আপিল শুনানিতে যা বললেন ছাত্রদল নেতারা

আপডেটঃ ১০:০৪ পূর্বাহ্ণ | আগস্ট ৩০, ২০১৯

নিজস্ব প্রতিবেদক:ছাত্রদলের ষষ্ঠ কাউন্সিলের আপিল কমিটির শুনানিতে অংশগ্রহণ করেছেন মনোনয়ন বাতিল হওয়া ছাত্রনেতারা।

বৃহস্পতিবার রাজধানীর গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে এ শুনানি অনুষ্ঠিত হয়।

এসময়ে উপস্থিত ছিলেন আপিল কমিটির আহ্বায়ক ও বিএনপির ভাইস-চেয়ারম্যান শামসুজ্জামান দুদু, বিশেষ সম্পাদক ড. আসাদুজ্জামান রিপন।

শুরুতে ছাত্রদলের সভাপতি প্রার্থী ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের সভাপতি আল মেহেদী তালুকদার শুনানিতে অংশ নেন।

বৈবাহিক কারণে তার মনোনয়ন বাতিল করা হয়েছে। তিনি আপিল কমিটির কাছে নিজেকে অবিবাহিত দাবি করেন।

আপিল কমিটিকে তিনি জানান, যাচাই-বাছাই কমিটির কাছে যে কাবিননামা রয়েছে, তা ভুয়া। সেখানে উল্লিখিত নারীর কোন অস্তিত্ব নেই।

আল মেহেদী তালুকদার বলেন, লন্ডনে অবস্থানরত তার একসময়ের বান্ধবীর সঙ্গে সার্চ কমিটির একজন নেতা স্কাইপের মাধ্যমে কথা বলেন। ৪৫ মিনিটের শুনানিতে আপিল কমিটির নেতারা সন্তোষ প্রকাশ করেছেন বলেও তিনি জানান।

সাবেক সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক আসাদুল আলম টিটু জানান, তার নামে বিবাহের অভিযোগ থাকলেও কোন প্রমাণপত্র দেখাতে পারেননি আপিল কমিটির নেতারা। তারা পৃথকভাবে দুইটি ছবি দেখিয়ে অভিযোগ প্রমাণের চেষ্টা করেছেন। এর বাইরে মৌখিক কথার উপর ভিত্তি করে তার মনোনয়ন বাতিল করা হয়েছে বলে আপিল কমিটিকে জানান সভাপতি প্রার্থী টিটু । তিনি বলেন, আপিল কমিটি তাকে মাত্র দেড় থেকে দুই মিনিট সময় দেন। এর মধ্যে নিজের বিরুদ্ধে উত্থাপিত অভিযোগ খন্ডন করেন তিনি।

এই দুইজন প্রার্থীর বাইরে আজিম উদ্দিন মেরাজ ও জুয়েল মৃধা এবং সাধারণ সম্পাদক প্রার্থী মোহাম্মদ ওমর ফারুক আপিল শুনানিতে অংশ নেন।

জুয়েল মৃধা বলেন, তিনি সবচেয়ে বেশি নির্যাতিত। তার বিরুদ্ধে সবচেয়ে বেশি মামলা রয়েছে। একেবারে ছোট-খাট মৌখিক অভিযোগে তার প্রার্থীতা বাতিল হয়েছে। আপিল অংশ নিয়ে তিনি সে বিষয়ে আপিল কমিটিকে নিজের পক্ষে বৈধতার প্রমাণ দিয়েছেন। তিনি আশাবাদী, বিগত দিনে আন্দোলন সংগ্রামে সক্রিয় থাকায় দল তার ত্যাগের মূল্যায়ন করবে এবং প্রার্থীতা ফিরে পাবেন।

গত মঙ্গলবার কাউন্সিলের জন্য গঠিত যাচাই-বাছাই কমিটি ছাত্রদলের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক প্রার্থীদের মধ্যে ২৯ জনের মনোনয়ন বাতিল করেন। এদের মধ্যে বুধবার ১৫ জন আপিল করেন। শুক্রবারও আপিল শুনানি আছে।