আটপাড়ায় ১শ ৫৪ আশ্রয়হীন পরিবারকে ঘর দিয়েছেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

আপডেটঃ ১২:১৩ পূর্বাহ্ণ | মে ২২, ২০১৯

মোনায়েম খান, সি এন এ নিউজ, নেত্রকোনা: জেলার আটপাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মাসুদা আক্তারের দক্ষতায় প্রতিনিয়ত পাল্টে যায় উপজেলার চিত্র। প্রধানমন্ত্রীর ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে আটপাড়া উপজেলা প্রশাসনের দক্ষতা ও যোগ্যতা নজর কেড়েছে সকল মানুষের। সঠিক সমাজ বির্নিমানে স্কুল কলেজের শিক্ষার্থীদের মাদকমুক্ত রাখা, যৌতুক বাল্যবিয়েসহ যৌন হয়রানি রোধে সাফল্যের সঙ্গে বাস্তবায়ন ও দায়িত্ব তদারকি করেন তিনি। বিশেষ করে উপজেলায় জমি আছে, ঘর নেইএমন মানুষকে ঘর তৈরি করে দেওয়া সততার সঙ্গে কাজ করে সবার মন জয় করেছেন তিনি।
নেত্রকোনায় ২০১৭-২০১৮ অর্থবছরে যার জমি আছে ঘর নেই, তার নিজ জমিতে গৃহ নির্মাণ প্রকল্পের আওতায় প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ অগ্রধিকার ভিত্তিতে জেলার আটপাড়া উপজেলায় সাতটি ইউনিয়নে সরকারি ও সঠিকভাবে নির্মিত হয়েছে নতুন বসত ঘর। এক লক্ষ টাকা ব্যয় নির্ধারিত নির্মিত গৃহগুলোতে বসবাস করছে আশ্রয়হীন পরিবারের সদস্যরা। প্রধানমন্ত্রীর উপহার পেয়েছেন জেলার আটপাড়ায় ১শ ৫৪টিআশ্রয়হীন অসহায় দরিদ্র পরিবার। সরকারি গৃহ সহায়তা পেয়ে খুশি ওই সমস্ত পরিবারগুলো।
্ কথা হয় প্রধানমন্ত্রীর দেয়া বরাদ্দের ঘর পাওয়া একাধিক ব্যক্তির সাথে। এর মধ্যে উপজেলার বানিয়াজান গ্রামের পাচঁ সন্তানের জননী সফুরন বেগম দীর্ঘদিন ধরে নিজের ঘর না থাকায় প্রাকৃতিক দুর্যোগের সাথে মোকাবেলা করেছেন। সরকারি সহায়তার ঘর পেয়ে এখন শান্তিতে বসবাস করছেন তিনি। তার মতো আর এক নারী উপজেলার শুনই গ্রামের পারভিন আক্তার মুড়ি বিক্রেতা স্বামী ও সন্তানদের নিয়ে ঝড় বৃষ্টিতে খুব কষ্টে জীবন যাপন করলেও ঘর পেয়ে হাসিঁ ফুটেছে পরিবারটির মূখে। অপরদিকে উপজেলার পাচঁগাও গ্রামের মিনা রবিদাস তার পরিবারের সদস্যদের নিয়ে মগড়া নদীর তীর ঘেষে বন্যা খরা প্রাকৃতিক দুর্যোগ ছিল তার নৃত্য দিনের সাথী। সরকারি গৃহ পেয়ে প্রধানমন্ত্রীর প্রতি কৃতজ্ঞতা জানালেন তিনি। নতুন গৃহ পেয়েছেন শুনই গ্রামের উপকারভোগি রফিকুল ইসলাম। তিনি জানান সরকারি এই সহায়তা তাদের নতুন করে বাঁচার স্বপ্ন দেখিয়েছে। এদিকে রূপচন্দপুর গ্রামের নব্বই বছরের বৃদ্ধা লালবানু দীর্ঘদিন ধরে দুঃখে কষ্টে জীবন যাপন করলে জীবনে শেষ প্রান্থে এসে মুখে হাসি ফুটল সরকারি গৃহ সহায়তা পেয়ে।
আটপাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাসুদা আক্তার বলেন, ২০১৭-২০১৮ অর্থবছরে যার জমি আছে ঘর নেই, তার নিজ জমিতে গৃহ নির্মাণ প্রকল্পের আওতায় প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ অগ্রধিকার ভিত্তিতে উপজেলার সাতটি ইউনিয়নে ১শ ৫৪টি বসত ঘর নির্মাণ করা হয়েছে। আটপাড়ার ইউনিয়ন ভূমি কর্মকর্তাদের যাচাই বাচায়ের মাধ্যমে তালিকা তৈরী করে এলাকার অসহায় দরিদ্র গৃহহীন পরিবারের মধ্যে নির্মিত ঘর হস্তান্তর করা হয়। এর মধ্যে স্বরমুশিয়া ইউনিয়নে ২১টি গৃহ, শুনই ইউনিয়নে ১৯টি, লুনেশ্বর ইউনিয়নে ২০টি, বানিয়াজান ইউনিয়নে ২০টি, তেলিগাতী ইউনিয়নে ৩৪টি, দুয়জ ইউনিয়নে ২০টি ও সুখারী ইউনিয়নে ২০টি।