গাজীপুরের মুরগির বিষ্ঠা (লিটার) ফেলে ফসলি জমি নষ্ট! দুর্গন্ধে স্বাস্থ্যঝুকিতে গ্রামবাসি

আপডেটঃ ৬:১৩ অপরাহ্ণ | সেপ্টেম্বর ০৮, ২০১৯

 সি এন এ নিউজ,গাজীপুর : গাজীপুরের কাপাসিয়া উপজেলার ভাওয়াল চাদঁপুর ইউনিয়নের জালিসা গ্রামেরর মোক্তাজুল ইসলাম সেলিম তার বসত বাড়ির পার্শ্বে মুরগির খামারের নিয়ম অনুসারে বিষ্ঠা (লিটার) সংরক্ষনের ব্যবস্থা না করেই ওই খামরি নিয়ম বর্হিভূত ভাবে একটি পোলট্রি খামারীতে ৪হাজার লেয়ার মুরগির পালন করেছে আ্সছিল। ওই খামারির মুরগির বিষ্ঠা (লিটার) ও মরা মুরগি তার নির্ধারিত জায়গায় না ফেলে দীর্ঘদিন যাবত জোরপূর্বক প্রতিবেশীদের জমিতে ফেলে প্রায় ১০/১২ বিঘা ফসলি জমি নষ্ট করে ফেলেছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। শুধু তাই নয় উম্মুক্ত জায়গায় বিষ্ঠ (লিটার) ফেলায় দুর্গন্ধে এলাকার বাতাস দূষিত হয়ে নষ্ঠ হচ্ছে এলাকার পরিবেশ।
এ ব্যাপারে অভিযুক্ত মোক্তাজুল ইসলাম সেলিম জানান, উপজেলার চেয়ারম্যান ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে আমাকে দ্রুত মানুষের জমি থেকে ময়লা সরিয়ে নিতে বলেছেন। আমার ভূল হয়েছে আগেই ময়লা সরিয়ে নেওয়া দরকার ছিল। কিছুদিনের মধ্যে ময়লা সরিয়ে নিবো।
এ ব্যাপারে কাপাসিয়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার ইসমত আারা অভিযোগের সততা স্বীকার করেন কলেন- অভিযোগ পেয়ে প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা আনিছুর রহমানকে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে দ্রুত প্রতিবেদন দিতে বলেছি।
এ ব্যাপারে গ্রামবাসি অনতিবিলম্বে ওই খামারটি বন্ধ করে পরিবেশ দূষণ মুক্ত, ও স্বাস্থ্যঝুকি থেকে এলাকাবাসি রক্ষা করতে ৫সেপ্টেম্বর বৃহস্পতিবার কাপাসিয়া উপজেলা নিবার্হী অফিসার ইসমত আরা এর নিকটসহ উপজেলা চেয়ারম্যান, কৃষিকর্মকর্তা, প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ও স্বাস্থ্য কর্মকর্তার নিকট গণস্বাক্ষরিত লিখিত অভিযোগ দেন।
লিটারের দুর্গন্ধে আশে-পাশের অনেকেই নিজ বাড়ি ছেড়ে অন্যস্থানে ভাড়া বাড়িতে থাকছেন বলেও জানাগেছে। সামান্য বৃষ্টি ও রোদের তাপে লিটারের দুর্গন্ধ ্এতো ভয়াবহ হয়, যার ফলে নারী, শিশুসহ ও এলাকার লোকজন স্বাস্থ্যঝুকিতে রয়েছেন। এমনকি কোমলমতি শিক্ষার্থীরা অসুস্থ্য হয়ে যাওয়া লেখা পড়া বিঘœ সৃষ্টি হচ্ছে ।
এ ব্যাপারে ভুক্তভোগী মোশারফ হোসেন, মোতাহার হোসেন, রাশিদুল ইসলাম, রফিকুল ইসলাম পালোয়ান, রোকেয়া আক্তার, রেজিয়া বেগম, আয়েশা আক্তার, খাদিজা বেগম, বাবুল দর্জী, নাজমুল দর্জী, মনির হোসেন, ওবায়দুল্লাহ, জাহাঙ্গীর দর্জী, রোমান মিয়া, মোমেন দর্জী, আহাম্মদ আলী, সাইফুল ইসলামসহ এলাকার একাধিক ব্যক্তি জানান, একই গ্রামের মৃত আব্দুল লতিফ পালোয়ানের ছেলে মোক্তাজুল ইসলাম সেলিম ক্ষমতার দাপট দেখিয়ে জোর পূর্বকভাবে ৪ হাজার মুরগির লিটার ফেলে আমাদের ফসলি জমি (কৃষি জমি) চাষাবাদের অনুপোযুগি করে ফেলে। আমরা প্রায় ১০ বছর যাবত এসব জমিতে চাষাবাদ করতে পারছিনা । লিটারের ময়লা থেকে বিভিন্ন পোকা-মাকড় জন্মে ও খামরের দূর্গন্ধে বাতাস দূষিত হয়ে এলাকার পরিবেশ দুষিত হচ্ছে। যার ফলে গ্রামের ছেলে মেয়েরা জ্বর, আমাশয়, টাইফয়েড,জন্ডিসসহ বিভিন্নরোগে আক্রান্ত হয়ে অনেকেই হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে।
আরো জানান, আমাদের জমিতে লিটার ফেলতে নিষেধ করলে হত্যার-হুমকিসহ অশ্লীল গালিগালাজ করে সে। পরে বিষয়টি আমরা স্থানীয় মেম্বার ইসহাক সরকার, চেয়ারম্যানসহ এলাকর গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গদের জানালে বিষয়টি নিয়ে একাধিকবার বিচার সালিশে বসলেও কোনো তোয়াক্কা করছে না ওই খামারি সেলিম পালোয়ান।