রৌমারীতে একটি ব্রিজের অভাবে ১০ গ্রামের ৫০ হাজার মানুষের চরম দূর্ভোগ

আপডেটঃ ১০:৫৪ অপরাহ্ণ | নভেম্বর ২০, ২০১৯

রৌমারী (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধিঃ রৌমারীতে একটি ব্রিজের অভাবে ১০ গ্রামের ৫০ হাজার মানুষ চরম দূর্ভোগে পড়েছে। দেশ স্বাধীনের ৪৮ বছর অতিবাহিত হলেও উন্নয়নের ছোঁয়া লাগেনি ওই অ লে। এলাকাটি সীমান্তবর্তি হওয়ায় অবহেলা অযতেœ দূর্ভোগের শিকার। কুড়িগ্রামের রৌমারী উপজেলার যাদুরচর ইউনিয়নের, সীমান্তবর্তি এলাকা চর লাঠিয়াল ডাঙ্গা গ্রামের পাশ^ দিয়ে বয়ে যাওয়া জিনজিরাম নদী দ্বারা বিচ্ছিন্ন ১০টি গ্রাম। গ্রাম গুলি খেয়ারচর, চুলিয়ারচর, আলগারচর, লাঠিয়াল ডাঙ্গা, চর লাঠিয়াল ডাঙ্গা, বাগানবাড়ী, ও বালিয়ামারী, নয়াপাড়া।এই অ লের মানুষের জিনজিরাম নদীর উপর দিয়ে পারা পারের একমাত্র মাধ্যম বাঁশেরসাকো। এলাকাটি উপজেলা শহর হতে ২০কিলোমিটার দক্ষিণ পূর্বা লীয় সীমান্তঘেষা।
উপজেলা শহর থেকে দক্ষিণ পূর্বা লীয় সীমান্তবর্তি ১০টি গ্রামের দূরত্ব প্রায় ২০ কিলোমিটার।
এলাকার ৫০ হাজার মানুষের দূর্ভোগ লাঘবে প্রতিবছর ১০ গ্রামের মানুষ স্বেচ্ছা-শ্রমে নিজস্ব অর্থায়নে বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করে যাতায়াত করে থাকে। প্রতিনিয়ত কোমলমতি স্কুল-কলেজ পড়–য়া ছাত্রছাত্রিরা জীবনের ঝুকি নিয়ে কখনো বাঁশের সাকো, ডিঙ্গি নৌকা, কলাগাছের ভেলায় ও নানা উপায়ে নদী পারাপার হয়ে থাকে। এমনকি যোগাযোগ সড়কের অভাবে ওই অ লের কৃষক ফসলের ন্যায্যমূল্য পায়না।
সরেজমিনে ওই অ লের মানুষের সাথে সাক্ষাৎকারে জানাযায়, নির্বাচন এলেই প্রার্থীরা উন্নয়নের জোওয়ার বয়ে দেওয়ার প্রতিশ্রুতির ফুলঝুরি গেয়ে যায়। নির্বাচন শেষে তাদের মাঠে দেখা যায়না। সীমান্ত ঘেষা মানুষ গুলো জিনজিরাম নদ দ্বাড়া যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন আতংকিত জীবন যাপন করে থাকেন। সীমান্তে দূর্ঘটনা ঘটলেও অতিসহজে দূরুত পুলিশ, বিজিবি ঘটনা স্থলে যেতে পারেনা।

এব্যাপারে আলহাজ¦ হাছেন আলী (৯০), মুক্তিযোদ্ধা আজিম উদ্দিন (৮৫), বানেছা খাতুন (৮০), তোফাজ্জল হক, আঃ ছাত্তার দেওয়ানী (৯৫), চর পাহার তলী প্রাথমকি বিদ্যালয়ের শিক্ষিকা রাসিদা খাতুন (৫৫), আব্দুল মজিদ (৬৬),লাল চানঁ (৫৫)সহ আরও অনেকেই জানান দেশ স্বাধীনের ৪৮ বছর অতিবাহিত হতে যাচ্ছে। কিন্ত আমাদের এ অ লে একটি ব্রীজের দাবীতে বারবার আর্কুতি জানালেও তা কোন কাজে আসেনি।

এব্যাপারে রৌমারী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আল ইমরান বলেন , বিষয়টি আমি শুনেছি , এনিয়ে উপজেলা সমন্বয় সভায় আলোচনা করা হবে।