কুমিল্লা-৩ (মুরাদনগর) আসনে মাঠে আ’লীগ ঢাকায় বসে নেতৃত্ব দেয়ার চেষ্টা বিএনপি’র

আপডেটঃ ৫:১৯ অপরাহ্ণ | ডিসেম্বর ১২, ২০১৮

মাহবুব আলম আরিফ, সি এন এ নিউজ,মুরাদনগর (কুমিল্লা) :আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বচনে কুমিল্লা-৩ (মুরাদনগর) আসনে ভোটের মাঠে উপজেলা আ’লীগ ফুরফুরে মেজাজে থাকলেও দেখা মিলছে না বিএনপি’র। উপজেলা বিএনপি’র নেতাকর্মীদের থেকে শুরু করে প্রার্থীসহ সকলেই এখন পর্যন্ত ঢাকায় বসে নেতৃত্ব দেয়ার চেষ্টা করছেন। যার কারণে ভয়ে ভোটের মাঠে নামতে চাইছেন না তৃণমূল নেতাকর্মীরা।
জানাযায়, এ আসনে দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কুমিল্লা উত্তর জেলা আ’লীগের সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলম সরকারের ছেলে সতন্ত্র প্রার্থী আহসানুল আলম কিশোরকে হারিয়ে নির্বাচিত হন আরেক সতন্ত্র প্রার্থী আ’লীগ কেন্দ্রীয় কমিটির সাবেক অর্থ উপদেষ্টা ও এফবিসিসিআই’র সাবেক দুই বারের সভাপতি ইউসুফ আবদুল্লাহ হারুন এফসিএ। তখন থেকে স্থানীয় আ’লীগ দু’ভাগে বিভক্ত হয়ে যায়। তার কিছুদিন পর ইউসুফ আবদুল্লাহ হারুনকে আ’লীগ সভাপতি মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দলীয় এমপি হিসেবে স্বীকৃতি দিলেও দূরত্ব কমেনি স্থানীয় আ’লীগের। তবে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ইউসুফ আবদুল্লাহ হারুনকে নৌকার চুড়ান্ত মনোনয়ন দেয়া হলে, সেই দূরত্ব কমিয়ে তার সাথে সুর মিলিয়ে নৌকার পক্ষে ভোট চাইছেন কুমিল্লা উত্তর জেলা আ’লীগের সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলম সরকার ও তার লোকজন। যে কারণে ভোটের মাঠ এখন পুরোপুরি আ’লীগের আওতায় রয়েছে বলে মনে করছে স্থানীয় নেতাকর্মীরা।
অপরদিকে এই আসনে সাবেক পাঁচবারের এমপি কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসেন কায়কোবাদ মামলা জনিত কারণে দির্ঘদিন দেশের বাহিরে থাকায় একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপি’র প্রার্থী হয়েছেন তার ছোট ভাই কেএম মুজিবুল হক। কায়কোবাদ দির্ঘদিন দেশের বাহিরে থাকায় ঢাকায় বসেই স্থানীয় বিএনপি’র নেতাকর্মীদের নেতৃত্ব দেয়ার চেষ্টা করছেন মুজিবুল হক। ফলে স্থানীয় নেতাকর্মী ও ভোটাররা মনে করছেন এই আসনে নৌকার বিপরীতে লড়ার মতো মজবুত প্রার্থী না থাকায় ইউসুফ আব্দুলাহ হারুন এমপি হতে কঠিন কোনো চেলেঞ্জর মুখোমুখি হতে হবে না।
এই আসনের বর্তমান এমপি ইউসুফ আব্দুলাহ হারুন বলেন, মহান আলাহ তার প্রাপ্যতা অনুযায়ী সম্মান এবং মর্যাদা দান করেন। বর্তমান সরকারের সহযোগীতায় আমি ক্ষমতায় আসার পর এ উপজেলায় প্রায় এক হাজার কোটি টাকার উন্নয়ন মূলক কাজ হয়েছে। এলাকাবাসীর জন্য যদি ভালো কিছু করে থাকি এবং করার ইচ্ছা পোষণ করি তাহলে তার প্রতিদান অবশ্যই আমি পাব। জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর আদর্শ এবং জননেত্রী শেখ হসিনার হাতকে শক্তিশালী করতে নৌকা প্রতীক নিয়ে সাধারণ মানুষের পাশে আছি এবং আগামীতেও থাকব।