বর্ষা কারো মুগ্ধতা, কারো বিরক্তি

আপডেটঃ ৯:৪২ পূর্বাহ্ণ | আগস্ট ২০, ২০১৯

বিনোদন ডেস্ক:‘এই মেঘলা দিনে একলা ঘরে থাকে না তো মন/ কাছে যাব কবে পাব/ ওগো তোমার নিমন্ত্রণ/ যূথী বনে ওই হাওয়া/ করে শুধু আসা যাওয়া/ হায় হায় রে দিন যায় রে/ ভরে আঁধারে ভুবন/ শুধু ঝরে ঝরঝর আজ বারি সারাদিন/ আজ যেন মেঘে মেঘে হলো মন যে উদাসীন’—হেমন্ত মুখোপাধ্যায়ের গাওয়া গানটি বর্ষাপ্রেমী যে কারো মনকে উসকে দিতে পারে।

কিন্তু বর্ষা ঋতু যে সবার পছন্দ হবে তারও কোনো মানে নেই। ভারতের জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী অনুপম রায় বর্ষা ঋতু পছন্দ করেন না। তার ভাষায়, ‘ছুটি থাকলে অন্য কথা। কিন্তু রাস্তায় বেরুতে হলেই হয়ে গেল! জল-কাদা, ট্র্যাফিক জ্যাম। বেশ নোংরা ব্যাপার হয়ে থাকে।’

টলিউডের জনপ্রিয় অভিনেত্রী মিমি চক্রবর্তীর কাছে আবার ভিন্ন কথা। বর্ষা তার ভীষণ প্রিয় ঋতু। ভারতের জলপাইগুড়িতে কেটেছে তার শৈশব। ছোটবেলায় বৃষ্টির সঙ্গে কাটানো সময় আজও খুব মিস করেন তিনি। তার ভাষায়—বৃষ্টির রোমান্টিকতা কী অস্বীকার করা যায়?  মিমি এখন সাংসদ। তাই বাড়িতে বসে অঝোর ধারা উপভোগ করার উপায় নেই। যেমন—গত শনিবার বৃষ্টি উপেক্ষা করেই বেরিয়ে পড়েছিলেন নিজের এলাকায়। খোঁজ নিয়েছেন সব ঠিক আছে কি না। সমস্যা থাকলে তা সমাধানের চেষ্টা করেছেন এই নায়িকা।

বৃষ্টি নিয়ে মিশ্র অনুভূতি টলিউড অভিনেত্রী তনুশ্রী চক্রবর্তীর। তিনি বলেন, ‘বর্ষা খুবই ভালোবাসি। তবে জল পেরিয়ে কাজে যেতে হলে ভালো লাগে না।’ ছোটবেলার স্মৃতিচারণ করে তনুশ্রী বলেন, ‘স্কুলবাস যেখানে নামাতো, সেখান থেকে বাড়ি অবধি চুপচুপে ভিজে ফিরতাম। ছাতা সঙ্গে থাকলেও নায়িকাদের মতো করে সেটা হেলিয়ে দুলিয়ে নিতাম, যাতে ভালো করে ভিজতে পারি। তারপর বাড়ি ফিরেই মায়ের কাছে দুমদাম মার খেতাম।’ বর্ষায় ইলিশ কেনার স্মৃতিচারণ করে তনুশ্রী বলেন, ‘একবার বাংলাদেশ থেকে ইলিশ কিনে ফিরছিলাম। তবে কলকাতায় এমন বৃষ্টি ছিল যে, প্লেন ল্যান্ড করতে পারল না। আবার বাংলাদেশ ফিরে গেল। সেবার খুব মন খারাপ হয়েছিল।’

তবে বৃষ্টি নিয়ে অভিনেত্রী রাইমা সেনের তেমন বিশেষ কোনো অনুভূতি নেই। কিন্তু বৃষ্টির দিনে কাজে না যেতে হলে ভালো হয়। তার ভাষায়— কোথাও গিয়ে বন্ধুদের সঙ্গে আড্ডা দেওয়া নয়তো বাড়িতে বসে নেটফ্লিক্স দেখা। আর হ্যাঁ, বৃষ্টিতে ড্রাইভে যেতে ভালো লাগে।