এশিয়া কাপ-২০১৬ বাংলাদেশের দ্বিতীয় উইকেটের পতন

আপডেটঃ ৯:৩৮ অপরাহ্ণ | ফেব্রুয়ারি ২৪, ২০১৬

ক্রীড়া প্রতিবেদক, মিরপুর থেকে : বাংলাদেশ ও ভারতের ম্যাচ দিয়ে এশিয়া কাপের টি-টোয়েন্টি আসরের পর্দা উঠেছে আজ বুধবার।

 

টস হেরে প্রথমে ব্যাট করতে নেমে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৬ উইকেট হারিয়ে ১৬৬ রান সংগ্রহ করেছে ভারত। জয়ের জন্য বাংলাদেশকে করতে হবে ১৬৭ রান।

 

১৬৭ রানের জয়ের লক্ষ্যে ব্যাট করছে বাংলাদেশ। এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত বাংলাদেশের সংগ্রহ ৩.২ ওভার শেষে ২ উইকেটে ১৫ রান।

 

৩ ওভার শেষে : বাংলাদেশ ১৫/১ (সৌম্য ১১; সাব্বির ৩); নেহেরা ২-০-৯-১। নেহেরার বলে বোল্ড হয়ে যান মোহাম্মদ মিথুন (১)।

২ ওভার শেষে : বাংলাদেশ ৯/০ (সৌম্য ৮, মিথুন ১); বুমরাহ ১-০-৬-০।

১ ওভার শেষে : বাংলাদেশ ৩/০ (সৌম্য ৩, মিথুন ০); নেহেরা ১-০-৩-০।

 

এর আগে ভারতের ইনিংসে ব্যাট হাতে সর্বোচ্চ ৮৩ রানের ইনিংস খেলেন রোহিত শর্মা। তার এই ইনিংসে ৭টি চার ও ৩টি ছক্কার মার ছিল। এ ছাড়া হার্দিক পান্ডে ১৮ বলে ৪টি চার ও ১ ছক্কায় ৩১ রানে ঝড়ো ইনিংস খেলেন।

 

বল হাতে বাংলাদেশের সেরা বোলার আল-আমিন হোসেন। তিনি ৪ ওভারে ৩৭ রান দিয়ে ৩ উইকেট নেন। এ ছাড়া ১টি করে উইকেট নেন মাশরাফি, সাকিব ও মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ।

২০ ওভার শেষে : ভারত ১৬৬/৬ (ধোনি ৮, জাদেজা ০); আল-আমিন ৪-০-৩৭-৩। শেষ ওভারে রোহিত শর্মা (৮৩) ও হার্দিক পান্ডেকে (৩১) নিজের শিকারে পরিণত করেন আল-আমিন।

১৯ ওভার শেষে : ভারত ১৫৭/৪ (রোহিত ৮৩, পান্ডে ৩০); মুস্তাফিজ ৪-০-৪০-০।

১৮ ওভার শেষে : ভারত ১৪৯/৪ (রোহিত ৮২, পান্ডে ২৪); আল-আমিন ৩-০-২৮-১।

১৭ ওভার শেষে : ভারত ১৩৬/৪ (রোহিত ৭৯, পান্ডে ১৪); মুস্তাফিজ ৩-০-৩৩-০।

১৬ ওভার শেষে : ভারত ১১১/৪ (রোহিত ৭২, পা্ন্ডে ১); মাশরাফি ৪-০-৪০-১।

১৫ ওভার শেষে : ভারত ৯৭/৪ (রোহিত ৫৫, পান্ডে ০); সাকিব ৩-০-১৫-১। সাকিবের বলে সৌম্যর হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হন যুবরাজ (১৫)।

১৪ ওভার শেষে : ভারত ৯০/৩ (রোহিত ৪৯, যুবরাজ ১৫); মুস্তাফিজ ২-০-১২-০।

১৩ ওভার শেষে : ভারত ৮১/৩ (রোহিত ৪৬, যুবরাজ ৯); সাকিব ২-০-৯-০।

১২ ওভার শেষে : ভারত ৭৬/৩ (রোহিত ৪৩, যুবরাজ ৭); মাশরাফি ৩-০-২২-১। টি-টোয়েন্টিতে যুবরাজের ১০০০ রান পূর্ণ হয়।

১১ ওভার শেষে : ভারত ৬৬/৩ (রোহিত ৩৫, যুবরাজ ৫); তাসকিন ২-০-২২-০। ১০.৩ ওভারের সময় পয়েন্টে রোহিতের ক্যাচ ছাড়েন সাকিব।

