১৪ পেঁয়াজ আমদানিকারককে জিজ্ঞাসাবাদ

আপডেটঃ ২:৪৭ অপরাহ্ণ | নভেম্বর ২৫, ২০১৯

নিজস্ব প্রতিবেদক :নিয়ন্ত্রণহীন পেঁয়াজের বাজারের প্রকৃত রহস্য উদঘাটনে ১৪ পেঁয়াজ আমদানিকারককে জিজ্ঞাসাবাদ করছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের আওতাধীন শুল্ক গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তর।

সোমবার সকাল সাড়ে ১০টায় কাকরাইলে প্রধান কার্যালয়ে আমদানিকারকদের জিজ্ঞাসাবাদ শুরু হয়। শুল্ক গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ড. সহিদুল ইসলাম  বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

যে সব আমদানিকারক প্রতিষ্ঠানের কর্ণধারদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে তা হলো- নবাবগঞ্জের মেসার্স টিএম এন্টারপ্রাইজ, একতা শস্যভাণ্ডার ও মেসার্স বিএইচ ট্রেডিং অ্যান্ড কোম্পানি, থানা রোডের মেসার্স দিপা এন্টারপ্রাইজ, চাঁপাইনবাবগঞ্জের মেসার্স আরএম এগ্রো, আলি রাইস মিল, মেসার্স সাজ্জাদ এন্টারপ্রাইজ ও মেসার্স নূর এন্টারপ্রাইজ, নওগাঁর জগদিশ চন্দ্র রায়, রাজশাহীর মেসার্স ফুল মোহাম্মদ ট্রেডার্স, সাতক্ষীরার মেসার্স ফারাহ ইন্টারন্যাশনাল, বগুড়ার মেসার্স সুমাইয়া এন্টারপ্রাইজ, তালপট্রির হামিদ এন্টারপ্রাইজ ও হিলির খান টেডার্স।

২৬ নভেম্বর জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে আরো ২৭ আমদানিকারকে। এর আগে কৃত্রিম সংকট সৃষ্টিকারী অসাধু ব্যবসায়ীদের চিহ্নিত করতে ৩৩২ পেঁয়াজ আমদানিকারকদের তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহ করে শুল্ক গোয়েন্দা।

এনবিআর সূত্রে জানা যায়, বাংলাবান্ধা, বেনাপোল, ভোমরা, হিলি, সোনা মসজিদ, টেকনাফ, চট্টগ্রাম ও ঢাকা কাস্টম হাউজ দিয়ে চলতি বছরের আগস্ট থেকে ১৮ নভেম্বর পর্যন্ত পেঁয়াজ আমদানি হয়েছে ১৬৭ হাজার ৮০৬ দশমিক ৪৭ মেট্রিক টন। তারপরও অতিরিক্ত মূল্যের লাগাম টেনে ধরা যাচ্ছে না। অনেক আমদানিকারকের বিরুদ্ধে কৃত্রিম সংকট সৃষ্টির উদ্দেশ্যে আমদানিকৃত পেঁয়াজ অবৈধভাবে মজুত করার অভিযোগ ওঠে। এ ছাড়া রয়েছে মানিলন্ডারিংয়েরও অভিযোগ।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে শুল্ক গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ড. সহিদুল ইসলাম  বলেন, ‘বাজারে পেঁয়াজের কৃত্রিম সংকট সৃষ্টির মাধ্যমে যেসব ব্যবসায়ী একটি অস্থিতিশীল পরিবেশ তৈরির চেষ্টা করেছে আমরা মূলত তাদের চিহ্নিত করার চেষ্টা করছি। এখনই কারো নাম উল্লেখ করার মতো সময় হয়নি। তথ্য-উপাত্ত ও আমদানিকারকদের বক্তব্য নিতে পারলে এ বিষয়ে পরিষ্কার ধারণা পাওয়া যাবে। তবে দোষী অসাধু ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে।’