নরসিংদীর হাজিপুরে অসহায় ও হতদরিদ্র ব্যাক্তির সম্পত্তি জোরপূর্বকভাবে দখল করে নিয়েছে আপন ভাই ও চাচাত ভাইয়েরা। সম্পত্তি ফিরে পেতে প্রশাসনের ধারে ধারে বিচার চাইছে সাহজাহান।

আপডেটঃ ৪:৫৫ অপরাহ্ণ | এপ্রিল ০৫, ২০১৬

 

এম,এ সালাম রানা,নরসিংদী:
নরসিংদী সদর উপজেলার মোঃ সাজাহান পাঠান, পিতামৃত: আলী আকবর পাঠান হাজীপুর ইউনিয়নের বদরপুর গ্রামের বাসিন্দা । বিগত ছয় মাস তার ছেলে বিদেশ যাবার জন্য টাকা যোগানের জন্য তার পৈতৃক ও ক্রয়কৃত জমি বিভিন্ন লোকের কাছে বন্দক রাখে। পরবর্তীতে জমি বন্দক গ্রহীতা জমিতে ফসল ফলানোর জন্য জমিতে গেলে তার ভাই মোঃ হান্নান পাঠান, পিতামৃত: আলী আকবর পাঠান ও তার চাচাত ভাই অহিদ পাঠান এবং সহিদ পাঠান, উভয়পিতা: আঃ রউফ পাঠান জোরপূর্বকভাবে বন্দক গ্রহীতাকে জমিতে ফসল না ফলানোর জন্য বাধা প্রদান করে। এতে সাজাহান হাজীপুর ইউনিয়ন পরিষদে নালিশ জানায় । উক্ত নালিশের প্রেক্ষিতে গত ২৯/১২/২০১৫ইং তারিখে হাজীপুর ইউনিয়ন পরিষদের ৯নং ওয়ার্ডের মেম্বার জনাব সাদেকুর রহমান ও ৭নং ওয়ার্ডের জনাব আলতাফ মেম্বার ও এলাকার স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যাক্তিবর্গসহ তার নিজস্ব বাড়িতে নালিশ বসে। নালিশে সকলের উপস্থিতিতে জমির প্রমানপত্র হিসেবে পর্চা, জমির খারিজ, আর,এস পর্চার রেকডর্, মূল দলিল ইত্যাদির প্রেক্ষিতে রায় হয় যে, সাজাহানের নিকট বিবাদী পক্ষ কোন সম্পত্তি পাওনা নাই। বরং সাজাহান বিবাদীগনের নিকট পাওনা আছে এবং বিবাদীগন বাদীর দীর্ঘদিনের দখলকৃত জমি জোরপূর্বক দখল করিয়াছে। বিবাদী পক্ষ এ ব্যাপারে বাদী পক্ষের জমি আর কোন বাধা-নিষেধ দিবে না বলে সকলের উপস্থিতিতে রাজি হয়।পরবর্তীতে পুনরায় আবার উক্ত সম্পত্তি বন্দক গ্রহীতা চাষ করিতে গেলে বিবাদীগণ তাহাদের প্রায় সময়ই কাজকর্মে বাধা প্রদান করিয়া তার জায়গা জমি দখল করার অপচেষ্টা করিয়া আসিতেছে। উক্ত বিষয়ে প্রকাশ্যে বিবাদীগণ সাজাহান ও তার পরিবারের লোকজনদের হুমকি প্রদান করে এবং জানায় যে, সময় সুযোগমত পাইলে তাকে ও তার পরিবারের লোকজনদের বড় ধরনের ক্ষতি সাধন করিবে। উক্ত বিষয়ে এলকার গণ্যমান্য ব্যাক্তিবর্গের পরামর্শে আমার ভবিষ্যতের জন্য গত ১৭/১২/২০১৫ইং তারিখ নরসিংদী মডেল থানায় আমি বাদী হয়ে একটি সাধারন ডায়েরী করে যার জিডি নং-১০১২। দরিদ্র সংসারে ছেলে-মেয়ে পরিবার- পরিজন নিয়ে নিদারুন অভাব অনটনের মধ্যে দিয়ে জিবীকা নির্বাহ করে আসছে। পৈতৃক ও ক্রয়কৃত সম্পত্তির অধিকার সামাজিক এবং আইনানুগ প্রক্রিয়া বিদ্ধমান থাকলেও তার নিজস্ব সম্পত্তিতে কোন ফসলতো দূরের কথা জমির কাছে যেতে পারছেনা।তার সম্পত্তি ফিরে পাওয়ার লক্ষ্যে সাহজাহান প্রশাসনের ধারে ধারে ঘুরে বেড়াচ্ছে।