স্বাস্থ্যের সেই ২৩ কর্মকর্তা-কর্মচারীকে শাস্তিমূলক বদলি

আপডেটঃ ৯:৫৮ পূর্বাহ্ণ | ফেব্রুয়ারি ০১, ২০১৯

নিজস্ব প্রতিবেদক :দুর্নীতির সঙ্গে সম্পৃক্ততার অভিযোগে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সেই ২৩ কর্মকর্তা-কর্মচারীকে শাস্তিমূলক বদলি করা হয়েছে।

দুর্নীতির সঙ্গে সম্পৃক্ততার অভিযোগে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ২৩ কর্মকর্তা-কর্মচারীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে গত ২৩ জানুয়ারি স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ে চিঠি দেয় দুদক।

তাদের সুপারিশের প্রেক্ষিতে স্বাস্থ্য ও পরিকল্পনা অধিদপ্তর থেকে বৃহস্পতিবার ওই বদলির আদেশ দেয়া হয়।

২৩ কর্মকর্তা হলেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (স্বাস্থ্য) এর কার্যালয়ের সহকারী প্রধান মীর রায়হান আলী, প্রশাসনিক কর্মকর্তা ফারুক হাসান, প্রধান সহকারী আশরাফুল ইসলাম, প্রধান সহকারী সাজেদুল করিম, উচ্চমান সহকারী তৈয়বুর রহমান, উচ্চমান সহকারী সাইফুল ইসলাম, চট্টগ্রাম স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালকের কার্যালয়ের প্রধান সহকারী ফয়জুর রহমান, প্রধান সহকারী মাহফুজুল হক, কম্পিউটার অপারেটর আজমল খান, ময়মনসিংহ স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালকের কার্যালয়ের প্রশাসনিক কর্মকর্তা মোস্তাফিজুর রহমান, প্রধান সহকারী-কাম হিসাবরক্ষক আব্দুল কুদ্দুস, সিলেটের স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালকের কার্যালয়ের প্রধান সহকারী নুরুল হক, প্রশাসনিক কর্মকর্তা গোস আহমেদ, উচ্চমান সহকারী আমান আহমেদ, অফিস সহকারী-কাম কম্পিউটার অপারেটর নেছার আহমেদ চৌধুরী, খুলনা স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালকের কার্যালয়ের ব্যক্তিগত সহকারী ফরিদ হোসেন, অফিস সহকারী মো. মাসুম, প্রধান সহকারী আনোয়ার হোসেন, বরিশাল স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালকের কার্যালয়ের প্রধান সহকারী মো. রাহাত খান, উচ্চমান সহকারী জুয়েল, রংপুর স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালকের কার্যালয়ের উচ্চমান সহকারী আজিজুর রহমান, স্টেনোগ্রাফার সাইফুল ইসলাম এবং প্রশাসনিক কর্মকর্তা জাহাঙ্গীর আলম।

নতুন কর্মস্থলে বদলিকৃত আদেশ হলো- প্রজ্ঞাপন

দুদকের পাঠানো চিঠিতে বলা হয়, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরে অধীনস্ত বিভিন্ন কার্যালয়ে কতিপয় দুর্নীতিবাজ, স্বেচ্ছাচারী ও ক্ষমতার অপব্যবহারকারী কর্মকর্তা-কর্মচারী দীর্ঘদিন ধরে একই কর্মস্থলে চাকরি করার সুবাদে দুর্নীতির শক্তিশালী বলয় তৈরি হয়েছে। যা স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সুশাসনকে ক্ষতিগ্রস্ত করছে। এসব কর্মকর্তা-কর্মচারী ক্ষমতার অপব্যবহার করে অঢেল সম্পদের মালিক হয়েছেন বলে জানা গেছে। দুদকে তাদের বিরুদ্ধে ইতিমধ্যে অনেক অভিযোগ জমা হয়েছে, যা আমাদের গোয়েন্দা ইউনিটের অনুসন্ধান পর্যায়ে রয়েছে। এ অবস্থায় এসব কর্মকর্তা-কর্মচারীকে দুর্নীতি প্রতিরোধককল্পে বর্তমান কমর্মস্থল থেকে জরুরি ভিত্তিতে অন্যত্র বদলির ব্যবস্থা গ্রহণের অনুরোধ করেছে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরে সিন্ডিকেট করে সীমাহীন দুর্নীতির মাধ্যমে কোটি কোটি টাকা আত্মসাৎ করে বিদেশে পাচার এবং জ্ঞাত আয় বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগ রয়েছে। ২০১৮ সালের প্রথম দিকে অভিযোগ অনুসন্ধানে নামে দুদক। দুদকের উপ-পরিচালক মো. সামছুল আলমের নেতৃত্বে তিন সদস্যের একটি দল অনুসন্ধান করছে।