অনলাইনে সরব প্রার্থীরা

আপডেটঃ ১০:৫০ পূর্বাহ্ণ | জানুয়ারি ৩১, ২০২০

সি এন এ প্রতিবেদক:প্রযুক্তির কল্যাণে মানুষের জীবনযাত্রা সহজ হয়েছে। তার প্রভাব পড়েছে ভোটের মাঠে। ঢ‌াকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশন নির্বাচনের প্রার্থীরাও প্রচার ও গণসংযোগের জন‌্য প্রযুক্তির সহায়তা নিচ্ছেন।

১ ফেব্রুয়ারি নির্বাচন। শেষ মুহূর্তে মোবাইল ফোনে এসএমএস বা কল করে ভোট চাচ্ছেন মেয়র ও কাউন্সিলর পদপ্রার্থীরা। ফেসবুক, ইউটিউব, ইন্সটাগ্রাম, ম‌্যাসেঞ্জার, টুইটারসহ বিভিন্ন ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে প্রচার চালাচ্ছেন তারা। মেয়র পদপ্রার্থী শেখ ফজলে নূর তাপস, আতিকুল ইসলাম, তাবিথ আউয়াল, ইশরাক হোসেনসহ সব প্রার্থীই মোবাইল ফোনে এসএমএস করে ভোট চাচ্ছেন।

এসএমএসের পাশাপাশি অনেক মেয়র ও কাউন্সিলর প্রার্থী সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোতে একাধিক পেজে ও আইডি খুলে শেষ মুহূর্তের প্রচার চালাচ্ছেন।

অন্যদিকে, নির্বাচন কমিশন মোবাইল ফোনে এসএমএস করে জানিয়েছে, আগামী ১ ফেব্রুয়ারি সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের সব ভোটকেন্দ্রে ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিনে (ইভিএম) ভোট গ্রহণ করা হবে।

ভোটকেন্দ্রের তথ্য জানতে PC স্পেস ১০ অথবা ১৭ সংখ্যার এনআইডি নম্বর লিখে ১০৫ নম্বরে এসএমএস করতে নির্দেশনা দিয়েছে নির্বাচন কমিশন।

তবে যারা এসএমএস পেয়েছেন তাদের কেউ কেউ ঢাকার ভোটার নন। শফিকুল ইসলাম নামের একজন বলেছেন, আমি ঢাকার ভোটার নই। তবু আমাকে এসএমএস দেয়ার কী আছে?

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী আব্দুল বারিক সোহেল বলেন, প্রযুক্তির যুগে এটা স্বাভাবিক বিষয়। এসএমএস বা কল করে, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তারা নিজেদের ইশতেহার তুলে ধরছেন। নানা যৌক্তিকতা তুলে ধরে নিজেদের পক্ষে ভোট চাইছেন। প্রত্যেক ভোটার তাদের নিজেদের পছন্দের প্রার্থীকে ভোট দেবেন। আশা করছি, শান্তিপূর্ণভাবেই এবারের নির্বাচন সম্পন্ন হবে।

জামাল উদ্দিন রাজু নামের একজন বলেন, পোস্টারিং করে নগরকে অপরিচ্ছন্ন করার পাশাপাশি নির্বাচনের প্রচারণার নামে চলছে ভয়াবহ শব্দদূষণ। বিভিন্ন গানের প‌্যারোডি করে তৈরি করা হয়েছে নির্বাচনী গান। সুর বিকৃত ও কথা পরিবর্তনের ফলে সেখানে গানের কপিরাইট আইনও লঙ্ঘিত হচ্ছে। সে হিসেবে প্রযুক্তির এ যুগে অনলাইনে প্রচার চালানোই ঠিক আছে।

মাহমুদুল নামের আরেক শিক্ষার্থী বলেন, ডিজিটাল যুগের নগরপিতার মধ্যে অ্যানালগ চিন্তা থাকলে চলবে না।