মুরাদনগরে ৫ বছরে নির্মাণ হয়নি সংযোগ সড়ক বাঁশ পিছু ছাড়ছেনা শতাধিক পরিবারের

আপডেটঃ ২:৩৯ অপরাহ্ণ | অক্টোবর ১৬, ২০১৮

মাহবুব আলম আরিফ, সি এন এ নিউজ,মুরাদনগর (কুমিল্লা) :আমাদের দেশে বাঁশের গুন একটু বেশি বাবা দাদাদের মুখে শুনেছি বাঁশ দিয়ে পাক বাহিনীকে বদ করে সোনার বাংলা মুক্ত করে ছিলো। দেশ স্বাধীনের পর বাড়ীর সামনের খাল পারাপারের জন্য ব্যবহার করা শুরু হয়েছিলো বাঁশের। সেই খালে ২০১৪ সালে এলজিএসপির অর্থ্যায়নে একটি ব্রীজ নির্মান করা হলেও দু’পাশের সংযোগ সড়ক না থাকায় বাঁশের সাঁকোই আবার ভরসা হয়ে দাড়িয়েছে আমাদের। কুমিল্লার মুরাদনগর উপজেলার খৈইয়াখালি মুন্সী বাড়ীর কৃষক আব্দুল খালেক আক্ষেপ করে বলেন, স্বাধীনতার পর থেকে বাঁশ যেন আমাদের পিছু ছাড়ছেনা।
স্থানীয়রা জানায়, উপজেলার বাঙ্গরা বাজার থানাধীন পূর্বধৈইর পশ্চিম ইউনিয়নের দৌলতপুর-মাদবপুর সড়কের পাশের খালের উপর বাঁশের সাঁকো নির্মাান করে প্রতিদিন মুন্সী বাড়ীরর শতাধীক পরিবারের লোকজন যাতায়াত করতো। পরিবারগুলোর সমস্যার কথা চিন্তা করে স্থানীয় প্রশাসন এলজিএসপির অর্থায়নে খালের উপর প্রায় ৫ বছর পূর্বে নির্মিত করা হয়েছিলো একটি ব্রীজের কিন্তু দু’পাশে কোন সংযোক সড়ক নির্মাণ না করায় সেতুটি স্থানীয়দের কোন কাজেই আসছেনা। এই পথে যাতায়াতে চরম দুর্ভোগের শিকার হচ্ছে নারী-শিশু, ছাত্র-ছাত্রীসহ শতাধীক পরিবারের লোকজন। বর্ষা কালে তাদের ভোগান্তি আরো বেরে যায়। এলাকাবাসী সংযোগ সড়কের জন্য স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান, মেম্বারসহ বিভিন্ন দপ্তরে যোগাযোগ করেও ব্যর্থ হয়েছে বলেও জানান তারা। সব সময় আশ্বাস দিলেও কাজের কাজ কিছুই হয়নি।
এ বিষয়ে পূর্বধৈইর পশ্চিম ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান শরিফুল ইসলাম বলেন, ব্রীজটি নির্মানে যে অর্থ বরাদ্দ দেওয়া হয়েছিল সে অর্থ দিয়ে সংযোগ সড়ক নির্মান করা সম্ভব হয়নি। বরাদ্দ পেলে সড়ক নির্মান করা হবে।
উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা মিতু মরিয়ম বলেন, বিষয়টি আমার জানা নেই। খুব শিগগিরই সংযোগ সড়ক তৈরি করে ব্রীজটি যথাযথ ব্যবহারের উপযোগী করার ব্যবস্থা নেওয়া হবে।