ঢাবির ৫১তম সমাবর্তন : ডুসাক সদস্যদের অভাবনীয় সাফল্য

আপডেটঃ ৯:০৮ পূর্বাহ্ণ | অক্টোবর ০৭, ২০১৮

বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিবেদক:বিপুল উৎসাহ ও উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠিত হয়ে গেল ঢাবির ৫১তম সমাবর্তন। শনিবার বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় খেলার মাঠে অনুষ্ঠিত এই সমাবর্তনে ২১ হাজার ১১১ জন গ্র্যাজুয়েট অংশ নেন। সমাবর্তনকে কেন্দ্র করে বিগত এক সপ্তাহ জুড়ে ক্যাম্পাসে বিরাজ করছে উৎসবমুখর পরিবেশ।

রাষ্ট্রপতি ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আচার্য মো. আব্দুল হামিদ সমাবর্তনে সভাপতিত্ব করেন। সমাবর্তন বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জাতীয় অধ্যাপক ড. আনিসুজ্জামান।

৫১তম সমাবর্তনে অভাবনীয় সাফল্য দেখিয়েছেন ঢাকা ইউনিভার্সিটি স্টুডেন্ট অ্যাসোসিয়েশন অব চুয়াডাঙ্গার (ডুসাক) সদস্যরা।

ডুসাক সদস্য কুমারী মুক্তা কর্মকারকে দর্শন বিভাগে কৃতিত্বপূর্ণ ফলাফলের জন্য স্বর্ণপদক দেয়া হয়। তিনি চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদার ডুগডুগি এলাকার অনীল কর্মকারের মেয়ে। তাছাড়া ডুসাকের আরেক সদস্য এইচএসএম শাহরিয়ার ব্যাংকিং ও ইন্স্যুরেন্স বিভাগ থেকে ভালো ফলাফলের জন্য স্বর্ণ পদক পেয়েছেন। তিনি জীবননগর উপজেলার পনরসতী গ্রামের আবুল কালাম আজাদের ছেলে।

southeast

এ বছর ডুসাকের প্রায় অর্ধশত সদস্য ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গর্বিত গ্র্যাজুয়েট হওয়ার সম্মান লাভ করলেন। তারা হলেন- মনিরা সুলতানা, কাকলী জোয়ার্দার, রেক্সনা খাতুন, নাসরিন নাহার, আজমাইন হক, সুলতান মাহমুদ, স্বপন আহমেদ, সাজন মাহমুদ, শাহিন মিয়া, মুক্তা কর্মকার, বিপাশা আজমেরী, মো. সজীব হোসাইন, এমএ হালিম, রুহুল আমিন মুহসীন, রিমা আক্তার টগর, কামরুল হাসান, মিলন পারভেজ, মো.কে. বাসার, লামিয়া রহমান, সুমন আহমেদ, মাসুম বিল্লাহ প্রমুখ। এছাড়া পোস্ট গ্র্যাজুয়েট হিসেবে চুয়াডাঙ্গা থেকে একমাত্র ডুসাকের সাবেক সাধারণ সম্পাদক শামীম হোসেন মিজি অংশগ্রহণ করেন।

সকলের উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ কামনা করে গ্র্যাজুয়েটদের অভিনন্দন জানিয়েছেন ডুসাকের প্রধান পৃষ্ঠপোষক আহমেদ পিপুল।

সমাবর্তন অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামান।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ, সমাজকল্যাণ মন্ত্রী রাশেদ খান মেনন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. নাসরীন আহমাদ, প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ সামাদ, বিভিন্ন অনুষদের ডিন ও বিভাগের শিক্ষকরাসহ আমন্ত্রিত অতিথিরা। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) মো. এনামউজ্জামান।