১০ ওভার শেষে : ভারত ৫২/৩ (রোহিত ২১, যুবরাজ ৫); মাহমুদউল্লাহ ২-০-৯-১।

৯ ওভার শেষে : ভারত ৪৭/৩ (রোহিত ১৮, যুবরাজ ৩); সাকিব ১-০-৪-০।

৮ ওভার শেষে : ভারত ৪৩/৩ (রোহিত ১৬, যুবরাজ ১); মাহমুদউল্লাহ ১-০-৪-১। রায়নাকে বোল্ড করেন মাহমুদউল্লাহ।

৭ ওভার শেষে : ভারত ৩৯/২ (রোহিত ১৪, রায়না ৯); মাশরাফি ২-০-১২-১।

৬ ওভার শেষে : ভারত ৩১/২ (রোহিত ১০, রায়না ৯); আল-আমিন ২-০-১৫-১।

৫ ওভার শেষে : ভারত ২৩/২ (রোহিত ১০, রায়না ১); মাশরাফি ১-০-৪-১। কোহলিকে আউট করেন মাশরাফি।

৪ ওভার শেষে : ভারত ১৯/১ (রোহিত ৭, কোহলি ৮); মুস্তাফিজ ১-০-৩-০।

৩ ওভার শেষে : ভারত ১৪/১ (রোহিত ৭, কোহলি ৬); তাসকিন ২-০-৮-০।

২ ওভার শেষে :  ভারত ৯/১ (রোহিত ৫, কোহলি ১); আল-আমিন ১-০-৭-১। শেখর ধাওয়ানকে ফেরান আল-আমিন।

১ ওভার শেষে : ভারত ২/০ (রোহিত ১, ধাওয়ান ০); তাসকিন ১-০-১-০।

 

গত সোমবার ফতুল্লায় অনুশীলনের সময় পিঠের পেশিতে চোট পান ভারতের অধিনায়ক ধোনি। তবে ইনজুরি মুক্ত হয়ে আজকের ম্যাচে খেলছেন তিনি।

 

বাংলাদেশের শেষ দ্বিপাক্ষিক সিরিজে উইকেটের পিছনের দায়িত্ব সামলেছিলেন কাজী নুরুল হাসান সোহান। মুশফিকুর রহিমও একাদশে ছিলেন। টিম কম্বিনেশনের কারণে নুরুল হাসান সোহানকে একাদশের বাইরে রেখেছে ম্যানেজম্যান্ট। এছাড়া একাদশের বাইরে আছেন নাসির হোসেন, আরাফাত সানী ও আবু হায়দার রনি।

 

বিশ্রামে থাকা বিরাট কোহলি এ ম্যাচ দিয়ে ভারতীয় দলে ফিরেছেন। ঘরের মাঠে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে খেলেননি বিশ্বের অন্যতম সেরা এ ব্যাটসম্যান।

 

টসের আগে উইকেট বিশ্লেষণ করে ধারাভাষ্যকার আতাহার আলী খান বলেন,‘সকাল থেকে বৃষ্টি হচ্ছিল বলে উইকেট অনেকটা সময় ঢাকা ছিল। এখনো তাজা ঘাস এখানে রয়েছে। প্রথম সাত-আট ওভার উইকেট থেকে পেসাররা অনেক ভালো সুবিধা পাবে। শুরুতেই উইকেট তুলে নিতে পারলে প্রতিপক্ষকে চাপে রাখা যাবে। অন্যদিকে ব্যাটসম্যানরা যদি শুরুতে টিকে যেতে পারে তাহলেও ভালো পুঁজি পাবে। আমি মনে করি টসে জিতে ফিল্ডিং নেওয়াই শ্রেয়।’

 

উইকেটের সঙ্গে মিল রেখে বাংলাদেশ দল চার পেসার ও সাত ব্যাটসম্যান নিয়ে সেরা একাদশ সাজিয়েছে।

 

বাংলাদেশের একাদশ: মাশরাফি বিন মুর্তজা, ইমরুল কায়েস, সৌম্য সরকার, সাব্বির রহমান, সাকিব আল হাসান, মুশফিকুর রহিম, মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ, মোহাম্মদ মিথুন, আল-আমিন হোসেন, মুস্তাফিজুর রহমান ও তাসকিন আহমেদ।

 

ভারতের একাদশ: রোহিত শর্মা, শেখর ধাওয়ান, বিরাট কোহলি, সুরেশ রায়না, মহেন্দ্র সিং ধোনি, যুবরাজ সিং, হার্দিক পান্ডে, রবীন্দ্র জাদেজা, রবিচন্দ্রন অশ্বিন, আশিষ নেহেরা ও জাসপ্রিত বুমরাহ।