‘আধুনিক পদ্ধতিতেই বিজিএমএ ভবন ভাঙা হবে’

আপডেটঃ ৫:৩৯ অপরাহ্ণ | এপ্রিল ১৭, ২০১৯

ডেস্ক রিপোর্ট : গৃহায়ণ ও গণপূর্তমন্ত্রী শ. ম রেজাউল করিম বলেছেন, কোনভাবেই ম্যানুয়েল পদ্ধতিতে বিজিএমইএ ভবন ভাঙা হবে না। হতাহতের ঘটনা ঘটতে পারে- এমন কোন পদ্ধতি কোনভাবেই প্রয়োগ করা হবে না। সম্পূর্ণ বিজ্ঞানসম্মত ও আধুনিক পদ্ধতি অনুসরণ করেই এই ভবনটি ভাঙা হবে।

বুধবার সচিবালয়ে বিজিএমইএ ভবন ভাঙার বিষয়ে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ তথ্য জানান।

তিনি বলেন, ‘আমরা এলাকার নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ও আশপাশের পরিবেশ ঝুঁকিমুক্ত রাখতে বিদেশি বিশেষজ্ঞদের সহযোগিতা নেবো। কিন্তু ইমারতটি ভেঙে ফেলার ক্ষেত্রে সার্বিক নিয়ন্ত্রণে বিদেশি অন্য কোন সংস্থার প্রয়োজন হবে না। যে পদ্ধতির কথা ইতোমধ্যে আপনারা পত্রপত্রিকায় শুনেছেন সেই তথ্যগুলো সঠিকভাবে আসেনি। আমি আশা করি আগামী ২৪ তারিখের পরেই আপনারা জানতে পারবেন কোন পদ্ধতিতে ভবনটি ভাঙা হবে।’

তিনি আরো বলেন, ‘আধুনিক পদ্ধতিতে এমনসব কৌশল নির্ধারণ করা হবে যাতে ভবনটি ভাঙতে বেশি সময়ের প্রয়োজন হবে না। পুরো ভবনটি স্তুপ আকারে ভবনের নির্ধারিত জায়গায় বসে পড়বে। সেদিন আপনারা (মিডিয়া)  দেখতে পারবেন বাংলাদেশ প্রযুক্তিতে কতদূর এগিয়ে গেছে যার অনেক কিছুই কল্পনা করা যায় না।’

ডিনামাইট দিয়ে ভবনটি ভাঙা হবে কিনা- এ প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, ‘ডিনামাইট প্রচলিত শব্দে একটি বোমার ব্যবহার। আসলে এখানে সেই ডিনামাইট ব্যবহার করা হবে না। এটা একটি পদ্ধতি, যার বাহ্যিক দৃশ্যটা ডিনামাইট আকারে দেখা যায়। কিন্তু কোনভাবেই একটি ডিনামাইট বোমা মেরে ভবনটি ভাঙা হবে না। এটি একটি নির্মাণ প্রযুক্তি ভেঙে ফেলার কৌশল মাত্র।’

ভবনটি ভেঙে ফেলতে কত সময় লাগবে- এ প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, ‘পুরো ভবন ভেঙে সেখান থেকে সব উপকরণ সরিয়ে ফেলতে তিন মাসের বেশি সময় নেওয়া হবে না। আমরা আগামী ২৪ তারিখের মধ্যে সিদ্ধান্ত নেব কোন প্রতিষ্ঠানকে এ দায়িত্ব দেবো। এরপর সাত দিনের মধ্যে ওয়ার্ক অর্ডার দিয়ে দেবো।