টি-টোয়েন্টিতে আমার সেরা বোলিং: ওয়াহাব রিয়াজ

আপডেটঃ ১০:২৬ পূর্বাহ্ণ | ডিসেম্বর ৩১, ২০১৯

ক্রীড়া প্রতিবেদক : কামরুল ইসলাম রাব্বীকে ফেরাতে স্লোয়ার দিয়েছিলেন ওয়াহাব রিয়াজ।

টাইমিংয়ে গড়বড় করে বোল্ড রাব্বী। দুহাত প্রসারিত করে উল্লাস পাকিস্তানি ক্রিকেটারের। মুখে প্রাপ্তির ঝিলিক। সৃষ্টিকর্তার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশে করলেন সিজদাহ। চুমু আঁকলেন মিরপুরের ২২ গজে। কেন আঁকবেন না?

এখানেই যে পেলেন ক্যারিয়ার সেরা টি-টোয়েন্টি বোলিং। ৩.৪-১-৮-৫। যেকোনো বোলারের অরাধ্য বোলিং স্পেল। ঢাকা প্লাটুনের এ পেসারের করা ২২ বলের ১৬টিতে কোনো রান নিতে পারেনি রাজশাহী রয়্যালসের ব্যাটসম্যানরা। তাইতো উল্লাসে ফেটে পড়লেন দ্রুতগতির বোলার। প্রথম ওভারে কোনো রান দিয়ে তিন উইকেট। দ্বিতীয় ওভারে আবার উইকেট। তৃতীয় ওভারে ছিলেন উইকেটশূন্য। শেষ ওভারে হাতছানি দিচ্ছিল টি-টোয়েন্টির দ্বিতীয় পাঁচ উইকেটের। চতু্র্থ বলে এসে যায় সেই মাহেন্দ্রক্ষণ।

রাব্বীর উইকেটে ওয়াহাব রিয়াজ পেয়ে যান পাঁচ উইকেট। সেই সাথে ম্যাচ সেরার পুরস্কার। ম্যাচের পর নিজের আবেগ লুকাতে পারেননি এ পেসার।

‘হ্যাঁ এটা অবশ্যই টি-টোয়েন্টিতে আমার সেরা বোলিং। যখন ধারাবাহিক উইকেট পাওয়া যায় তখন অবশ্যই ভালো অনুভব হয়। টি-টোয়েন্টিতে অবশ্যই এটা সেরা বোলিং হয়ে থাকবে।’ এর আগে ১৭ রানে ৫ উইকেট নিয়েছিলেন পাকিস্তানের ঘরোয়া টি-টোয়েন্টিতে।

ওয়াহাব রিয়াজ যখন বোলিংয়ে এসেছিলেন তখন ১৭৫ রান তাড়া করতে নেমে রাজশাহীর রান ৩ ওভারে ৩৯। চতুর্থ ওভারে বল নিয়ে ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দেন। এরপর ঢাকার সাথে পেরে উঠেনি রাজশাহী। বোলিং পরিকল্পনা জানাতে গিয়ে ওয়াহাব বলেছেন, ‘উইকেট পেস বোলারদের অনেক সাহায্য করছিল। আমি আমার পরিকল্পনায় স্থির ছিলাম। স্বস্তি অনুভব করছিলাম। উইকেট টু উইকেট বোলিং করে গিয়েছি। বাকিটা ব্যাটসম্যানরা করেছে (হাসি)। ’

ম্যাচ শেষে তামিম ও ওয়াহাবকে দীর্ঘক্ষণ কথা বলতে দেখা গেছে।  খুনসুঁটিতে মেতে ছিলেন তারা।  কি কথা হচ্ছিল দুজনের। জানতে চাইলে ওয়াহাব বলেন,‘বিশেষ কিছু নয়। আমাকে এক-দুই ম্যাচের জন্য দেশে ফিরতে হচ্ছে। তামিমকে বলছিলাম আমাকে ছাড়া ম্যাচ খেল। আমি আবার তোমাদের সঙ্গে যোগ দেব।’

ব্যক্তিগত কাজে পাকিস্তানে ফিরতে হচ্ছে এ বোলাররা। দ্রুতই আবার বাংলাদেশে আসার কথা তার।