বৈধ হলো ১৭৫ কোটি টাকার সোনা

আপডেটঃ ৮:৫২ পূর্বাহ্ণ | জুন ২৬, ২০১৯

অর্থনৈতিক প্রতিবেদক: দেশে প্রথমবারের মতে অনুষ্ঠিত ‘স্বর্ণ মেলায়’ অবৈধ ১৭৫ কোটি টাকার সোনা, রুপা এবং ডায়মন্ড বৈধ করেছেন ব্যবসায়ীরা।

তিনদিন ব্যাপী স্বর্ণ মেলার সমাপনী অনুষ্ঠানে মঙ্গলবার বাংলাদেশ জুয়েলারি অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক দিলীপ কুমার আগারওয়াল এ তথ্য জানান।

স্বর্ণ মেলায় এখন পর্যন্ত  ১২০০ মানুষ তাদের ডায়মন্ড, সোনা ও রুপা বৈধ করতে এসেছেন। আজকে মেলার শেষ দিনে এক হাজার লোক ডায়মন্ড, সোনা ও রুপা বৈধ করেন। মেলায় এখন পর্যন্ত ১৭৫ কোটি টাকার সোনা বৈধ হয়েছে। ।তিনদিন ব্যাপী এই মেলা রাজধানী ঢাকার ইন্টারকন্টিনেন্টাল হোটেলসহ দেশের ৮ টি বিভাগে অনুষ্ঠিত হয়। এনবিআর ও বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস) যৌথভাবে মেলার আয়োজন করে। এর আগে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড, এনবিআরের চেয়ারম্যান মোশাররফ হোসেন ভূঁইয়া বলেন, আগামী ৩০ জুনের মধ্যে ৩০০ কোটি টাকার কর আদায় হবে বলে আশা করছি।

প্রথমবারের মতো আয়োজিত স্বর্ণমেলার প্রথম দুই দিনে প্রায় ৫১ কোটি টাকার সোনা, রূপা ও ডায়মন্ড বৈধ করে ব্যবসায়ীরা। আর মেলার প্রথমদিনে ২৫ কোটি টাকার স্বর্ণ বৈধ করে ব্যবসায়ীরা।

গত ২৩ জুন সকালে মেলার উদ্বোধন করেন এনবিআরের চেয়ারম্যান মোশাররফ হোসেন ভূঁইয়া। তিনি বলেন, ‘তৈ‌রি পোশাক ও চামড়া শি‌ল্পের মত যারা স্ব‌র্ণের কাঁচামাল রপ্তানির উ‌দ্দে‌শ্যে আমদা‌নি কর‌বে তা‌দের বন্ড সু‌বিধা ‌দেওয়া হ‌বে। যারা বন্ড সু‌বিধা পা‌বেন তাদের আমদানি করা সব স্বর্ণ রপ্তানি কর‌তে হ‌বে। শর্ত হলো বন্ড সু‌বিধায় আনা স্বর্ণ খোলা বাজা‌রে বি‌ক্রি করা যা‌বে না।

মেলায় মোট ২০টি বুথ ছিল। এর মধ্যে কর দেয়ার জন্য বেসিক ব্যাংক ও সোনালী ব্যাংকের পৃথক বুথ রয়েছে। তিনব্যাপী আয়োজিত মেলায় স্বর্ণব্যবসায়ীরা কর দিয়ে তাদের কাছে মজুদকৃত স্বর্ণের ঘোষণা দিচ্ছেন। স্বর্ণ বৈধ করতে প্রতি ভরি সোনা ও সোনার অলঙ্কারে ১ হাজার টাকা, প্রতি ক্যারেট কাট ও পোলিশড ডায়মন্ডে ৬ হাজার টাকা এবং প্রতি ভরি রুপায় ৫০ টাকা আয়কর দিতে হবে। এই সুযোগ ৩০ জুন পর্যন্ত বহাল থাকবে।