সালে সমাপ্ত দেখানো হয়। আজ থেকে ২ বছর আগে ড্যাম্পটির কাজ সম্পুর্ণ দেখানো হলেও অদ্যবদি রাবার ড্যাম্প থেকে কোন উপকার পাচ্ছেনা কৃষক।
সরেজমিন ঘুরে দেখাগেছে, ড্যাম্পটির কাজ অসম্পুর্ণ রেখেই কাজটি সম্পুর্ণ দেখানো হয়েছে। বাঁধের পার , ড্রেনেজ ব্যাবস্থা কোন কিছুই সেচ ও কৃষি বান্ধব করা হয়নি। নামে মাত্র রাবার বসিয়ে একটি পার অসম্পুর্ণ অপর পারটি দূর্বল কাজ করে সটকে পড়ে ঠিকাদার। নদীর দুপারে বাঁধ নির্মানে ব্যাপক অনিয়ম লক্ষ্য করা গেছে। সিমেন্ট বালি মিশ্রিত বস্তা দ্বাড়া বাঁধের পার মোরানোর কথা থাকলেও, সিমেন্টের পরিমান অল্প ও বালির পরিমান বেশী হওয়ায় বছর যেতেনা যেতেই পারটি ভেঙ্গে তছনছ হয়েগেছে। রাবার ড্যাম্পের আওতায় দুপারে ১৮শ হেক্টর ফসলী জমি রয়েছে।
এব্যাপারে রাবার ড্যাম্প কমিটির সভাপতি মোঃ হেলাল উদ্দিন বলেন,রাবার ড্যাম্প যেন আমাদের মরন ফাঁদে পরিনত হয়েছে। এক বিন্দু উপকারে আসেনি কৃষকের। রাবার বসিয়ে ও আংশিক পার নির্মাণ করেই যেন ঠিকাদার দায়মুক্ত। রাবার ড্যাম্প প্রকল্পে হাজার হাজার পরিবার স্বল্প খরচে সেচ সুবিধা পাওয়ার স্বপ্ন দেখলেও তাযেন আশায় গুড়ো বালি। রাবার ড্যাম্পে ১২ সদস্য বিশিষ্ট কার্যকরী ও ২৫৬ জন সদস্যের সমন্বয়ে একটি সমিতি থাকলেও তাযেন নামেমাত্র। রাবার ড্যাম্পের উপকার সম্পর্কে সরকারী কোন তথ্যাবধায়ন না থাকায় প্রকল্পটি মুখ থুবরে পড়ে আছে।সরকারী বিভিন্ন দপ্তরে রাবার ড্যাম্পের খোজ খবর জানতে চেয়েও সঠিক তথ্য পাওয়া যায়নি।
এব্যাপারে রাবার ড্যাম্পের আওতাভুক্ত কৃষক , বাচ্চু মিয়া, হামিদুর রহমান , আকতার হোসেন বলেন, ড্যাম্পটি নির্মাণ হওয়ায় এঅ লের কৃষক কৃষি বিপ্লব ঘটানোর স্বপ্ন দেখেছিল। কিন্ত কোন কার্যক্রম না থাকায় এযেন মরণ ফাঁদে পরিণত হয়েছে।ড্যাম্পটির বিষয়ে যারফলে সরকারের কৃষিবান্ধব পরিকল্পনা সফল হচ্ছেনা। তাই ড্যাম্পের আওতাভুক্ত কৃষকের প্রাণের দাবী রাবার ড্যাম্পটি কৃষি সেচের জন্য উপযোগি করে তোলা হউক ।