আ’লীগের দুই গ্রুপের গোলাগুলিতে একজন নিহত

আপডেটঃ ৮:৫৯ পূর্বাহ্ণ | এপ্রিল ২৩, ২০১৮

সি এন এ  নিউজ,প্রতিবেদক: আওয়ামী লীগের দুই গ্রুপের গোলাগুলিতে রাজধানীর বাড্ডার বেরাইদ এলাকায় একজন নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন অন্তত দশজন, তারা ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। নিহত কামরুজ্জামান দুখু (৩৫) বেরাইদ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও বাড্ডা থানা আওয়ামী লীগের সভাপতি জাহাঙ্গীর আলমের ভাই। তিনি রড-সিমেন্টের ব্যবসা করতেন।

রবিবার বিকাল সাড়ে ৪টার দিকে ঢাকা-১১ আসনের স্থানীয় সংসদ সদস্য এ কে এম রহমতউল্লাহ ও বেরাইদ ইউনিয়নের চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর আলমের সমর্থকদের মধ্যে এই গোলাগুলির ঘটনা ঘটে। তবে উভয়পক্ষই এ ঘটনায় একে অপরকে দোষ দিচ্ছে।

চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর আলম বলেন, ‘সংসদ সদস্য এ কে এম রহমতউল্লাহর ভাগ্নে ফারুকের নেতৃত্বে ৫০/৬০ জন সন্ত্রাসী আমার ভাইয়ের ওপর আজ বিকালে হামলা চালায়। তারা গুলি করে আমার ভাইকে হত্যা করেছে।’

তিনি অভিযোগ করে বলেন, ‘আমাদের এলাকা সিটি করপোরেশনের আওতায় যাওয়ার পর আমি কাউন্সিলর প্রার্থী হওয়ার ঘোষণা দিয়েছিলাম। এজন্য নির্বাচন স্থগিত চেয়ে উচ্চ আদালতে মামলা করেছিলাম। মামলার রায় আমার পক্ষে হওয়ায় এমপি রহমতউল্লাহ আমার ওপর ক্ষেপে যায়। এজন্য আমার ভাইকে হত্যা করা হয়েছে।’

চেয়ারম্যান বলেন, ‘ঘটনার পর আমরা আহতদের অ্যাপোলো হাসপাতালে নিয়ে আসি। আসার পথেই আমার ভাই মারা গেছে। আট ভাইয়ের মধ্যে কামরুজ্জামান ছিল সপ্তম। কিছুদিন ধরেই আমাদের হুমকি দিয়ে আসছিল এমপির সমর্থকরা। আমি ও আমার ভাই এ বিষয়ে বাড্ডা থানায় পৃথক সাধারণ ডায়েরিও (জিডি) করেছিলাম।’

তবে অভিযোগের বিষয়ে অস্বীকার করেছেন এমপি রহমতুল্লাহ। তিনি বলেন, ‘আমাকে ওসি ফোন করেছিল, আমিও শুনেছি। তবে কে বা কারা মেরেছে, তা পুলিশ বলতে পারবে। আমি মাগরিবের নামাজ পড়ে নিচে নামলাম। আমার ভাগ্নে ফারুক বাড্ডা থানায় বসা রয়েছে। আমরা কেন মারতে যাবো। সে কি বলল, কারা মারলো, তা পুলিশ বলতে পারবে।’
বাড্ডা থানার পরিদর্শক (তদন্ত) নজরুল ইসলাম বলেন,‘কামরুজ্জামান দুখু নামে একজন গোলাগুলিতে মারা গেছেন। ছয়জন গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। ঘটনার খবর পাওয়ার পর আমরা অভিযান চালাচ্ছি।’