নরসিংদীর মনোহরদীতে ইটভাটা থেকে সিএনজি চালকের মৃতদেহ উদ্ধার থানায় মামলা দায়ের, আটক ১

আপডেটঃ ১০:৩৯ পূর্বাহ্ণ | জুন ১২, ২০১৯

এম.এ.সালাম রানা,নরসিংদী:নরসিংদীর মনোহরদী উপজেলার ঐতিহ্যবাহী হাতিরদীয়া বাজারের উত্তর পাশেও বক্ষপুত্র নদীর তীরে বিজিএল ইটভাটা থেকে বাকপ্রতিবন্ধীর এক মাত্র পুত্র  শেখ শাহিন (২৭) নামের এক সিএনজি চালকের মৃতদেহ উদ্ধার করেছে থানা পুলিশ।এ ঘটনায় সিএনজি চালক শেখ শাহিনের মা বাদী হয়ে  থানায়  হত্যা মামলা দায়ের করেন।এ হত্যা মামলায় সিএনজি চালক অপু (২৬) নামে এক জনকে আটক করেন মনোহরদী থানা পুলিশ।সোমবার সকালে উপজেলার শুকুন্দী ইউনিয়নের দশদোনা এলাকার বক্ষপুত্র নদীর তীরে বিজিএল ইটভাটার পরিত্যক্ত ঘর থেকে মৃতদেহটি উদ্ধার করেন পুলিশ।সিএনজি চালক শেখ শাহিন একদুয়ারিয়া ইউনিয়নের রসুলপুর গ্রামের হতদরিদ্র বাকপ্রতিবন্ধী শেখ মিলনের এক মাত্র পুত্র।পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সোমবার সকালে স্থানীয় কয়েকজন মহিলা ইটভাটা ও তার আশপাশে লাকড়ি (জ্বালানি কাঠ) কুড়াতে আসে।একপর্যায়ে ইটভাটার শ্রমিকদের থাকার জন্য নির্মিত পরিত্যক্ত ঘরে যুবকের মৃতদেহ দেখতে পেয়ে এলাকাবাসীকে সংবাদ দেয়।সংবাদ পেয়ে ইটভাটার কর্তৃপক্ষসহ এলাকাবাসী এগিয়ে এসে মৃতদেহ দেখতে পেয়ে মনোহরদী থানা পুলিশকে সংবাদ দেয়।সংবাদ পেয়ে ঘটনাস্থল থেকে  পুলিশ সিএনজি চালকের মৃতদেহটি উদ্ধার করে।শেখ শাহিনের মা মরিয়ম বেগম সাংবাদিকদের বলেন,শনিবার বিকেল ৫ টায় বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে যায় একই গ্রামের মাহবুব ওরফে( মাবুর) ছেলে অপু।সেই থেকে নিখোঁজ হয় আমার এক মাত্র ছেলে শাহিন।নিহত শাহিনের মা আরো বলেন, আমার পুত্রকে মেরে ফেলা হয়েছে।আমার ছেলের লাশ পাওয়ার দিন অপুকে আটক করে পুলিশ।এটা পূর্ব পরিকল্পিত হত্যা।আমি বাদী হয়ে থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেছি।আমার ছেলে হত্যার বিচার চাই।মনোহরদী থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মীর সোহেল রানা সাংবাদিকদের বলেন, সংবাদ পেয়ে সঙ্গীয় পুলিশ নিয়ে দশদোনার বিজিএল ইটভাটার পরিত্যক্ত ঘর থেকে মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।মৃতদেহের পাশে কয়েকটি ইয়াবা ও নেশা জাতীয় সিরাপের বোতল পাওয়া গেছে।প্রাথমিক তদন্তে হত্যার কোনো আলামত পাওয়া যায়নি।মনোহরদী থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ মনিরুজ্জামান বলেন,শরীরে কোথাও কোন জখম পাওয়া যায়নি।তবে মায়নাতদন্ত রিপোর্ট এলে বলা যাবে।নিহত শাহিনের মা বাদী হয়ে থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেছে।এ ঘটনায় অপু নামে এক জনকে আটক করা হয়েছে।