ঝিনাইদহে আ’লীগের দুই গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষ একজন গুলিবিদ্ধ-আহত ১৫ !

আপডেটঃ ৬:৫০ অপরাহ্ণ | এপ্রিল ০৪, ২০১৬

জাহিদুর রহমান তারিক,ঝিনাইদহ:
ঝিনাইদহে নির্বাচনে প্রভাব বিস্তারকে কেন্দ্র করে ঝিনাইদহে আওয়ামীলীগের দুই গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষে একজন গুলিবিদ্ধসহ কমপক্ষে ১৫ জন আহত হয়েছেন। ঝিনাইদহ সদর উপজেলার কলমনখালী গ্রামে সোমবার সকালে এই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনতে ১২ রাউন্ড গুলি চালায়। এতে মধুনাথপুর গ্রামের আকবর আলীর ছেলে মফিজ উদ্দীন (৪৫) গুলিবিদ্ধসহ ইটপাটকেলের আঘাতে অন্তত ১৫ জন কমবেশি আহত হয়েছে। পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শী সুত্রে জানা গেছে, আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে দোগাছীর বর্তমান চেয়ারম্যান ও আওয়ামীলীগ নেতা মোঃ ফয়েজুল্লাহ দলীয় মেনানয়ন পেতে ব্যার্থ হন। ওই ইউনিয়নে দলীয় মনোনয়ন দেওয়া হয় আওয়ামীলীগ নেতা আসাহাক আলী জোয়ারদারকে। এ খবর ছড়িয়ে পড়লে সোমবার সকাল ১০টার দিকে কলমনখালী বাজারে আওয়ামীলীগের দুই গ্রুপের মধ্যে পাল্টাপাল্টি শোডাউন থেকে এক পর্যায়ে সংঘর্ষে রুপ নেয়। শুরু হয় ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া ও ইটপাটকেল নিক্ষেপ। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌছে প্রথমে দুই গ্রুপকে সংঘর্ষ থেকে নিবৃত্ত করার চেষ্টা করে। পুলিশের আদেশ নিষেধ অনাম্য করে দুই গ্রুপ সংঘর্ষ চালাতে থাকলে এক পর্যায়ে তাদের ছত্রভঙ্গ করতে ১২ রাউন্ড গুলি চালায়। এ ঘটনায় মফিজ উদ্দীন নামে ইসহাক জোয়ারদারের এক সমর্থক গুলিবিদ্ধ হন। এছাড়া হরিপুর গ্রামের তৈয়ব আলী বিশ্বাসসহ অনেকেই ইট পাটকেলের আঘাতে আহত হয়েছেন বলে জোমারত আলী নামে এক প্রত্যক্ষদর্শী জানান। এ ব্যাপারে বর্তমান চেয়ারম্যান ফয়েজুল্লাহ ও দলীয় মেনানয়ন প্রাপ্ত ইসাহাক আলী জোয়ারদার এই সংঘর্ষের জন্য একে অপরকে দায়ী করেছেন। ঝিনাইদহ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা হাসান হাফিজুর রহমান সাংবাদিকদের জানান, সোমবার সকালে আসন্ন ইউপি নির্বাচনে আধিপত্য বিস্তার নিয়ে কলমনখালী বাজারে আওয়ামীলীগ সমর্থিত দুই গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষ বাধে। পুলিশ সংঘর্ষ থামাতে ১২ রাউন্ড গুলি ছুড়েছে। তবে এতে কেউ আহত হয়েছে কিনা তা জানা নেই বলে ওসি জানান। তিনি আরো জানান, এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। বর্তমান পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে। এ বিষয়ে ঝিনাইদহ সদর থানার ডিউটি অফিসার এএসআই রাশেদ জানান, সংঘর্ষের ঘটনায় এখনো কেউ মামলা করতে আসেনি।